Category: রাজনীতি

  • খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে.. এমপি মান্নান

    খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে.. এমপি মান্নান

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন, আপসহীন নেত্রী এবং সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর রাজনৈতিক অবদান ও আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি যে হিমালয়সম দৃঢ়তার নজির স্থাপন করেছেন, তা অতুলনীয়। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস ও অসুস্থতার মধ্যেও তিনি কখনো জনগণের অধিকার নিয়ে আপস করেননি। দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁর এই ত্যাগের ঋণ এ দেশের মানুষ কখনো শোধ করতে পারবে না।

    ​শনিবার (১৫ আগস্ট) দিনব্যাপী উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বেগম জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ​অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যের রাজনৈতিক সচিব ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব তাঁর বক্তব্যে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর ত্যাগের আদর্শ আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রধান অনুপ্রেরণা। আওয়ামী স্বৈরাচারী সরকার দেশকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল এবং জনগণের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালিয়েছিল। দেশের এই সংকটময় মুহূর্তে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীকে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট শক্তির অপতৎপরতা রুখে দাঁড়াতে হবে।

    ​এ সময় অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সহ-সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি হাজী শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মিয়া, সাদিকুর রহমান সেন্টু, যুগ্ম আহবায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, কাউসার আহমেদ, হযরত আলী রানা,সোহেল সহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    ​সভাস্থলগুলোতে আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত নেতাকর্মী ও মুসল্লিদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

  • হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য ঘিরে সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্য ঘিরে সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁ থানা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বক্তব্যটি নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন।
    জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে সারাদেশব্যাপী পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় পদযাত্রার আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক পার্টি। জাতীয় যুবশক্তির যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
    এসময় বক্তব্যে হাসনাত আবদুল্লাহ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ করে বলেন, “এখানে বাপ হচ্ছে এমপি আর তার ছেলে করে চাঁদাবাজি। থানায় গিয়ে দিতে হয় মুচলেকা। আমরা সারা দেশে দেখি গ্যাসের হাহাকার, আর সোনারগাঁয়ে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান অবৈধ গ্যাস সংযোগ নিয়ে কোটি কোটি টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে। চুনা কারখানাগুলো কোটি টাকার অবৈধ গ্যাস পোড়াচ্ছে। সোনারগাঁয়ের নদী ও খালগুলো রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে দখল হয়ে গেছে।”
    তার এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সোনারগাঁ থানা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা প্রতিক্রিয়া জানান। অনেকে বক্তব্যটি প্রত্যাখ্যান করে এর তীব্র সমালোচনা করেন। কেউ কেউ হাসনাত আবদুল্লাহকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। আবার কয়েকজন নেতাকর্মী বিষয়টি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করেন।

    এদিকে, রাজনৈতিক অঙ্গনে হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সোনারগাঁর রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

  • নানা অনিয়মের অভিযোগে যুবদল নেতা খায়রুল ইসলাম সজীব বহিষ্কার

    নানা অনিয়মের অভিযোগে যুবদল নেতা খায়রুল ইসলাম সজীব বহিষ্কার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজীব-কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল সাংগঠনিক পদ বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
    বৃহস্পতিবার (২২ মে ২০২৫) কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দলের শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
    বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি (দপ্তরের দায়িত্বে) নুরুল ইসলাম সোহেল।

  • আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সাবেক এমপি খোকা’র শুভেচ্ছা

    আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সাবেক এমপি খোকা’র শুভেচ্ছা

    নিউজ সোনারগাঁ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করায় বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা।

    শুক্রবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় মান্নানকে অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় সোনারগাঁ,- সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে মান্নান এলাকার উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।
    খোকা আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সব দলের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করা উচিত।
    উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টি-র এই সাবেক সংসদ সদস্য এর আগেও নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে থাকেন।

  • জিতলেন মান্নান লড়াই করলেন ইকবাল

    জিতলেন মান্নান লড়াই করলেন ইকবাল

    নিউজ সোনারগাঁ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে শেষ পর্যন্ত জমে ওঠে দুই প্রার্থীর সরাসরি লড়াই। সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দাঁড়িপাল্লার সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ছিনিয়ে নেয় ধানের শীষ।
    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ১০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন পান ১ লাখ ৩২ হাজার ২৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার।
    নির্বাচনের শুরুতে এই আসনে চারজনকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মান্নান ও ইকবালের মধ্যেই। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে মাঠে ছিলেন সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এবং ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। তবে ভোটের শেষ দিকে তারা কার্যত প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েন।
    জানা গেছে, এ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী অংশ নিলেও ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার-প্রচারণাই বেশি আলোচনায় ছিল। ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে ছিল টানটান উত্তেজনা, আর ফল ঘোষণার পর স্পষ্ট হয় দুই প্রার্থীর মধ্যকার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র।
    শেষ পর্যন্ত সকল হিসাব পাল্টে দিয়ে ধানের শীষের বিজয়ে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে সমর্থকদের মধ্যে, আর দাঁড়িপাল্লা শিবিরে নেমে আসে হতাশা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ফলাফল আগামী দিনের রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে।

  • সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গুজব ও অপ্রচারের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গুজব ও অপ্রচারের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রচারকে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা।

    তাদের বক্তব্য, আওয়ামী লীগ দলগতভাবে এই নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে দল বা দলের পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এরপরও একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
    জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ফেসবুকে একটি পক্ষ দাবি করছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরাসরি এক প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারণ স্থানীয়দের মতে, এই আসনে জয়-পরাজয়ের বড় একটি অংশ নির্ভর করে আওয়ামী লীগের ভোটারদের ওপর। তারা যেদিকে যাবে, ফলাফল অনেকটাই সেদিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এ কারণে বিভিন্ন প্রার্থী আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে নানা কৌশল নিচ্ছে।
    এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ফোনে বলেন, “দল যখন সমষ্টিগতভাবে নির্বাচন বর্জন করেছে, তখন কাউকে সমর্থন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোটদান থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। যে সমর্থনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
    তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের পক্ষে সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।
    নেতারা আরও বলেন, গত ৫ তারিখের পর আওয়ামী লীগের অনেক জনপ্রতিনিধি ও নেতা ব্যক্তিগত স্বার্থে বিএনপি ও অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। কেউ কেউ নিজ নিজ সুবিধামতো বিভিন্ন প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করছেন। উদাহরণ হিসেবে তারা বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে অনেক জনপ্রতিনিধি আগেই বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আবার চিটাগাং রোডের কিছু ব্যবসায়ী অন্য প্রার্থীর সঙ্গে সমন্বয় করেছেন, কেউ জামায়াতের সঙ্গেও গেছেন। এসবই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের নয়।
    পরিশেষে তারা বলেন, “আওয়ামী লীগ যেহেতু দলগতভাবে এবারের নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছে, তাই আমরা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বলবো— নো নৌকা, নো ভোট।”

  • ধান, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে হচ্ছেন এমপি?

    ধান, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে হচ্ছেন এমপি?

    নিউজ সোনারগাঁ : একদিন পর আগামী বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।  এই নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা হবে তিন মুখী লড়াই। এই লড়াইয়ে কে জিতবে এই নিয়ে শেষ মুর্হুতে চলছে রাজনীতিবিদ ও ভোটারদের হিসেব নিকেশ। ভোটাদের মধ্যে চলছে প্রার্থীর স্বভাব চরিত্র শিক্ষাদীক্ষা ও জনবান্ধব ও উন্নয়ণমুখি নানা বিশ্লেষন।

    এবার এই আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে তিন প্রতীকে—ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবল। মাঠের আলোচনা বলছে, হেভিওয়েট তিন প্রার্থীই ফলাফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবেন।

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নান দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সোনারগাঁ এলাকায় তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক ও সংগঠিত কর্মীবাহিনী রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের একাংশের মতে, জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনি এগিয়ে আছেন।

    অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ড. প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তরুণ ও নারী ভোটারদের সমর্থন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রভাব তার পক্ষে যাবে বলে মনে করছেন তিনি। অতীতে উপজেলা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভোট পাওয়ার অভিজ্ঞতাও তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

     

    ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, ব্যক্তি ইমেজের কারণে তিনি বড় ভোট টানতে পারবেন। সিদ্ধিরগঞ্জে প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার ভোটার থাকায় এই অংশ থেকেই ৮০-৯০ হাজার ভোট পেলে তার জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ গত সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সোনারগাঁয়ে সব দলের ভোটাররা ভোট দেয়ার পরও ১ লাখ ২০ হাজার ভোটা ভোট প্রদান করেছিল।

     

    এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিমসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টিসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থী মাঠে থাকলেও বাস্তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘুরপাক খাচ্ছে এই তিনজনকে কেন্দ্র করে।

     

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৭০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। সোনারগাঁ উপজেলায় ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯৬১ জন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১২ জন।

    রাজনৈতিকভাবে এই আসনটি বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। একসময় বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও ২০০৮ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ যুক্ত হওয়ার পর ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভোট ব্যাংক তৈরি হওয়ায় প্রতিবারই নতুন হিসেব সামনে আসে। এবারও তাদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিই ফল নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।

    ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, সততা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। গত সময়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে এবার অনেকেই সতর্কভাবে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা কাটছে না। ধান, দাঁড়িপাল্লা নাকি ফুটবল—নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হচ্ছেন কে, তার উত্তর মিলবে ভোটের ফলাফলে। তবে নিশ্চিত করে বলা যায়, এবারের লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি এবং শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনায় ভরপুর।

