নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা কর্তৃক আয়োজিত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি তার বক্তব্যে এইচএসসি পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং সরকারের শিক্ষা উন্নয়ন ও সংস্কারমূলক পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ফখরুল ইসলাম, মোঃ রুহুল আমিন, খোন্দকার মোঃ সাদেকুর রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, এন. এম. নাসির উদ্দিন, প্রফেসর মোঃ আবুল বাশার ভূঁইয়া এবং লে. কর্নেল উজ্জ্বল আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ড. মো. শফিকুল ইসলাম। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মোঃ আহসান পারভেজ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সালাহউদ্দিন।
সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
Category: সর্বশেষ
-

এইচএসসি-২০২৬ পরীক্ষা উপলক্ষে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
-

সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান গ্রেপ্তার
সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ে ইয়াবা কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আরমান হাসান সম্রাট (৩৪) কে গ্রেপ্তার করেছেন থানা পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের ভারগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরমান উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের ভারগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকার আবু দায়েনের ছেলে।
সুত্রে জানা যায়, আরমানের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া তিনি আদালতের ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার এসআই হারুন ও এএসআই আরিফ এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল শনিবার গভীর রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গ্রেপ্তারকৃত আরমান বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি মাদক ব্যবসা, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে। তার গ্রেপ্তারে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে শান্তি ফিরে এসেছে।
সোনারগাঁ থানার এসআই হারুন মিয়া বলেন, আরমানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিলো বলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে কি না দেখার সুযোগ পাইনি।
-

সোনারগাঁয়ে যুবলীগ নেতা নাজমুল খান সদস্য শান্ত গ্রেপ্তার
নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের সক্রিয় সদস্য নাজমুল খান শান্ত (৩১)কে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার ভোরে মোগড়াপাড়া পাওয়ার হাউজের সামনে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার লাগানোর সময় তাকে বিপুল পরিমাণ পোস্টারসহ আটক করা হয়।
ডিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা চলমান রয়েছে।
-

নানা অনিয়মের অভিযোগে যুবদল নেতা খায়রুল ইসলাম সজীব বহিষ্কার
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজীব-কে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল সাংগঠনিক পদ বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২২ মে ২০২৫) কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেন।
এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতার কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না। একই সঙ্গে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দলের শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের স্বার্থে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি (দপ্তরের দায়িত্বে) নুরুল ইসলাম সোহেল। -

খাইরুল ইসলাম সজিবকে ডিবি পুলিশের আটকের খবর গুজব: নিজেই দিলেন ব্যাখ্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিবকে ডিবি পুলিশ আটকের খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তিনি নিজেই।
রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নিউজ সোনারগাঁকে ফোন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন খাইরুল ইসলাম সজিব। তিনি জানান, তাকে আটক করা হয়েছে বলে যে খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, তার কোনো সত্যতা নেই। তিনি বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে রয়েছেন এবং এ ধরনের সংবাদকে গুজব বলে উল্লেখ করেন।
এর আগে একটি অনলাইন পোর্টালে খাইরুল ইসলাম সজিবের গ্রেপ্তারের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে সোনারগাঁসহ নারায়ণগঞ্জ জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি যাচাই করতে নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকমের পক্ষ থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে প্রথমে তিনি ফোন রিসিভ না করলেও পরে নিজেই কলব্যাক করে আটকের খবরটি সম্পূর্ণ অসত্য বলে নিশ্চিত করেন।
খাইরুল ইসলাম সজিব বলেন, “আমাকে ডিবি পুলিশ আটক করেছে বলে যে খবর প্রচার করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কোথাও আটক হইনি। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানাই।”
এদিকে, তার বক্তব্য পাওয়ার পর আটকের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। -

সোনারগাঁয়ে তিন যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ী আসলাম মিয়া আটক
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তিন যুবককে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদক ব্যবসায়ী মো. আসলাম মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে নিজ এলাকা চর কিশোরগঞ্জ থেকে তাকে আটক করে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী মোতার ছেলে নাছিরকে এলাকাবাসী আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। পরে আসলাম মিয়ার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ পরিকল্পিতভাবে শাহ সুলতান গাজী (৩৫), আব্দুল্লাহ (২০) ও আল মামুন (২৩)-কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহতদের স্থানীয়ভাবে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালানো হয়েছে। তারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত সকলকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আসলাম মিয়া ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তিন যুবককে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় জড়িত অন্যদেরও দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। -

