Category: সম্ভপুরা

  • শম্ভুপুরায় চাঁদাবাজি ও জখমের মামলার বাদিকে পিটিয়ে জখম

    শম্ভুপুরায় চাঁদাবাজি ও জখমের মামলার বাদিকে পিটিয়ে জখম

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নে চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এক তেল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা দাবি করে ব্যর্থ হয়ে মারধর ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনার সাক্ষী হওয়ায় মামলার বাদীকে একা পেয়ে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ব্যবসা শেষে নাছির উদ্দিন বাড়ি ফেরার পথে চর কিশোরগঞ্জ মার্কেট সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় তাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। একপর্যায়ে তার সঙ্গে থাকা নগদ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
    এ ঘটনার পরদিন ১৩ এপ্রিল একই স্থানে নাছির উদ্দিনের চাচাতো ভাই আরিফ হোসেন (২৬)-এর উপরও হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি ওই ঘটনার সাক্ষী ছিলেন বলে জানা গেছে। হামলাকারী শাহ সুলতান গাজী, আসাদুল্লাহ, শাহাদাত প্রধান আল মামুন, আবদুল্লাহ ও মোতালেব মেম্বার তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এছাড়া তার কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    সর্বশেষ মঙ্গলবার সকালে মামলার বাদীকে একা পেয়ে অভিযুক্তরা পুনরায় মারধর করে আহত করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছে এবং মামলা দায়েরের পরও তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পুলিশ জানায়, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছিনতাই—থানায় মামলা

    সোনারগাঁয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছিনতাই—থানায় মামলা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নাছিনউদ্দিন নামে এক তেল ব্যবসায়ীকে মারধর ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নগদ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা মো. শাহ সুলতান গাজী (২৮) ও আসাদুল্লাহ (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তারা এলাকায় মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।
    ভুক্তভোগী নাছিনউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে চর কিশোরগঞ্জ ও চর হোগলা ঘাট এলাকায় ডিজেল/তেলের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। অভিযুক্তরা বেশ কিছুদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়।
    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১২ এপ্রিল সন্ধ্যার দিকে ব্যবসা শেষে নগদ টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে চর কিশোরগঞ্জ মার্কেট সংলগ্ন ব্রিজের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়।
    একপর্যায়ে শাহ সুলতান গাজী হকস্টিক দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে তা নাকে লাগে এবং তার নাক ফেটে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হামলাকারীরা তার সঙ্গে থাকা নগদ ৫ লাখ ২৩ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।
    ভুক্তভোগীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনি থানায় মামলা দায়ের করেন।
    এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা

  • শম্ভুপুরা ইউনিয়নে চুরির আতঙ্ক, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

    শম্ভুপুরা ইউনিয়নে চুরির আতঙ্ক, প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নে একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ও উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধারাবাহিক এসব ঘটনায় দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

    সর্বশেষ শনিবার (২৮ মার্চ) রাতের কোনো এক সময়ে ইউনিয়নের একরামপুর গ্রামের শামীম মিয়ার নির্মাণাধীন ভবন থেকে তিনটি জানালার থাই গ্লাস চুরি হয়ে যায়। সকালে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার হতবাক হয়ে পড়ে।
    স্থানীয় সূত্র জানায়, এর আগেও হোসেনপুর বাজারের একটি দোকান থেকে প্রায় চার লাখ টাকা চুরি হয়। ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ থাকলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
    বিশেষ করে একরামপুর গ্রামে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বিভিন্ন বাসাবাড়ির জানালার থাই গ্লাস, আসবাবপত্র, মোটর এমনকি রান্নাঘরের হাঁড়ি-পাতিলও চোরদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।
    এলাকাবাসীর দাবি, ধারাবাহিক এসব ঘটনায় পুলিশ অধিকাংশ ক্ষেত্রে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।
    এ বিষয়ে স্থানীয়রা দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ, নিয়মিত টহল জোরদার এবং চোরচক্র শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

  • হোসেনপুর বাজারে ফার্নিচার ও টেলিকম দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, প্রায় ৪ লাখ টাকা লুট

    হোসেনপুর বাজারে ফার্নিচার ও টেলিকম দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, প্রায় ৪ লাখ টাকা লুট

