Category: ইউনিয়ন

  • সোনারগাঁয়ে ৩ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে ৩ শতাংশ জমি জালিয়াতি করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ

    বিশেষ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়নের সেকেরহাট এলাকায় রতন ভুঁইয়া নামে এক ব্যক্তির পৈত্রিক ৩ শতাংশ জমি জালিয়াতির মাধ্যমে দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমিতে ইট দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা এবং বাধা দিলে হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
    মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সরেজমিনে সেকেরহাট চৌরাস্তার পাশে লায়েরবাগ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রতন ভুঁইয়ার দাবি করা জমিতে ইট দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা এতে বাধা দিলে তাদের বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    ভুক্তভোগী রতন ভুঁইয়া জানান, তার বাবা আমির হোসেন ভুঁইয়া পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ৩ শতাংশ জমি তার নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। জমিটির খারিজ ও খাজনার কাগজপত্রও তার নামে রয়েছে। তবে তার এক চাচাতো ভাই জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া দলিল তৈরি করে ওই জমি অন্য এক নারীর কাছে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
    রতন ভুঁইয়ার অভিযোগ, তার ৩ শতাংশ জমি নিয়ে জালিয়াতি করে ৬ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে। এরপর থেকে তাকে জমিতে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। তিনি ও তার পরিবার নারায়ণগঞ্জে বসবাস করায় জমিতে থাকা তার মেজো ভাইয়ের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
    তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি অভিযুক্তরা জমিতে ইট দিয়ে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করলে তার ভাই বাধা দেন। এ সময় তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশের তারিখ নির্ধারণ করা হলেও কোনো সমাধান হয়নি, বরং বারবার তারিখ পরিবর্তন করা হচ্ছে।
    রতন ভুঁইয়া বলেন, “আমি আমার জমি বিক্রি করতে চাই না। এই জমিতে আমি থাকব। আমার বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও জোর করে জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি আমার জমি ফেরত চাই। অন্যথায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
    তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জমির প্রকৃত মালিকানা ও দলিলপত্রের বৈধতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।

  • সনমান্দি কান্দাপাড়ায় ৫ শতাধিক মানুষের ভরসা নড়বড়ে সাঁকো, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    সনমান্দি কান্দাপাড়ায় ৫ শতাধিক মানুষের ভরসা নড়বড়ে সাঁকো, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের ৫ শতাধিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি নড়বড়ে সাঁকোর ওপর ভরসা করে চলাচল করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন এই সাঁকো পারাপার হতে হচ্ছে শিশু, নারী, পুরুষ ও বৃদ্ধদের।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কান্দাপাড়া গ্রামে শিশু ও বৃদ্ধসহ ৫ শতাধিক মানুষের বসবাস। গ্রামের মানুষের চলাচলের অন্যতম মাধ্যম এই সাঁকোটি বর্তমানে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সাঁকোর ওপর দিয়ে প্রতিদিন শিশুরা স্কুলে যাতায়াত করে এবং মুসল্লিরা নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যান। এছাড়া বিভিন্ন প্রয়োজনে বৃদ্ধ ও নারীদেরও বাধ্য হয়ে সাঁকোটি ব্যবহার করতে হচ্ছে।

    তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন অসুস্থ ও জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীরা। নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে রোগী পারাপার করতে গিয়ে স্বজনদের চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সাঁকোটির পরিবর্তে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হলে গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হবে।

    কান্দাপাড়া গ্রামের মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • শম্ভুপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অপুর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

    শম্ভুপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অপুর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল

    নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অপুর মৃত্যুতে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১১আগস্ট) বিকাল ৩টায় শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যােগে হোসেনপুর জনকল্যাণ সমিতির অডিটোরিয়ামে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    দোয়া মিলাদ মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ্জালাল সিকদার।

    অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরোও বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপি সিঃ সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপি সিঃ যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মতিন বেপারী,ডাচ বাংলা ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুলহাজ উদ্দিন,শম্ভুপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন মন্জিল,ফরদি ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা সভাপতি সামছুজ্জামান সাহেব,হোসেনপুর এস.পি ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আঃ গনি,ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড সভাপতি গাজী মালেক,৪নং ওয়ার্ডর সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন,ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি আবুল বাশার,ইউনিয়ন বিএনপি’র যুব বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল রানা,ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হোসেন,৫নং ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন,ইউনিয়ন যুবদল নেতা আল-আলামিন,শম্ভুপুরা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক ফরিদুজ্জামান, ৩নং ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি নুর হোসেন।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন যুবদলনেতা তরিকুল ইসলাম সরকার।

    এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, এলাকাবাসী এবং আত্মীয়স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
    মাহফিলে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

    দোয়া ও মাহফিলে মরহুম শফিকুল ইসলাম অপুর জীবনের বিভিন্ন দিক এবং তার অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।

  • একরামপুরে গ্রামবাসী-প্রবাসীদের উদ্যোগে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন

    একরামপুরে গ্রামবাসী-প্রবাসীদের উদ্যোগে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের একরামপুর গ্রামে গ্রামবাসী ও প্রবাসীদের অর্থায়ন এবং যুবসমাজের উদ্যোগে গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও জনবহুল এলাকায় সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
    রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টায় একরামপুর গ্রামে এ উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মেজবাহ উদ্দিন স্বপন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রামের পঞ্চায়েত কমিটির সদস্য, যুবসমাজের প্রতিনিধিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপনের ফলে গ্রামের মাটির রাস্তা ও পাকা সড়ক রাতেও আলোকিত থাকবে। এতে পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের ঝুঁকি কমবে এবং বিদ্যুৎ খরচ ছাড়াই পরিবেশবান্ধব উপায়ে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত হবে।
    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামবাসী, প্রবাসী ও যুবসমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ প্রকল্প গ্রামের উন্নয়নে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

  • মানুষ ব্যক্তি বা দল নয়, নীতিগত পরিবর্তন চায় -শাহজালাল

    মানুষ ব্যক্তি বা দল নয়, নীতিগত পরিবর্তন চায় -শাহজালাল

    নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুহাম্মাদ শাহজালাল মিয়া।

    রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পিরোজপুর পূর্বপাড়া ও পিরোজপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায় গণসংযোগ শেষে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মানুষ ব্যক্তি বা দল পরিবর্তন নয়, নীতিগত পরিবর্তন চায়। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে মানুষ যে পরিবর্তনের প্রত্যাশায় জীবন দিয়েছেন, সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    শাহজালাল মিয়া বলেন, “শুধু ব্যক্তি বা দল পরিবর্তন হলে গণমানুষের প্রকৃত প্রত্যাশা পূরণ হবে না। জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন নীতির পরিবর্তন এবং জনকল্যাণভিত্তিক নেতৃত্ব।”

    তিনি দাবি করেন, অতীতে দলীয় বিবেচনায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলেও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তাই দেশ ও মানুষের কল্যাণে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থীকে সহযোগিতা ও সমর্থনের আহ্বান জানান তিনি।

    নির্বাচিত হলে সবার অংশগ্রহণে পিরোজপুর ইউনিয়নের মানুষের দারিদ্র্য ও পিছিয়ে পড়া অবস্থা দূরীকরণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন শাহজালাল মিয়া। পাশাপাশি একটি দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও মানুষের অধিকারভিত্তিক ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন তিনি।

    তিনি বলেন, “গণমানুষের অধিকার রক্ষা এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে সর্বাত্মকভাবে কাজ করার অঙ্গীকার রয়েছে আমার।”

    পথসভায় পিরোজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী ড. আসগর আলী, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পদপ্রার্থী দিন ইসলামসহ নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দিল বিদ্যালয়

    স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দিল বিদ্যালয়

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও লাথি মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্কুল চলাকালে বাইরে ঘোরাফেরা করায় ভুক্তভোগী ছাত্রীকেই টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    ভুক্তভোগী ছাত্রী সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরের ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কাঁচপুর ইউনিয়নের একটি এলাকার বাসিন্দা এবং বাবা পেশায় পোশাক কারখানার শ্রমিক। অভিযুক্ত সাড়ে ১১ বছর বয়সী ছেলে কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকার ভাড়াটে। তার বাবা পেশায় রিকশাচালক ও মা পোশাক কারখানার শ্রমিক।