সোনারগাঁয়ে মসজিদ ও দরিদ্র পরিবারের ঘর মেরামতে আর্থিক সহায়তা দিলেন মুজাহিদ মল্লিক
পরিমল বিশ্বাস | সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী, জামপুর ও নোয়াগাঁও ইউনিয়নে মসজিদের উন্নয়ন এবং একটি দরিদ্র পরিবারের ঘর মেরামতের জন্য নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আল মুজাহিদ মল্লিক।
রোববার (২১ জুন) বিকেলে তিনি বারদী ইউনিয়নের নুনেরটেক জামে মসজিদ, জামপুর ইউনিয়নের কলতাপাড়া জামে মসজিদের উন্নয়নকাজের জন্য এবং নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের একটি অসহায় পরিবারের ঘর মেরামতের উদ্দেশ্যে নগদ অর্থ প্রদান করেন।
এ সময় আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, “আমি সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহযোগিতায় কাজ করে যাব। সমাজের বিত্তবানদেরও মানবিক কাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।”
তিনি আরও বলেন, “মসজিদ, মাদরাসা, স্কুল-কলেজসহ সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখতে চাই। আপনাদের সেবা করার সুযোগ যেন সব সময় পাই, সে জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।”
স্থানীয়রা এ সহায়তার জন্য আল মুজাহিদ মল্লিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। -

সরকারি অনুমোদন ছাড়াই সিসি রাস্তা ভাঙার অভিযোগ, সোনারগাঁয়ে জনদুর্ভোগ
সোলায়মান হাসান, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকায় সরকারি অর্থায়নে নির্মিত একটি সিসি ঢালাই রাস্তা অনুমোদন ছাড়াই ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কাবিখা প্রকল্পের আওতায় এলাকায় প্রায় এক হাজার ফুট মাটির রাস্তা নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। ওই প্রকল্পে ব্যবহৃত ভেকু (খননযন্ত্র) চলাচলের সুবিধার্থে চলাচলযোগ্য সিসি রাস্তার একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশেই ভেকু দিয়ে রাস্তাটি ভাঙা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “আমি কারও অনুমতি নিইনি। নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি ভেঙেছি। কাজ শেষে আবার রাস্তা নির্মাণ করে দেওয়া হবে।”
তবে স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন ছাড়া ভাঙা আইনসঙ্গত নয়। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কার স্বার্থে এবং কোন কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, যে মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে সেটি সাধারণ মানুষের নিয়মিত চলাচলের পথ নয়। অথচ প্রতিদিনের যাতায়াতের প্রধান সিসি সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ ও সাধারণ পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই হঠাৎ করে রাস্তা ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কারের দাবি জানান তারা।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, রাস্তা ভাঙার সময় ঘটনাস্থলে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম ভুইয়াসহ স্থানীয় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকারি সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি জনদুর্ভোগ নিরসনে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি জরুরি ভিত্তিতে পুনর্নির্মাণেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি অর্থায়নে নির্মিত কোনো অবকাঠামো অপসারণ বা ভাঙার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক। অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের কাজ সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। -