    নিউজ সোনারগাঁ :নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের হোসেনপুর বাজারে একটি ফার্নিচার ও টেলিকম দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকা নিয়ে গেছে চোরেরা।
    শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুপুর আনুমানিক ১টা ২৫ মিনিটের দিকে হোসেনপুর বাজারের বিসমিল্লাহ ফার্নিচার টেলিকম এন্ড ভ্যারাইটিজ স্টোর দোকানে এ ঘটনা ঘটে।
    দোকান মালিক মো. নাহিদ জানান, দুর্বৃত্তরা দোকানের পেছনের টিন কেটে ভেতরে প্রবেশ করে ক্যাশে থাকা প্রায় ৪ লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে তিনি দোকানে এসে চুরির ঘটনা দেখতে পান।
    এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
    চুরির ঘটনায় দোকান মালিক মো. নাহিদ সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    স্থানীয়রা জানান, এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় তারা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।

  • সোনারগাঁয়ের একরামপুর গ্রামে চুরির আতঙ্ক, প্রশাসনের সহায়তা কামনা এলাকাবাসীর

    সোনারগাঁয়ের একরামপুর গ্রামে চুরির আতঙ্ক, প্রশাসনের সহায়তা কামনা এলাকাবাসীর

    নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের একরামপুর গ্রামে একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সম্প্রতি কয়েকটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটায় উদ্বেগ বেড়েছে পুরো এলাকায়।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে গ্রামের অন্তত দুইটি বিল্ডিংয়ে চুরির ঘটনা ঘটে। চোরেরা বাড়ির জানালার থাই গ্লাস খুলে ভেতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায়। এমনকি রান্নাঘরের হাড়ি-পাতিলও চুরির হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
    সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে গ্রামের বাসিন্দা সুরুজ মিয়ার ছেলে মালয়েশিয়া প্রবাসী আসাদ মিয়ার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ সময় চোরেরা তিনটি জানালার থাই গ্লাস খুলে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায়।
    ঘন ঘন চুরির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় গ্রামে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকায় চোরেরা সুযোগ নিচ্ছে।
    একের পর এক চুরির ঘটনায় এলাকাবাসী প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, গ্রামে পুলিশের টহল বৃদ্ধি ও চোরদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে।

  • সোনারগাঁয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত, চালক আটক

    সোনারগাঁয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নারী নিহত, চালক আটক

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় লাভলী বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।
    শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের শম্ভুপুরা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নিহত লাভলী বেগম শম্ভুপুরা ইউনিয়নের এলাহী নগর গ্রামের সরকার বাড়ীর মৃত ইয়াকুব মিয়ার স্ত্রী।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শম্ভুপুরা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকার ডলার মিয়ার ছেলে রবিন দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসছিল। এ সময় লাভলী বেগম রাস্তা পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলটি পেছন থেকে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ছিটকে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
    দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত মোটরসাইকেল আরোহী রবিনকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাকে সোনারগাঁ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
    স্থানীয়রা জানান, রবিন প্রায়ই বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতেন। একাধিকবার নিষেধ করা হলেও তিনি কারও কথা শোনেননি। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিনের এমন আচরণের ফলেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।
    এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।
    চাইলে আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত করতে পারি, অনলাইন পোর্টাল বা প্রিন্ট পত্রিকার স্টাইল অনুযায়ী আলাদা ভার্সনও বানিয়ে দিতে পারি।

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, বন্ধুদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী থেকে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, বন্ধুদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলাধীন মেঘনা নদী থেকে উমায়ের হাসান (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, বন্ধুদের ডাকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর তিনদিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক দুইটার দিকে গজারিয়া উপজেলার কাজীপুরা এলাকার মেঘনা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত উমায়ের হাসান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা এবং মুক্তার গাজীর ছেলে।
    গজারিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে কাজীপুরা এলাকায় মেঘনা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা নৌ-পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুপুর দুইটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
    নিহতের মা আনার কলি অভিযোগ করে বলেন, “গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে খাবার খেয়ে বাসায় ঘুমিয়ে ছিল উমায়ের। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার দুই বন্ধু সোহাগ ও বায়েজিদ ফোন করে তাকে বাইরে ডেকে নেয়। এরপর থেকে সে আর বাসায় ফেরেনি। এ ঘটনায় আমি সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ করেছি। উমায়েরের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পর থেকে তার বন্ধুদের মোবাইল নম্বর বন্ধ এবং তারা পলাতক। আমরা ধারণা করছি, তারাই আমার ছেলেকে খুন করেছে।”
    এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করছে। নিহতের পরিবার দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছে।