    শীতলক্ষ্যা নদীর ওয়াকওয়ে দিয়ে স্কুলড্রেস পরা দুই ছাত্রী হেঁটে যাচ্ছে। এ সময় একটি ছেলে পেছন থেকে এক স্কুলছাত্রীকে লাথি মারে। মেয়েটি প্রতিবাদ করলে পেছন থেকে তাকে আবার লাথি মারা হয়।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি ও সপ্তম শ্রেণির দুই ছাত্রী কাঁচপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ের পাশে হাঁটতে যায়। তখন অভিযুক্ত ছেলে পেছন থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটিকে পরপর দুইবার লাথি মারে। ছেলেটির সঙ্গে থাকা কেউ একজন সেটি মুঠোফোনে ভিডিও করে রাখে। বৃহস্পতিবার তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এদিকে অভিযুক্ত ছেলেটিকে সালিসে কান ধরে ওঠবস করানোর আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ছেলেটিকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি মেয়েকে আমি লাথি মেরেছি, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সে জন্য আমি মাফ চাচ্ছি। এই ভুল আমার দ্বারা আর হবে না। আমি কাঁচপুর ছেড়ে চলে যাচ্ছি।’

    স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ভিডিও ভাইরাল, ভুক্তভোগীকেই টিসি দিল বিদ্যালয়

    শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে স্কুলড্রেস পরা এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি মারছে একটি ছেলে
    শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়েতে স্কুলড্রেস পরা এক ছাত্রীকে পেছন থেকে লাথি মারছে একটি ছেলেছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্ত ও লাথি মারার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় স্কুল চলাকালে বাইরে ঘোরাফেরা করায় ভুক্তভোগী ছাত্রীকেই টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    ভুক্তভোগী ছাত্রী সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরের ওমর আলী উচ্চবিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কাঁচপুর ইউনিয়নের একটি এলাকার বাসিন্দা এবং বাবা পেশায় পোশাক কারখানার শ্রমিক। অভিযুক্ত সাড়ে ১১ বছর বয়সী ছেলে কাঁচপুর রায়েরটেক এলাকার ভাড়াটে। তার বাবা পেশায় রিকশাচালক ও মা পোশাক কারখানার শ্রমিক।

    সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ভাইরাল ভিডিও তাঁদের নজরে এসেছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

    ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, শীতলক্ষ্যা নদীর ওয়াকওয়ে দিয়ে স্কুলড্রেস পরা দুই ছাত্রী হেঁটে যাচ্ছে। এ সময় একটি ছেলে পেছন থেকে এক স্কুলছাত্রীকে লাথি মারে। মেয়েটি প্রতিবাদ করলে পেছন থেকে তাকে আবার লাথি মারা হয়।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি ও সপ্তম শ্রেণির দুই ছাত্রী কাঁচপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ের পাশে হাঁটতে যায়। তখন অভিযুক্ত ছেলে পেছন থেকে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েটিকে পরপর দুইবার লাথি মারে। ছেলেটির সঙ্গে থাকা কেউ একজন সেটি মুঠোফোনে ভিডিও করে রাখে। বৃহস্পতিবার তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

    এদিকে অভিযুক্ত ছেলেটিকে সালিসে কান ধরে ওঠবস করানোর আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ছেলেটিকে বলতে শোনা যায়, ‘একটি মেয়েকে আমি লাথি মেরেছি, সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সে জন্য আমি মাফ চাচ্ছি। এই ভুল আমার দ্বারা আর হবে না। আমি কাঁচপুর ছেড়ে চলে যাচ্ছি।’

    ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার মেয়েকে লাথি মারার ভিডিওটি এক মাস আগের। স্কুলের সময় বাইরে ঘোরাফেরা করায় স্কুলের স্যাররা বিচার করে আমার মেয়েকে টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে।’ অভিযুক্ত ছেলেটির কোনো বিচার হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। কাজকর্ম করে খাই। এখন এই স্কুলে পড়াতে পারব না। মেয়েকে অন্য স্কুলে ভর্তি করতে হবে।’

    জানতে চাইলে ওই  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, স্কুল কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ওই দুই ছাত্রীকে টিসি দিয়েছে। যেহেতু ঘটনাটি স্কুলের বাইরে, তাই স্থানীয় লোকজন ছেলে ও ছাত্রীদের বিচার করেছে।

     