সোনারগাঁয়ে যুবলীগ-ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতাকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পিরোজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী শাকিল আহমেদ আয়ান এবং সোনারগাঁ পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শাকিল আহমেদ আয়ানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নয়াগাঁও গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।
অপরদিকে, শনিবার দুপুরে উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকা থেকে সোনারগাঁ পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি পৌরসভার নোয়াইল গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। -
আড়াইহাজারে গণপিটুনীর শিকার পুলিশ সদস্যদের অপহরন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজন গণপিটুনির শিকার হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম। তিনি বলেন, একইদিন ভুক্তভোগী এক তরুণ গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্যসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন: পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মামুন মাতুব্বর (৪০), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমান উল্লাহ (৩৪), কনস্টেবল কবির (৩৩) ও আকাশ আহাম্মেদ (৩০)।
তারা সকলেই ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত বলে জানিয়েছেন মেহেদী ইসলাম।
তার আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলার ভুলতা গাউসিয়া এলাকায় অমিত হাসান মিরাজ নামে ৩০ বছর বয়সী এক যুবককে অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়দের গণপিটুনির শিকার হন ডিবি পুলিশের মামুন, আমান ও কবির। পরে তাদের পাশের আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী বলেন, তারা পুলিশি হেফাজতে সেখানে চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে শুক্রবার ভোররাতে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় কনস্টেবল আকাশকে।
ভুক্তভোগী অমিত নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজারের এরশাদ আলীর ছেলে। তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অর্থায়নে ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ প্রোগ্রামের ফিল্ড সুপারভাইজার ছিলেন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়াতে বর্তমানে তিনি বেকার বলে জানান।
মামলার এজাহারে তিনি লিখেছেন, বৃহস্পতিবার তিনি এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে গাউসিয়া এলাকায় যান। সেখানে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সিআইডির সদস্য পরিচয় দিয়ে গ্রেপ্তার চার পুলিশ সদস্যসহ তাদের আরও দুʼজন সহযোগী অমিতকে অপহরণের চেষ্টা চালান।
“অনলাইন ক্যাসিনোর তদন্তের কথা বলে গাউসিয়ার একটি পাবলিক টয়লেটে তারা আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। আমার মোবাইল চেক করেন। মোবাইলে কিছু না পেয়ে আমাকে তাদের সঙ্গে গাড়িতে তুলে নিয়ে যেতে চাইলে আমি চিৎকার করি। তখন আশেপাশের লোকজন তাদের ভুয়া পুলিশ বলে গণপিটুনি দেয়।”
ঘটনার সময় অভিযুক্তরা সাদা পোশাকে ছিলেন বলে জানান ভুক্তভোগী অমিত। তাদের সাদা পোশাকে থাকার বিষয়টি রূপগঞ্জ থানা পুলিশও নিশ্চিত করেছেন।
অমিত মামলার এজাহারে আরও লিখেছেন, গত ১৫ জুন তার এক আত্মীয়কেও একই পুলিশ সদস্যরা অপহরণ করে কেরানীগঞ্জে নিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়িয়ে আনেন। একমাস আগেও জাকির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তিকেও একইভাবে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে।
“আগের অপহরণের ঘটনায় যে তারাই যুক্ত ছিলেন তা আমার ঘটনার পর আমার আত্মীয়-স্বজনদের খবর দিলে জানতে পেরেছি। তারা কখনো সিআইডি, কখনো ডিবির নামে অপহরণ করে লোকজনের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করতেন,” মুঠোফোনে বলেন ভুক্তভোগী অমিত।
অমিতের অপহরণের মামলায় চার পুলিশ সদস্যের দুই সহযোগী অভিযুক্ত গাড়িচালক আবু বক্কর সিদ্দিক (৫০) ও মো. সেলিম (৪৫) পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন।
“তাদেরও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। অন্যদিকে গ্রেপ্তার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও প্রক্রিয়া চলছে,” যোগ করেন ওসি।
গুছিয়ে মাঝারি করো নিউজ লিখে দেন -

সোনারগাঁয়ে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ বাস চালক গ্রেফতার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে ২ হাজার পিস ইয়াবাসহ মো. শরিফ হোসেন (৩৯) নামে এক বাস চালককে গ্রেফতার করেছে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কাঁচপুর খাঁন পাম্পের সামনে ঢাকাগামী লেনে চেকপোস্টে তল্লাশিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮ লাখ টাকা।
গ্রেফতারকৃত শরিফ হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বাঞ্চানগর গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাঁচপুর হাইওয়ে থানার এসআই (নিঃ) শফিউল আলমের নেতৃত্বে একটি দল নিয়মিত তল্লাশির অংশ হিসেবে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী “সেন্টমার্টিন আল মিজান” পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস থামায়। পরে বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের ডান পাশে গাড়ির বডির সঙ্গে সংযুক্ত একটি বক্স থেকে ১০টি এয়ারটাইট জিপার প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, কালো ও লাল স্কচটেপে মোড়ানো প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে মোট ২ হাজার পিস ইয়াবা ছিল। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বাস চালক শরিফ হোসেন নিজেই লুকিয়ে রাখা ইয়াবাগুলো বের করে দেন। পরে ইয়াবার চালান ও পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত বাসটি জব্দ করা হয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মহাসড়কে মাদক পাচার রোধে হাইওয়ে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। -