  • সোনারগাঁয়ে ঘর থেকে ডেকে নেওয়ার পর দুই দিন ধরে যুবক নিখোঁজ

    সোনারগাঁয়ে ঘর থেকে ডেকে নেওয়ার পর দুই দিন ধরে যুবক নিখোঁজ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ঘর থেকে ডেকে নেওয়ার পর থেকে উমায়ের হাসান (২৫) নামে এক যুবক দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ উমায়ের উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

    নাম উল্লেখ করা অভিযুক্তরা হলেন—চর হোগলা (গাজীবাড়ি) এলাকার মো. সোহাগ (২২) ও বায়েজিদ (২২)।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ডিসেম্বর রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন উমায়ের হাসান। দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে অভিযুক্ত সোহাগ ও বায়েজিদ তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
    নিখোঁজ যুবকের মা আনার কলি জানান, “সোহাগ ও বায়েজিদ আমার ছেলের দীর্ঘদিনের পরিচিত। ওই রাতে তাদের ফোন পেয়ে উমায়ের বাইরে যায়। পরদিন সকালে বিবাদীদের এলাকায় তাদের দেখা গেলেও পরে তাদেরসহ আমার ছেলের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এখন তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ।”
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখা হয়েছে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

    এ ঘটনায় নিখোঁজ যুবকের মা মোসা. আনার কলি বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে দুই বন্ধুর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নিখোঁজ যুবককে দ্রুত উদ্ধার ও ঘটনার রহস্য উদঘাটনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

  • সোনারগাঁয়ে কবুতরের বাচ্চা খাওয়া নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে নিহত-১

    সোনারগাঁয়ে কবুতরের বাচ্চা খাওয়া নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে নিহত-১

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ে কবুতরের বাচ্চা খাওয়া নিয়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ—শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারালেন নাসির উদ্দীন (৫৫)। মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার প্রো-একটিভ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তিনি শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ভিটিকান্দী গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে।

    পরিবারের অভিযোগ, রবিবার তাদের কবুতরের বাচ্চাটি প্রতিবেশী আসাদুল্লাহর পোষা বিড়াল খেয়ে ফেললে বিষয়টি নিয়ে নাসির উদ্দীন ও তার ছোট ভাই আক্তার হোসেন প্রতিবেশীর কাছে প্রতিবাদ জানাতে যান। এসময় আসাদুল্লাহ (৫০), তার স্ত্রী জুলেখা আক্তার বেবি (৩৮), ছেলে আবির (২৫), অভি (২৮), স্থানীয় রকমত উল্লাহর ছেলে রাসেল (৩৮)সহ আরও কয়েকজন মিলে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে নাসির উদ্দীন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

    ঘটনার পর আক্তার হোসেন বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ২–৩ জনকে আসামি করে ৩০ ডিসেম্বর সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দেন।

    সরেজমিনে গেলে আসামি আসাদুল্লাহর বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

    সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খান জানান, অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

  • সোনারগাঁয়ে শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

    সোনারগাঁয়ে শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ 

    সোনারগাঁ : সোনারগাঁয়ে শতাধিক অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।  রবিবার দুপুরে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের হোসেনপুর হাই স্কুল মাঠে এ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

    শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের  উদ্যোগে  ঈদ সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি  অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল। শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা অলিউল্লাহ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক   নূরে ইয়াসিন নোবেল ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল হোসেন শিশির।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা রইছ উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন ও আমির হোসেন প্রমুখ।

    ঈদ সামগ্রী বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় মোনাজাত  পরিচালনা করেন মূফতী তাহের আল কাদরী।