  • সোনারগাঁয়ে প্রবাসফেরত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে মারধর ও ঘরছাড়া করার অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে প্রবাসফেরত ছেলের বিরুদ্ধে মাকে মারধর ও ঘরছাড়া করার অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের শুকুরদী (বড়বাড়ী) এলাকায় প্রবাসফেরত এক ছেলের বিরুদ্ধে নিজ মাকে মারধর, ঘরছাড়া এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ফাতেমা আক্তার (৪৫) বাদী হয়ে ছেলে ফাহিম মোস্তাকিম আলভীসহ চারজনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগে বলা হয়, ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে জমি বিক্রি ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছিলেন মা। পরে ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনতেও বিপুল অর্থ ব্যয় করেন। গত ২৪ জুলাই রাতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা ফাতেমা আক্তার ও তার চাচাতো ভাইকে মারধর করে। এ সময় ঘরে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে।
    ভুক্তভোগী চিকিৎসা শেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগের পরও আসামিরা থানার তলবে সাড়া দেয়নি বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নির্যাতিত মা অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সোনারগাঁয়ে রেস্তোরাঁর বিদ্যুতের তার কেটে চুরির অভিযোগ, ভবন মালিকের বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁয়ে রেস্তোরাঁর বিদ্যুতের তার কেটে চুরির অভিযোগ, ভবন মালিকের বিরুদ্ধে

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকার আল-মদিনা শপিং কমপ্লেক্সে একটি রেস্তোরাঁর বিদ্যুতের তার কেটে নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রেস্তোরাঁর ম্যানেজার মো. ইমন মিয়া সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আল-মদিনা শপিং কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার রেস্তোরাঁটি ২০২০ সাল থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত মেয়াদি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের চুক্তির মাধ্যমে ভাড়া নিয়ে পরিচালনা করে আসছেন ব্যবসায়ী মো. মাহাবুব মামুন শিকদার। অভিযোগ অনুযায়ী, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই অধিক ভাড়ার আশায় ভবন মালিক মাজহারুল ইসলাম নবী রেস্তোরাঁটি অন্যের কাছে ভাড়া দেওয়ার চেষ্টা করেন।
    রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রতিষ্ঠান ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে, ভবন মালিকের নেতৃত্বে কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে পানির ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
    লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ৪ আগস্ট রাতে প্রতিদিনের মতো রেস্তোরাঁ বন্ধ করে সবাই চলে যাওয়ার পর ৫ আগস্ট সকালে এসে দেখা যায়, রেস্তোরাঁর বিদ্যুতের মূল সংযোগের তার কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
    অভিযোগকারী মো. ইমন মিয়া জানান, তিনি রেস্তোরাঁটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিষ্ঠানের মালিকের নির্দেশে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে অভিযোগে অভিযুক্ত ভবন মালিক মাজহারুল ইসলাম নবীর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
    সোনারগাঁ থানার পুলিশ জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    উল্লেখ্য, অভিযোগে উত্থাপিত সব তথ্য অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।

  • সোনারগাঁয়ের বারদীর চকবাজারে বেহাল সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

    সোনারগাঁয়ের বারদীর চকবাজারে বেহাল সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

    নিজস্ব প্রতিবেদক :: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের চকবাজার এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। খানাখন্দে ভরা সড়ক এবং সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকা কাদাপানির কারণে প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, কৃষক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক ব্যবহার করছেন। অনেক সময় যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ায় ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়।

    এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। তারা সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
    স্থানীয়দের মতে, জনস্বার্থে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে দ্রুত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করা অত্যন্ত জরুরি।

  • সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ
    সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।
    আটক ব্যক্তি হলেন সাইফুল ইসলাম। তিনি উপজেলার নোয়াগাঁ ইউনিয়নের চৈরাপাড়া গ্রামের শহিদুল্লাহ সরকারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি সোনারগাঁ থানা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং নোয়াগাঁ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। এছাড়া তার বাবা শহিদুল্লাহ সরকার নোয়াগাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি বলে জানা গেছে।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (তারিখ) তাকে আটক করা হয়। তবে কোন মামলায় বা কী অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।

  • ওয়ালিউর রহমান আপেল পশ্চিম অঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লি: এর চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    ওয়ালিউর রহমান আপেল পশ্চিম অঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লি: এর চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    পরিমল বিশ্বাস : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জামপুর ইউনিয়নে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক এস এম ওয়ালিউর রহমান (আপেল)-কে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের অধীন পশ্চিম অঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    ‎শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

    এ সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির ১ নং সহ-সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক, জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন বাবু, বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
    ‎এ সময় বক্তারা বলেন, এস এম ওয়ালিউর রহমান (আপেল)-এর এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপ্রাপ্তি সোনারগাঁবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তারা তাঁর কর্মজীবনের সাফল্যের প্রশংসা করেন এবং নতুন দায়িত্ব সফলভাবে পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
    ‎পরে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • সোনারগাঁয়ে ৬০ পরিবার পানিবন্দি, রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    সোনারগাঁয়ে ৬০ পরিবার পানিবন্দি, রাস্তা খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের উটমা এলাকায় প্রায় ৬০টি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে। চলাচলের একমাত্র রাস্তা পুনরায় খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
    শনিবার (১ আগস্ট) সকালে উটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে আয়োজিত মানববন্ধনে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন। এ সময় তারা দ্রুত সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে উটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারপাশে ইটের বাউন্ডারি নির্মাণের সময় তাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে প্রায় ৬০টি পরিবার কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং বর্ষা মৌসুমে পানিবন্দি অবস্থায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
    তাদের দাবি, আগে এই পথ দিয়েই এলাকার মানুষ নিয়মিত যাতায়াত করতেন। কিন্তু বাউন্ডারি নির্মাণের ফলে সামনে কিংবা পেছন দিয়ে বের হওয়ার মতো কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। এমনকি কোনো ব্যক্তি মারা গেলেও খাট বহন করে নেওয়ার মতো পথও নেই। নিচু এলাকায় পানি জমে থাকায় প্রতিদিন পানির মধ্য দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। এতে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।
    ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বাউন্ডারি নির্মাণের সময় তারা আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। তাই এলাকাবাসীর দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে আগের চলাচলের রাস্তা পুনরায় খুলে দেওয়ার জোর দাবি জানান তারা।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাস্তা পুনরায় চালু হলে এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবেন এবং শিক্ষার্থীরাও নির্বিঘ্নে বিদ্যালয়ে যেতে পারবে। এ বিষয়ে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
    মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সেলিম, হোসেন, সাইদুর, কালাম, আওলাদসহ এলাকার অসংখ্য নারী-পুরুষ।

  • সোনারগাঁয়ে চাঁদার দাবিতে ড্রেজারে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, ৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের শান্তি বাজার এলাকায় চাঁদার দাবিতে একটি ড্রেজারে হামলা, ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৮ থেকে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ড্রেজার মালিক মো. হানিফ সরকার (৬৯)।

    অভিযোগে হানিফ সরকার জানান, বারদী ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি এলাকার বাসিন্দা বিল্লাল হোসেন, আশিক মিয়া, জুয়েল, সোহাগ, মুছা মিয়া ও আলমগীরসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা তাকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেয়।
    লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৮ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শান্তি বাজার এলাকায় তার ড্রেজারে দেশীয় অস্ত্র ও পিস্তলসহ সশস্ত্র একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা ড্রেজারের প্লাস্টিক পাইপ, মেশিনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ ভাঙচুর করে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে।
    হামলার সময় ড্রেজারের দায়িত্বে থাকা মিস্ত্রি সালাউদ্দিন ও কর্মচারী সুজন বাধা দিতে গেলে তাদের মারধর করা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে এবং পিস্তল দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এছাড়া ড্রেজার থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকার যন্ত্রাংশ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভবিষ্যতে ড্রেজার পরিচালনা করতে হলে চাঁদা দিতে হবে, অন্যথায় ড্রেজারে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানান, অভিযোগ পেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
    তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • মোগরাপাড়ায় অবৈধ ব্যাটারি কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

    মোগরাপাড়ায় অবৈধ ব্যাটারি কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকির অভিযোগ, তদন্তের দাবি

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের কাইকারটেক এলাকায় একটি ব্যাটারি কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কারখানার দূষণের কারণে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অনেকেই শ্বাসকষ্ট, কাশি, চোখ জ্বালাপোড়া, ত্বকের সমস্যা এবং বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম চলাকালে এবং বিশেষ করে আগুন জ্বালানোর সময় ঘন কালো ও বিষাক্ত ধোঁয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আশপাশের পরিবেশ দূষিত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের।
    এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, প্রয়োজনীয় পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই আবাসিক এলাকার মধ্যে কারখানাটি গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে কারখানাটি পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
    তাদের দাবি, কারখানার তীব্র তাপ ও ধোঁয়ার কারণে আশপাশের ফলজ ও বনজ গাছপালা শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষিজমিতে শাকসবজি ও অন্যান্য ফসল উৎপাদনও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় কৃষকদের।
    এলাকাবাসী বলেন, তারা শিল্পায়ন বা কর্মসংস্থানের বিরোধী নন। তবে উন্নয়নের নামে যদি মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নিরাপদ জীবনযাপনের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে সেই সমস্যার সমাধান করা জরুরি। মসজিদে অনুদান বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ প্রশংসনীয় হলেও তা কখনোই মানুষের স্বাস্থ্য ও নিরাপদ পরিবেশের বিকল্প হতে পারে না। তারা দূষণ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, পরিবেশগত প্রভাব নিরপেক্ষভাবে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. দিগন্ত বলেন, “দূষিত ধোঁয়া বা বিষাক্ত বায়ুর দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে থাকলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, চোখ ও ত্বকের সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে পরিবেশগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত মূল্যায়নও প্রয়োজন।”

    এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি কারখানার কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • রাজু হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা মোতালেব মেম্বার ও যুবদল নেতা শাহাদাত প্রধানকে ‘মিথ্যা আসামি’ করার অভিযোগ পরিবারের

    রাজু হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা মোতালেব মেম্বার ও যুবদল নেতা শাহাদাত প্রধানকে ‘মিথ্যা আসামি’ করার অভিযোগ পরিবারের

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর-কিশোরগঞ্জ এলাকায় রাজু হত্যা মামলায় ইউনিয়ন বিএনপির প্রবীণ নেতা মোতালেব মেম্বার ও তার ছেলে, যুবদল নেতা শাহাদাত প্রধানকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তাদের পরিবারের সদস্যরা।
    শাহাদাত প্রধানের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তার শ্বশুর ও স্বামী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। তিনি দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এলাকার কিছু নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাদের রাজু হত্যা মামলায় জড়িয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
    তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় তার শ্বশুর ও স্বামী বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তার দাবি। এছাড়া, তার শ্বশুর প্রায় এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ থাকায় তার স্বামীও বাড়িতেই ছিলেন বলে তিনি জানান।
    শাহাদাত প্রধানের বোন বলেন, তার বাবা মোতালেব মেম্বার দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের বিভিন্ন বিপদ-আপদে পাশে থেকেছেন এবং বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে দুঃসময়েও দল ছেড়ে যাননি। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তার বাবা একাধিক মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার বাবা ও ভাইকে এই হত্যা মামলায় জড়িয়ে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং তার বাবা ও ভাই পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির রাজনীতিবিদ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    পরিবারের সদস্যদের দাবি, গত ২৭ জুলাই রাত প্রায় ১১টার দিকে রাজুকে মারধরের ঘটনার পর তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, এমন ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে।
    তারা আরও অভিযোগ করেন, এই মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের পরিবারসহ এলাকার কয়েকটি নিরীহ পরিবারের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে তারা দাবি করেন।
    তবে এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার বাদী, তদন্তকারী সংস্থা কিংবা পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

  • ১৬-১৭ বছরের পুরোনো সড়ক এখন চলাচলের অনুপযোগী

    ১৬-১৭ বছরের পুরোনো সড়ক এখন চলাচলের অনুপযোগী

    নিজস্ব প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বৈদ্যের বাজারগামী পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রায় ১৬ থেকে ১৭ বছর আগে ঢালাইয়ের মাধ্যমে নির্মিত সড়কটি বর্তমানে ভেঙে-চুরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ফলে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একসময় পানাম-গাবতলী, হাড়িয়া গোবিন্দপাড়া, হাড়িয়া চক্রবর্তীপাড়া, হাড়িয়া চৌধুরীপাড়া, হামছাদি উলুকান্দি, সোনামই, নগর জোয়ার ও বারুইপাড়াসহ আশপাশের হাজারো মানুষের চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল এই সড়কটি। কিন্তু দীর্ঘ ৮ থেকে ৯ বছর ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও ঢালাই উঠে গিয়ে ইট ও খোয়া বের হয়ে এসেছে। এতে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হাঁটাচলাও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

    বৈদ্যের বাজার ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ও হাড়িয়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, বছরের পর বছর ধরে তারা দুর্ভোগ পোহালেও সড়কটি সংস্কারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ এখনো চোখে পড়েনি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কের গর্তে পানি জমে থাকায় চলাচল আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। দ্রুত সড়কটি সংস্কার না করা হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

    চলাচলের অনুপযোগী সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য বৈদ্যের বাজার এন.এ.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় জনগণ সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন ও বৈদ্যের বাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।