  • সোনারগাঁয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় হামলা ও বাধার অভিযোগ শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় হামলা ও বাধার অভিযোগ শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে

    নিউজ সোনারগাঁ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ফুটবল মার্কার প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা প্রদান ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।

    অভিযোগে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে সোনারগাঁ থানাধীন পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের ভট্টপুর গ্রামে ফুটবল মার্কার পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় যান অন্তরা কর্মকার, ফাতেমা খানম ত্রিশা, স্বর্ণা আক্তার, ইমরান খান, মোঃ ইব্রাহিম, হিমেল ও গাড়িচালক নূর হোসেন।

    এসময় সোনারগাঁ থানার শ্রমিক দলের কর্মী মোশারফ হোসেন তাদের ওপর চড়াও হন বলে অভিযোগ করা হয়। তিনি ধাক্কাধাক্কি, হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে প্রচারণায় বাধা দেন। একপর্যায়ে মোঃ ইব্রাহিমের কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে পানিতে ফেলে দেন বলেও দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। এছাড়া তাদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করে জোরপূর্বক ঘটনাস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

    এ বিষয়ে প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনকে অবহিত করা হলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
    ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ তাদের মোবাইলে সংরক্ষিত রয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে প্রদান করা হবে।

    এ ঘটনায় তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • জামায়েত ইসলাম মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে

    জামায়েত ইসলাম মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে

    নিউজ সোনারগা: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ও রিক্সা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান শিবলি অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলামী পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালিয়ে তাকে নির্বাচনী মাঠে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। শিবলি বলেন, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ইকবাল হোসেন জোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করে পৃথকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, জামায়াত ইসলাম তাকে সমর্থন দিয়েছে বলে প্রচার করা হলেও জোটের পক্ষ থেকে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
    তিনি আরও বলেন, জোট থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়ার পর ইকবাল হোসেন পূর্বে এক সংবাদ সম্মেলনে তাকে সমর্থন জানিয়ে বিপুল ভোটে জয়ী করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলা হলে তিনি সময়ক্ষেপণ করেন। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা করলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা তা গ্রহণ করেননি।

    শিবলির অভিযোগ, এই সুযোগে ইকবাল হোসেন নিজেকে প্রার্থী ঘোষণা করে অন্যায়ভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন এবং বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন।

    তিনি জোটের সিদ্ধান্ত মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি ১১ দলীয় জোটের বৈধ ও একমাত্র মনোনীত প্রার্থী। বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণায় কান না দিয়ে ভোটারদের সত্য জানার অনুরোধ করছি।”
    সংবাদ সম্মেলনে তিনি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

  • জামায়েত ও খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মাঠে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ফের জমেছে নির্বাচন

    জামায়েত ও খেলাফত মজলিসের দুই প্রার্থী মাঠে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ফের জমেছে নির্বাচন

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে অবশেষে ১০ দলীয় জোট থেকে দুইজন প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে জোটের শরিক দলগুলো। এর ফলে কয়েকদিনের বিরতির পর ফের গণসংযোগে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনোনীত প্রার্থী ড. প্রিন্সিপ্যাল মো. ইকবাল হোসেন।

    স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় তিনি নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং তার নির্বাচনী বার্তা তুলে ধরেন। গণসংযোগকালে তিনি সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান।

    অন্যদিকে ১০ দলীয় জোটের শরিক দল খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহজাহান শিবলীও নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি নিজ নিজ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন এবং সমর্থন আদায়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

    দুই প্রার্থী মাঠে নামায় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে। ভোটারদের মধ্যেও আলোচনা ও আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণমিছিল ও জনসংযোগ

    সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গণমিছিল ও জনসংযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ:: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে দাড়িপাল্লার পক্ষে গণমিছিল ও জনসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে।

    সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ।

    মিছিলটি মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে বিভিন্ন এলাকা
    প্রদক্ষিন করে দাঁড়িপাল্লায় ভোট প্রার্থনা করা হয়।

    এসময় বক্তারা বলেন, জাতীয় নেতাদের টেবিলে নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের প্রার্থী ছিনতাই হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ৩ তথা সোনারগাঁও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষের মতামত ও চাওয়া পাওয়াকে উপেক্ষা করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডঃ ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে গভীর চক্রান্ত হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বক্তারা বলেন, প্রার্থী নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র চক্রান্ত হলেও ব্যালট পেপারে আমাদের পছন্দের প্রতিক দাঁড়িপাল্লা রয়েছে। সুতরাং মানুষ ১২ তারিখ সারাদিন ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিবে।

    বক্তারা আরো বলেন, দাঁড়িপাল্লা আজকে শুধুমাত্র একটি দলের প্রতিক নয়, এটি এখন জনতার প্রতীক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটবে। বিপুল ভোটে দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করবে।