    পরে উপস্থিত সকলের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

  • চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ, পাল্টা দাবি বলাৎকারের

    চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ, পাল্টা দাবি বলাৎকারের

    নারায়ণগঞ্জ (সোনারগাঁ):

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় চাঁদা না দেওয়ায় আব্দুল মতিন মুন্সী (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকেলে ভুক্তভোগীর মেয়ে মহিতুন নেছা ১০ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    অভিযোগে বলা হয়েছে, উপজেলার চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ‘হৈচৈ পার্ক’ নামে একটি ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন আব্দুল মতিন। কয়েকদিন আগে শম্ভুপুরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। মতিন মুন্সী দুই লাখ টাকা দেওয়ার পরও অবশিষ্ট অর্থের জন্য তাকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হয়।

    সর্বশেষ গত ২৮ মে সন্ধ্যায় চরকিশোরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় পুনরায় চাঁদা চাইলে মতিন তা দিতে অস্বীকার করেন। তখন ফারুক ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে হাত-পায়ের হাড় ভেঙে দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—ফারুক (৩২), শহিদ (২৭), বাবু (২৭), রিমন (২৬), সোহাগ (২২), শাহাদাৎ হোসেন (৩০), মাসুদ (২৪), ফয়জল হক (৩০), মহিন (২৮) ও সাব্বির (২৪)। আহত মতিন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ফারুক ফোনে বলেন, “আব্দুল মতিন সম্প্রতি এক শিশুকে বলাৎকারের চেষ্টা করেন। এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে ধরে গণপিটুনি দেয়। এর আগেও তিনি এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আপনি চাইলে এলাকায় গিয়ে মানুষের কাছে শুনতে পারেন।”

    তবে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত বা অস্বীকার না করে সোনারগাঁ থানার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    উল্লেখ্য, আব্দুল মতিন মুন্সী সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক।

  • সোনারগাঁয়ে নদীবেষ্টিত গ্রামে সংঘবদ্ধ হামলা ও লুটপাট, এলাকায় উত্তেজনা

    সোনারগাঁয়ে নদীবেষ্টিত গ্রামে সংঘবদ্ধ হামলা ও লুটপাট, এলাকায় উত্তেজনা

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের নদীবেষ্টিত চর কিশোরগঞ্জ গ্রামে সংঘবদ্ধ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার (৭ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ৫০-৬০ জনের একটি সশস্ত্র দল হঠাৎ করে সোহেল, মুকুল, শামিম আহমদ স্বপন ও প্রয়াত ইউপি সদস্য ও প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা নাসির মেম্বার এর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয় এবং মূল্যবান মালামাল লুটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    এই হামলার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চর হোগলা গ্রামের আব্দুল মোতালেব ও তার ছেলে শাহাদাত, নাহিদ, মহিন, জসিম, সাইফুল, পলাশ, জয়, শামীম ও সেলিম মধ্যচর হোগলার ফারুক, বাবু গাজী, মাসুদ, শহীদ, রহমত উল্লা ও সাব্বির, চর কিশোরগঞ্জ: রিমন ও আসাদুল্লা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একের পর এক চারটি বাড়িতে হামলা করে।

    সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মফিজুর রহমান জানান, “সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।” রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

    উল্লেখ্য, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা নাছির উদ্দিন এক সময় বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সাবেক এমপি কায়সার হাসনাতে হাত ধরে নাছির মেম্বার আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। এরপর সেখানে তিনি এক নেতার এক রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি সেখানে যা বলতেন তাই আইন হিসেবে বিবেচিত হতো। তার কথার বাহিরে গেলেই চলতো নির্যাতন। সেই সময় নাছির মেম্বার তার রাজত্ব কায়েম করতে গিয়ে হামলা থেকে শুরু করে খুন করতেও দ্বিধাবোধ করতেন না। তার কারণে বহু লোক এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। নদীর বালু লুট থেকে শুরু করে নদীতে নৌচাদা বাজি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাকে সাহায্য করতে মোগরাপাড়া কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা। যারা তার কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা পেতেন। অপরদিকে, যে কোন নির্বাচন থেকে শুরু করে সব কিছু নিয়ন্ত্রন করতেন নাছির মেম্বার। তার মৃত্যুর পর তার ছেলে রাসেল হাড় ধরেন সেখানকার। বাবার মতো সেও ছিলেন এক দেশের এক রাজা। তার ছিল নাছির মেম্বারের মতো বিশাল সন্ত্রাসী বাহিনী। সেই বাহিনীর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হতো চর কিশোরগঞ্জ ও চরহোগড়া। সে কোন নির্বাচনে তারা যাকে সমর্থন দিতেন সে প্রার্থী শতকরা ১০০ থেকে ১০০ ভোট পেতেন। কেন্দ্র দখল করে তারা দুইটি কেন্দ্রের ভোট একাই ছিল মারতেন। গত ৫ তারিখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গা ঢাকা দেন নাসির মেম্বারের ছেলে রাসেল তার সহযোগিতা।