সোনারগাঁয়ে কৃষকের ঢেঁড়স বাগান ও ৮০টি কলাগাছ কেটে নষ্ট, অভিযোগ দায়ের
নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মিরেরবাগ এলাকায় এক কৃষকের জমির ফসল ও কলাগাছ রাতের আঁধারে কেটে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোতাহার তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা কৃষক মোতাহারের ১০ শতাংশ জমিতে থাকা ফসলি ঢেঁড়স গাছ এবং প্রায় ৮০টি কলাগাছ কলাসহ কেটে ফেলে। এতে তার প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মোতাহার বলেন, “রাতের আঁধারে কে বা কারা আমার জমির ফসল ও কলাগাছ কেটে নষ্ট করে দিয়েছে। এতে আমার ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও আমার সরিষা ক্ষেত নষ্ট করা হয়েছিল, যার ফলে অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ ধরনের ঘটনার কারণে আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে আমি তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দায়ের করেছি।”
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। -

সোনারগাঁয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সজিব গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের এভারগ্রীন মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ফয়জুল ইসলাম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি সজিবকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামসুজ্জামান জানান, বুধবার রাতে কুমিল্লার কোর্টবাড়ি এলাকা থেকে সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফয়জুল দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সম্প্রতি তিনি কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধরে এনে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে মারধর করে ফয়জুলকে হত্যা করা হয়েছে। তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সজিব আত্মগোপনে ছিলেন। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। -

যে কারণে মদিনা শপিংমলে আগুন লাগে
নিজস্ব প্রতিবেদক: সোনারগাঁয়ের মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত আল মদিনা শপিংমলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকালে শপিংমলের নিচতলার ফায়ার ইকুইপমেন্ট রুমে আগুন লাগে। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। এ ঘটনায় বৈদ্যুতিক মিটার, তারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, দোকানদারদের উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করে মার্কেট মালিক নবী হোসেন বলেন, প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। -

শম্ভুপুরায় গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুর ঘটনায় জনির গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নে গৃহবধূ ঝুমুরের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে প্রতারণা, মানসিক নির্যাতন ও হুমকির মুখে পড়ে ঝুমুর আত্মহননে বাধ্য হয়েছেন। তারা অভিযুক্ত জনির গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
নিহতের বাবা বাসেদ মিয়া অভিযোগ করেন, ঝুমুরের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে জনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেওয়ার পর জনি তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং হুমকি দিতে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ের দাবিতে গত রোববার জনির বাড়িতে গেলে ঝুমুর নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেন বলে দাবি পরিবারের।
গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার তার মৃত্যু হয়।
এদিকে, ঘটনার পর বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী মহলের তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটি আপস-মীমাংসার চেষ্টা করছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী, ইউপি সদস্য শামিম, এজাজ এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেদ আলী। তিনি বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঝুমুর ইউপি সদস্য শামিমের এলাকার বাসিন্দা। বিষয়টি নিয়ে তারা কথা বলছেন।”
ইউপি সদস্য শামিম বলেন, “ঝুমুরের সঙ্গে জনির সম্পর্ক ছিল বলে শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার আলোচনা হয়েছিল।” তবে আইনগতভাবে এমন সমঝোতা বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।
অন্যদিকে অভিযুক্ত জনি পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আপনি নিউজ করে যা করার করেন।”
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। -

সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই স্কুলছাত্রের মৃত্যু
নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে ঢাকার শনির আখড়া এলাকা থেকে সাত বন্ধু সোনারগাঁয়ের মেঘনা লঞ্চঘাট এলাকায় ঘুরতে আসে। একপর্যায়ে তারা মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় পাঁচজন তীরে উঠতে পারলেও মেরাজ (১৫) ও কায়েস (১৩) নামে দুই ছাত্র নদীতে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মেরাজ বর্ণমালা স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র এবং ঢাকার দড়িয়া এলাকায় বসবাস করত। অপর নিহত কায়েস শনির আখড়ার একে স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র।সোনারগাঁ নৌ-পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হায়দার জানান, মঙ্গলবার দুপুরে সাতজন ছাত্র মেঘনা লঞ্চঘাট এলাকায় ঘুরতে এসে নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের সময় দুইজন পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।