  • আজ তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপিতে নতুন উদ্দীপনা

    আজ তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপিতে নতুন উদ্দীপনা

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর এলাকায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। উৎসবমুখর পরিবেশে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে মঞ্চ নির্মাণসহ সার্বিক আয়োজন।
    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় ফেরার পথে তারেক রহমান সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বালুর মাঠে আয়োজিত এক পথসভায় যোগ দেবেন। এই পথসভায় নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।
    পথসভাটি আয়োজন করছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব। সভাকে ঘিরে জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
    দলীয় নেতারা জানান, এই প্রথমবারের মতো বিএনপির শীর্ষ নেতা তারেক রহমান সোনারগাঁয়ের মাটিতে আসছেন। ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বাড়তি আবেগ ও উদ্দীপনা দেখা গেছে। পথসভাকে জনসভায় রূপ দিতে কাঁচপুর বালুর মাঠে মঞ্চ নির্মাণসহ প্রস্তুতির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে।
    শনিবার দুপুরে সভাস্থলে মঞ্চ প্রস্তুতির কাজ পরিদর্শন করেন আজহারুল ইসলাম মান্নান। এ সময় জেলা, উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    পরিদর্শনকালে আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন,
    “তারেক রহমানের আগমন সোনারগাঁসহ পুরো নারায়ণগঞ্জের বিএনপি নেতাকর্মীদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা। এই পথসভা আমাদের আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিকে আরও শক্তিশালী করবে। নেতাকর্মীরা তাঁর কাছ থেকে সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা পাবেন বলে আমরা আশাবাদী।”
    তিনি আরও বলেন,
    “এই সভা প্রমাণ করবে বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত। জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সোনারগাঁয়ের মানুষ রাজপথে সক্রিয় থাকবে।”
    পথসভাকে সফল করতে নেতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, এই আয়োজন সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করবে।
    চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত ভার্সন, ব্রেকিং নিউজ স্টাইল, বা ফেসবুক পোস্ট উপযোগী ফরম্যাটেও করে দিতে পারি।

  • সড়ে দাড়ালেন জামায়েত প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভুঁইয়া

    সড়ে দাড়ালেন জামায়েত প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভুঁইয়া

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ইসলামী খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন মাওলানা শাহজাহান শিবলী। তিনি রিকশা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
    জোটের এই সিদ্ধান্তের ফলে একই আসনে জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভুইয়া তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ১০ দলীয় জোটের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
    ১০ দলীয় জোটের নেতারা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত ও সমঝোতার অংশ হিসেবেই ইসলামী খেলাফত মজলিসের প্রার্থীকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে চূড়ান্ত করা হয়েছে। জোটের ঐক্য অটুট রাখতেই জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন বলে তারা জানান।

  • দুই দল থেকে মনোনয়ন পেয়েও মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা

    দুই দল থেকে মনোনয়ন পেয়েও মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা

    নিউজ ডেস্কঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুইটি রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পেলেও মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা।
    নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে মনোনয়ন জমা দেননি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। দুই দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ার পরও কেন তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিলেন না, তা নিয়ে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
    তবে এ বিষয়ে লিয়াকত হোসেন খোকার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দলীয় কৌশল, রাজনৈতিক সমীকরণ কিংবা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের কারণেই তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত থাকতে পারেন।
    মনোনয়নপত্র দাখিল না করায় নির্বাচনী মাঠে ওই আসনের রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশে নতুন করে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন

  • স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম

    স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে আজ তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে তার মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। বিষয়টি তার ঘনিষ্ঠ নেতাকর্মীরা নিশ্চিত করেছেন।
    জানা গেছে, বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি তিনবারের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম। মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন।
    মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর তিনি সোনারগাঁয়ের আরও ছয়জন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতার সঙ্গে একত্র হয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে চিঠি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।
    পরবর্তীতে দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং সে লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তার সঙ্গে আরও তিনজন বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন কিনা—এ নিয়ে সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মনোবাসনা রক্ষায় অধ্যাপক রেজাউল করিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

  • মনোনয়নপত্র জমা দিলেন জামায়েত নেতা ড. ইকবাল হোসেন

    মনোনয়নপত্র জমা দিলেন জামায়েত নেতা ড. ইকবাল হোসেন

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়েত ইসলামের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলটির নেতা ড. মাওলানা প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে আজ তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসিফ আল জিনাত এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।
    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ড. ইকবাল হোসেনের সঙ্গে জামায়েত ইসলামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় মনোনয়নকে কেন্দ্র করে উপজেলা কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।
    মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ড. ইকবাল হোসেন বলেন, “আমি জনগণের অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এবং জনগণের সমর্থন নিয়ে ইনশাআল্লাহ এই আসনে বিজয়ী হতে চাই। নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন ও নৈতিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করবো।”
    তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারবে—এই প্রত্যাশা সবার।