     

  • সোনারগাঁয়ে পারিবারিক কলহে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা, এলাকায় শোকের ছায়া

    সোনারগাঁয়ে পারিবারিক কলহে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা, এলাকায় শোকের ছায়া

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: পারিবারিক কলহের জের ধরে মো. আশিক (৩০) নামের এক যুবলীগ নেতা শরীরে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। এর আগে গত ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) বেলা আনুমানিক ১১টা ৩০ মিনিটে আশিক নিজ বসতঘরে নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

    পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা তাকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

    তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে ১০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল আনুমানিক ১১টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

    মৃত আশিক সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের দড়িগাঁও এলাকার মো. মোশাররফ মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশিক স্থানীয় পর্যায়ে যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

    এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

  • দালালের খপ্পরে পড়ে স্বপ্নের মৃত্যু

    দালালের খপ্পরে পড়ে স্বপ্নের মৃত্যু

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ গ্রামের কবির হোসেন ভাগ্য ফেরাতে প্রবাসে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন।

    সোমবার (৩ মার্চ) সকালে তার লাশ চরকিশোরগঞ্জ নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। লাশ আনার পর তার বাড়িতে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সেখানে আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় সেখানকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে।

    এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী কহিনুর বেগম বাদি হয়ে গত ১৯ জানুয়ারী বিকেলে সোনারগাঁ থানায় দু’জনকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পর পুলিশ তদন্ত তো দূরের কথা ফোনেও তাদের সঙ্গে কথা বলেননি। সোমবার সকালে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় তার বাড়িতে লাশ নিয়ে আসা হয়। সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতরণা হয়।

    কোহিনূর বেগম অভিযোগে উল্লেখ করেন, ‘আমার স্বামী দেশে ব্যবসা করত, কিন্ত ব্যবসার অবস্থা ভাল ছিল না। এ কারণে সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে সে তুরস্ক যাওয়ার স্বপ্ন দেখে।

    মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ীর কাইজ এলাকার জাহিদ (৪৫) ও তার বন্ধু কালাম হোসেন মান্নান (৫৫) নামক দুই আদম ব্যবসায়ী তাকে ৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তুরস্ক নেয়ার কথা বলে গত ৮ মাস পূর্বে উজবেকিস্তানে নিয়ে ছেড়ে দেয়। সেখানে দিনের পর দিন কোনো খোঁজ খবর না নিয়ে ফেলে রাখে এবং তুরস্ক নেয়ার কথা বললে টালবাহানা করতে থাকে। পরবর্তীতে ফোন কলের মাধ্যমে তার অবস্থা অনেক খারাপ বলে পরিবারকে জানায়। ’

    স্ত্রী কোহিনূর বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর অবস্থা খারাপ বলে দালালদের জানানো হলে তারা ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে পুনরায় ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    কিন্তু গত ১৩ জানুয়ারি কবির হোসেন মারা গেছে বলে জানতে পারে পরিবার৷ স্বামীর লাশটা ফেরত পাওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলে উল্টো ক্ষতিপূরণ না দিয়ে বিভিন্নভাবে মামলার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে দালালরা। ’

    নিহতের ফুফাতো ভাই রফিকুল ইসলাম বলেন, কবির হোসেনের দুই ছেলে, তিন মেয়ে। আর্থিক দুরবস্থায় পড়ে ভাগ্য ফিরাতে বিদেশ গিয়েছে। কে জানতে তার এ পরিণতি হবে। তার দু’ চালা ঘরের দরজা পর্যন্ত নাই। পুরানো কাপড় ঘরের দরজা হিসাবে ব্যবহার করে। কবির হোসেনের মৃত্যুতে তার পরিবার অথৈ সাগরে হাবু ডুব খাচ্ছে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত আদম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কল রিসিভ করে পরিচয় জানার পর মোবাইল বন্ধ করে দেয়।

    সোনারগাঁ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় কুমার বসাককে একাধিকবার ফোন দেওয়ার হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ক্ষুদে বার্তা দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

    সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খাঁন বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে তিনি কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেন। কি কারনে এসআই যাননি এ বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( খ- অঞ্চল) আসিফ ইমাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ের কোকো’র ১০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ দোয়া ও কম্বল বিতরণ

    সোনারগাঁয়ের কোকো’র ১০তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ দোয়া ও কম্বল বিতরণ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর ১০ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে শম্ভপুরা ইউনিয়নের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং শীতার্তদের মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে শম্ভপুরা ইউনিয়ন পরিষদের সম্মূখে শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এর সভাপতিত্বের ও শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় মিলাত ও দোয়া এবং কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি জাতীয় নিবাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপি সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান।

    প্রধান অতিথি বক্তব্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোশারফ হোসেন এই সময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি নজরুল ইসলাম টিটু, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নাসির, সোনারগাঁ পৌর বিএনপি সভাপতি শাহজাহান মেম্বার, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, সহ সভাপতি মনিরুজ্জামান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি ৩নং সাংগঠনিক সম্পাদক নিজামউদ্দিন, পৌর বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল রাহিম, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম,প্রচার সম্পাদক সেলিম হোসেন দিপু, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ওমর ফারুক, নারায়ণগজ্ঞ জেলা স্বেচ্ছাসেবেক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হোসেন, সোনারগাঁ উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ফজলু মেম্বার, সদস্য সচিব বাবুল হোসেন, যুবদল নেতা রাকিব হাসান, নোবেল মীর, শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি সহ সভাপতি ইকবাল, আঃ রহিম, আঃ খালেক, সফিউল্লাহ, আবুল সরকার,শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজালাল, বিএনপি নেতা কায়সার,জুয়েল,গফুর, সোহেল ভান্ডারি, আল ইসলাম, ফখরুউদিন, আলামিন, বেনিয়াম, নিজাম, ফজলুল করিম, শাহজালাল, তরিকুল সহ শম্ভপুরা ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • সোনারগাঁয়ে আহত যুবদল নেতা বেনিয়ামিনের পাশে আজহারুল ইসলাম মান্নান

    সোনারগাঁয়ে আহত যুবদল নেতা বেনিয়ামিনের পাশে আজহারুল ইসলাম মান্নান

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম : বিজয় দিবস উপলক্ষে সোনারগাঁয়ে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জের ধরে যুবদল নেতা আমির হোসেন বেনিয়ামের বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। এই হামলায় আহত হন যুবদল নেতা বেনিয়াম। আহতের খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান আহত নেতাকে দেখতে যান। ২২ ডিসেম্বর, রোববার বিকেলে শম্ভুপুরা ইউনিয়নের সাতগ্রামে বেনিয়ামের বাড়িতে উপস্থিত হন তিনি।

    এসময় আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, “যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহত নেতার চিকিৎসার দায়িত্ব আমি ও আমার দল গ্রহণ করেছি এবং আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেছি। দলের একজন নেতার উপর এ ধরনের হামলা মেনে নেওয়া যায় না।”

    সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি ইকবাল হোসেন, সহসভাপতি গাজী মালেক, খালেক তালুকদারসহ স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা।

    যুবদল নেতা বেনিয়াম বলেন, “আমি এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমার নেতা আজহারুল ইসলাম মান্নান সবসময় আমার পাশে রয়েছেন এবং আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে সুবিচার পাবো।”

    এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক জুয়েল, যুবদল নেতা কাউছার আহমেদ, আতাউর রহমান, মকবুল, নোবেল মীরসহ আরও অনেকে।

    আহত নেতার পাশে দাঁড়িয়ে আজহারুল ইসলাম মান্নানের এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে।