Blog

  • সোনারগাঁয়ে স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়েতের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা

    সোনারগাঁয়ে স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়েতের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা

    নিজস্ব প্রতিবেদক:  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ও শম্ভপুরা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী ও স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (০১ জুন) সকালে মঙ্গলেরগাঁও বাজারে অবস্থিত পিরোজপুর ও শম্ভপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ইউনিয়নের নেতাকর্মী, সমর্থক, প্রবাসী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আসগার আলী। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে সমাজে ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নের ধারা নিশ্চিত হবে।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষ দুর্নীতি, দখলবাজি ও অনিয়মের শিকার। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আদর্শিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

    সোনারগাঁ উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য শাহ আলম খন্দকারের সঞ্চালনায় এবং পিরোজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি জহিরুল ইসলাম জজ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, ভোটারদের সাথে গণসংযোগ বৃদ্ধি, কেন্দ্রভিত্তিক কার্যক্রম জোরদার, তরুণ ভোটারদের সম্পৃক্তকরণ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

    এ সময় বক্তারা বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি জনগণের সমস্যা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক হাজী মো. শাহজালাল, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত পিরোজপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী ওমর ফারুক, ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী আখিরুজ্জামান, ৪ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী দ্বীন ইসলাম, ২ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী মামুনুর রশিদ, ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদপ্রার্থী আওলাদ হোসেন, জামায়াত নেতা আক্তার হোসেন, আবু ইসলাম, ইতালি প্রবাসী মামুনুর রশিদ ও ফ্রান্স প্রবাসী নূরে আলম প্রমুখ।

    শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • সোনারগাঁয়ে গৃহবধূ তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীর বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

    সোনারগাঁয়ে গৃহবধূ তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীর বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

    গৃহবধূ তৃষার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামীর বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ
    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়ীকান্দী এলাকায় গৃহবধূ তৃষা (২২) আত্মহত্যার ঘটনায় তার স্বামী সোহাগ মিয়ার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। সোমবার বিকেলে ভাদুড়ীকান্দী গ্রামে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
    এর আগে রোববার (৩১ মে) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়ীকান্দী এলাকায় নিজ বাড়িতে তৃষার মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
    পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়ীকান্দী এলাকার আরজু মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের কদমতলী এলাকার মৃত নূর ইসলামের মেয়ে তৃষার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। দীর্ঘ সাত বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান ছিল না।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে বোনের বাড়িতে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। এর কিছুক্ষণ পর তৃষার ননদ তাকে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।
    খবর পেয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আব্দুল হক ও এসআই সেলিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
    এদিকে তৃষার মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। সোমবার বিকেলে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করে তৃষার মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং তার স্বামী সোহাগ মিয়ার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সরোয়ার বলেন, “খবর পেয়ে আমরা এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
    ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    সোনারগাঁয়ে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নে পারিবারিক কলহের জেরে তৃষা (২২) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।
    রোববার (৩১ মে) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়ীকান্দী এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
    পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাত বছর আগে জামপুর ইউনিয়নের ভাদুড়ীকান্দী এলাকার আরজু মিয়ার ছেলে সোহাগ মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের কদমতলী এলাকার মৃত নূর ইসলামের মেয়ে তৃষার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। দীর্ঘ সাত বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান ছিল না।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে বোনের বাড়িতে যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এর কিছু সময় পর তৃষার ননদ ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন।
    খবর পেয়ে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আব্দুল হক ও এসআই সেলিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সরোয়ার বলেন, “খবর পেয়ে আমরা এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”
    এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • পাওনা টাকার দাবিতে মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন আটকে দেওয়ার অভিযোগ

    পাওনা টাকার দাবিতে মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন আটকে দেওয়ার অভিযোগ

    পাওনা টাকার দাবিতে মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন আটকে দেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতা সায়েম প্রধানের বিরুদ্ধে
    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পাওনা টাকার দাবিতে এক মৃত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন কার্যক্রম আটকে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা সায়েম প্রধানের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের গোপেরবাগ এলাকায় ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য, ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    জানা যায়, গোপেরবাগ এলাকার ব্যবসায়ী গোলজার হোসেন দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঈদের দিন দুপুর ২টার দিকে নিজ বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন শুক্রবার (২৯ মে) সকাল ৮টার দিকে তার জানাজার জন্য মরদেহ মশুরাকান্দা ঈদগাহ মাঠে নেওয়া হলে এ ঘটনা ঘটে।
    মৃত গোলজার হোসেনের ভাগিনা সুমন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, তার মামার সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল সায়েম প্রধানের। অসুস্থতার কারণে পাওনা টাকা পরিশোধের আগেই গোলজার হোসেন মারা যান। জানাজার জন্য মরদেহ ঈদগাহে নেওয়া হলে সনমান্দী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম প্রধান মরদেহবাহী খাটিয়া আটকে দেন এবং পাওনা টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত জানাজা ও দাফন করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন।
    তিনি আরও বলেন, এ সময় জানাজায় অংশ নিতে আসা কয়েকশ মানুষ এ ঘটনার প্রতিবাদ জানালে সায়েম প্রধান ও তার ছেলে ইছাম উত্তেজিত আচরণ করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ৩৬ হাজার টাকা পরিশোধ করলে তারা সেখান থেকে চলে যান এবং জানাজা সম্পন্ন হয়।
    মৃত গোলজার হোসেনের ১২ বছর বয়সী ছেলে জিসান বলেন, “আমার বাবা মৃত্যুর আগে সায়েম কাকার পাওনা টাকা পরিশোধের কথা বলে গিয়েছিলেন। কিন্তু আমাদের কোনো সুযোগ না দিয়ে বাবার লাশের খাটিয়া আটকে দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার নিন্দা জানাই।”
    অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সায়েম প্রধান বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে পাওনা টাকা চাইছিলাম। টাকা না পাওয়ায় জানাজা আটকে দিয়েছিলাম। পরে টাকা পরিশোধ করার পর আমি ও আমার ছেলে সেখান থেকে চলে আসি।”
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোলজার হোসেন মৃত্যুকালে দুই ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী রেখে গেছেন। পাওনা টাকার দাবিতে জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে অমানবিক আখ্যা দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
    এদিকে, এলাকাবাসীর দাবি, সম্প্রতি সোনারগাঁয়ের একটি নগদ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় অভিযুক্তদের সঙ্গে সায়েম প্রধান ও তার ছেলে ইছামের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
    ঘটনার পর পুরো এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। স্থানীয়রা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • সোনারগাঁয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও তাবারক বিতরণ

    সোনারগাঁয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও তাবারক বিতরণ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: 
    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পৃথকভাবে দোয়া মাহফিল ও তাবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার দিনব্যাপী আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়ায় অংশগ্রহণ করেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।
    এ সময় তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম টিটু, যুগ্ম সম্পাদক আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক নিজামউদ্দিন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শামীমসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
    এছাড়া জেলা যুবদলের নেতা হারুনুর রশিদ মিঠু, যুবদল নেতা রাকিবুল ইসলামসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
    দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশ, জাতি এবং গণতন্ত্রের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়।
    সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। নেতাকর্মীরা শহীদ জিয়ার আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • সোনারগাঁয়ে ছেলের অভিযোগের জেরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, আহত নারী

    সোনারগাঁয়ে ছেলের অভিযোগের জেরে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, আহত নারী

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মনাইরকান্দী মসজিদবাড়ি এলাকায় ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জেরে এক অসহায় নারীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই নারী আহত হয়েছেন।
    ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, গত ২৯ মে শুক্রবার জুমার নামাজের পর মনাইরকান্দী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে তাওসিন (১৬), ওরফে ইন্দুর, মাদক সেবন ও বিভিন্ন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তির উসকানিতে এলাকাবাসীর একটি দল তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও মালামাল ভাঙচুর করা হয়।
    ভুক্তভোগী তাওসিনের মা নার্গিস আক্তার বলেন, “আমার ছেলে যদি কোনো অপরাধ করে থাকে, তাহলে তাকে আইনের হাতে তুলে দিন। কিন্তু আমার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করবেন না। আমি তাদের কাছে অনুরোধ করেছি, ক্ষমাও চেয়েছি। কিন্তু তারা কোনো কথা শোনেনি। জোরপূর্বক ঘরে ঢুকে মালামাল ভাঙচুর করেছে। এতে আমার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।”
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভাঙচুরের সময় রডের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। নার্গিস আক্তারের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেও তাদের পরিবারের ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।
    এ ঘটনায় নার্গিস আক্তার ৪ থেকে ৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
    ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়দের মতে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তার বিচার আইনের মাধ্যমে হওয়া উচিত, নিজেরা আইন হাতে তুলে নেওয়া উচিত নয়।

  • বারদীতে আবুল কাশেম বাবু উদ্যোগে ৩৫০ পরিবারের মাঝে গোসত বিতরণ

    বারদীতে আবুল কাশেম বাবু উদ্যোগে ৩৫০ পরিবারের মাঝে গোসত বিতরণ

    নিউজ সোনারগাঁ : পবিত্র ঈদুল আযহা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানেন এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বারদী ইউনিয়নের ১, ৪ ও ৫নং ওয়ার্ডে গরিব ও অসহায় ৩৫০টি পরিবারের মাঝে গোস্ত বিতরণ করা হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বারদী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কাশেম বাবু। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আলী আজগর।
    সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেলিম হোসেন দিপু। দোয়া পরিচালনা করেন সোনারগাঁ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক।
    এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আব্দুল করিম মেম্বার, উপজেলা বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লিয়াকত ও রফিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জামাল হোসেন, বারদী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, শ্রমিক দলের সভাপতি হাফেজ বিল্লাল মুন্সি, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোকলেছ, কৃষক দলের সহ-সভাপতি মো. ওহাবসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা মো. আবুল কাশেম, ওমর ফারুক, মো. মনোয়ার হোসেন, সোহেল, নাজমুল, কামরুল, মো. বাদল, হাতেম আলী, বিল্লাল, মিজান, মোতালিবসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
    অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

  • অসুস্থ বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ

    অসুস্থ বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর প্রার্থী ফারুক আহমেদ

    নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফারুক আহমেদের পক্ষ থেকে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত বানিনাথপুর শ্রী শ্রী গৌর-নিতাই আখড়ার কর্তার মায়ের জন্য একটি হুইলচেয়ার উপহার দেওয়া হয়েছে।
    সম্প্রতি বানিনাথপুর এলাকায় অসুস্থ বৃদ্ধার পরিবারের কাছে এ হুইলচেয়ার পৌঁছে দেওয়া হয়। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে মানবিক এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
    উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকারিয়া সালেহ সপন, পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আবুল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ হোসেন, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু ও আবু সাইদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আতা রাব্বি জুয়েল এবং আলাউদ্দীন আর্মি।
    এসময় বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

  • সোনারগাঁ পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, বিচিং পাউডার না ছিটানোর অভিযোগ

    সোনারগাঁ পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ধীরগতি, বিচিং পাউডার না ছিটানোর অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহার দিন কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও জীবাণুনাশক বিচিং পাউডার ছিটানোর কথা থাকলেও সোনারগাঁ পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় সেই সেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে পৌরবাসীর মাঝে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌরসভার হাতে গোনা কয়েকটি এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অধিকাংশ ওয়ার্ডের অলিগলি ও গ্রামাঞ্চলের ভেতরে পড়ে থাকে কোরবানির বর্জ্য। অনেক স্থানে দীর্ঘ সময় রক্ত ও বর্জ্য পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা তৈরি হয়। পাশাপাশি বেশিরভাগ এলাকায় বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা।

    এর আগে সোনারগাঁ পৌরসভার প্রশাসক কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও বিচিং পাউডার ছিটানোর বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের নাম ও মোবাইল নম্বর প্রকাশ করে নাগরিকদের সহযোগিতা চাওয়া হয়। তবে বাস্তবে অনেক এলাকাবাসী সেই সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

    পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা জানান, “ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেওয়ার পর রাত পর্যন্ত অনেক জায়গায় বর্জ্য পড়ে ছিল। দুর্গন্ধে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ পৌরসভার পক্ষ থেকে দ্রুত পরিষ্কারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।”
    আরেক বাসিন্দা বলেন, “শুধু প্রধান সড়ক বা গুরুত্বপূর্ণ কিছু এলাকায় কাজ করা হয়েছে। ভেতরের মহল্লা ও গ্রামাঞ্চলের দিকে তেমন নজর দেওয়া হয়নি। বিচিং পাউডারও ছিটানো হয়নি অধিকাংশ স্থানে।”

    সোনারগাঁও পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাজী ফিরোজ জানান, অন্যবারের চেয়ে এবার মানুষ বাড়িতে পেক কাঁদার জন্য রাস্তাঘাটে বেশী কোরবানী করেছে। অনেকে নিজ উদ্যোগে পরিস্কার করলেও অনেকে বর্জ্য অপসারন না করো রাস্তায় ফেলে চলে গেছেন নিয়মমাফিক পৌর সভা থেকে এগুলো পরিস্কার করার থাকলে পৌরসভা থেকে কোন লোকজন বর্জ্য পরিস্কার ও বিচিং পাউডার ছিটানোর কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি।

    রবাসীর দাবি, কোরবানির ঈদে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সব ওয়ার্ডে সমানভাবে সেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা।

  • সোনারগাঁয়ে ঈদকে সামনে রেখে বকশিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ, ক্ষোভে যাত্রীরা

    সোনারগাঁয়ে ঈদকে সামনে রেখে বকশিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ, ক্ষোভে যাত্রীরা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগড়াপাড়া থেকে ভবেরচর রুটে চলাচলকারী নাফ বাস, লোকাল বাস ও সিএনজি অটোরিকশায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীদের দাবি, “বকশিস” ও ঈদযাত্রার অতিরিক্ত চাপের অজুহাতে স্বাভাবিক ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে।

    অভিযোগ অনুযায়ী, মোগড়াপাড়া থেকে ভবেরচর রুটে বাসে যেখানে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কম ভাড়া নেওয়ার কথা, সেখানে বর্তমানে যাত্রীপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। একইভাবে সিএনজি অটোরিকশায় মাথাপিছু ১০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
    ভুক্তভোগী কয়েকজন যাত্রী জানান, ঈদ সামনে আসলেই পরিবহন সংকট ও যাত্রীর চাপকে কেন্দ্র করে বাড়তি ভাড়া আদায় যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনেকে বাধ্য হয়ে বেশি ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ এবারও সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

    স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ দ্রুত নজরদারি বাড়িয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিক, যাতে ঈদে ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমে।
    তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

  • ৪৮ ঘণ্টায় মেঘনা-গোমতী সেতুতে ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা টোল আদায়

    ৪৮ ঘণ্টায় মেঘনা-গোমতী সেতুতে ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা টোল আদায়

    নিউজ সোনারগাঁ : ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ায় সোনারগাঁয়ের মেঘনা ও গোমতী সেতুর টোলপ্লাজায় গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
    সওজ সূত্র জানায়, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা-চট্টগ্রামমুখী ১২টি ও চট্টগ্রাম-ঢাকামুখী ৮টি টোল বুথ চালু রয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী চালুর জন্য অতিরিক্ত ৫টি কাউন্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
    নারায়ণগঞ্জ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম জানান, ২৫ মে প্রায় ৫৮ হাজার যানবাহন থেকে ১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা এবং ২৬ মে প্রায় ৫৬ হাজার যানবাহন থেকে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে। অতিরিক্ত বুথ চালু থাকায় টোলপ্লাজায় যানজটও তুলনামূলক কম রয়েছে।

  • শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে খাটিয়া ও হোগড়ার বাজার, বেড়েছে প্লাস্টিকের চাহিদাও

    শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে খাটিয়া ও হোগড়ার বাজার, বেড়েছে প্লাস্টিকের চাহিদাও

    নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদুল আজহা ও কোরবানিকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তাসহ আশপাশের বিভিন্ন বাজারে বেড়েছে মাংস কাঁটার কাজে ব্যবহৃত খাটিয়া ও হোগড়ার চাহিদা। পাশাপাশি বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে প্লাস্টিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতেও ভিড় করছেন ক্রেতারা।
    বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে এসব পণ্যের বিক্রি। কোরবানির পশু জবাই, মাংস কাটা ও সংরক্ষণের সুবিধার জন্য অনেক পরিবার আগে থেকেই খাটিয়া ও হোগড়া কিনে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
    ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বড় সাইজের খাটিয়া প্রতিটি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি সাইজের খাটিয়ার দাম ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা এবং ছোট খাটিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া প্রতিটি হোগলা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৩৫০ টাকায়। বৃষ্টি থেকে কোরবানির মাংস ও স্থান রক্ষায় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের দামও বেড়েছে, যা আকারভেদে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
    এক দোকানি বলেন, “ঈদের কয়েকদিন আগে থেকেই বিক্রি বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে কোরবানির আগের দুই-তিন দিন সবচেয়ে বেশি ক্রেতা আসে। অনেকেই একসঙ্গে খাটিয়া, হোগলা ও প্লাস্টিক কিনে নিচ্ছেন।”
    আরেক বিক্রেতা জানান, “এবার বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্লাস্টিকের চাহিদাও বেশি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের চাপ থাকছে।”
    ক্রেতারা জানান, কোরবানির সময় প্রয়োজনীয় জিনিস আগে থেকেই কিনে রাখলে শেষ মুহূর্তের ভোগান্তি কম হয়। তাই পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী এখনই এসব সামগ্রী সংগ্রহ করছেন তারা।
    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আশা, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এ কেনাবেচার ব্যস্ততা আরও বাড়বে।

  • সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে আজ ঈদুল আজহা উদযাপন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায়

    সোনারগাঁয়ের ২৩ গ্রামে আজ ঈদুল আজহা উদযাপন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায়

    নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ২৩ গ্রামের মানুষ আজ বুধবার (২৭ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঈদের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার গিরদাইন পশ্চিমপাড়া, নয়াপুর, গণকবাড়ী, গজারিয়াপাড়া, কোনাবাড়ী, মুসারচর, রতন মার্কেট ও হাতুরাপাড়াসহ ২৩ গ্রামের মুসল্লিরা দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতির ধারাবাহিকতায় এবারও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করছেন।
    বুধবার সকাল ৮টায় গিরদাইন পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টা থেকে নয়াপুর, গণকবাড়ী, গজারিয়াপাড়া, কোনাবাড়ী ও হাতুরাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
    গিরদাইন পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আমজাদ জানান, তাদের এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছেন। এবারও শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, দূর-দূরান্ত থেকেও মুসল্লিরা নামাজ আদায়ের জন্য এখানে আসেন। কাঁচপুর চেয়ারম্যানপাড়া এলাকা থেকেও অনেক মুসল্লি অংশ নিয়েছেন।
    সোনারগাঁ সরকারি কলেজের বিবিএ তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম বলেন, জন্মের পর থেকেই তারা পরিবারের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন এবং এ ঐতিহ্য এখনও বজায় রয়েছে।
    গিরদাইন পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ওমর ফারুক বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও এলাকার কয়েকটি পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপন করেছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ঈদের জামাত সম্পন্ন হয়েছে।
    স্থানীয়দের ভাষ্য, বহু বছর ধরে চলে আসা এ ধর্মীয় চর্চার কারণে প্রতিবছরই সোনারগাঁয়ের এসব এলাকায় নির্ধারিত সময়ের আগেই ঈদের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়।

  • ঈদুল আযহায় খোলা থাকবে সোনারগাঁও জাদুঘর, দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা

    ঈদুল আযহায় খোলা থাকবে সোনারগাঁও জাদুঘর, দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ সময়সূচি ঘোষণা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা ২০২৬ উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি থাকলেও দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
    কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের ছুটিতে পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকজ শিল্পের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
    ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী,
    ঈদের দিন (২৮ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার): দুপুর ১২:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকবে।
    ঈদের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ দিন (২৯ মে থেকে ৩১ মে ২০২৬): প্রতিদিন সকাল ১০:০০টা থেকে বিকাল ৬:০০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা জাদুঘর পরিদর্শন করতে পারবেন।
    ঈদের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে সোনারগাঁও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দেশীয় ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির নান্দনিক পরিবেশে সকলকে পরিবারসহ ঘুরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে।

  • ১৮৭৫ কেজি রিসাইকেল প্লাস্টিকের দানাসহ ৭ সন্দেহভাজন ডাকাত আটক

    ১৮৭৫ কেজি রিসাইকেল প্লাস্টিকের দানাসহ ৭ সন্দেহভাজন ডাকাত আটক

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১৮৭৫ কেজি রিসাইকেল প্লাস্টিকের দানা ও পিকআপ লুটের ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৭ জন সন্দেহভাজন ডাকাতকে আটক করা হয়েছে।

    আটককৃতরা হলেন রাসেল, আকরাম, রফিকুল ইসলাম, পারভেজ, সোহাগ, কামরুল হাসান ও সুমন। তাদের মধ্যে কয়েকজন সোনারগাঁ এবং একজন নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার বাসিন্দা।

    মামলার বাদী খলিলুর রহমানের অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৩ মে দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ২০ মিনিটে সোনারগাঁ উপজেলার তালতলা বাজার এলাকার জুগীপাড়া থেকে ৭৫টি বস্তায় মোট ১৮৭৫ কেজি কালো রঙের রিসাইকেল প্লাস্টিকের দানা একটি মিনি পিকআপে লোড করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। মালামাল কুমিল্লায় পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করা হয়।

    পরে রাত আনুমানিক ৪টা ৪৫ মিনিটে সোনারগাঁ থানার ললাটি এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ের পাশে অলিম্পিক বিস্কুট ফ্যাক্টরি থেকে প্রায় ২০০ গজ পশ্চিমে পৌঁছালে ৯ থেকে ১০ জনের একটি দল রাস্তা সংস্কারের কাজ করার ভান করে পিকআপ থামানোর সংকেত দেয়।

    অভিযোগে বলা হয়, গাড়ি থামানোর পর সংঘবদ্ধ দলটি রামদা, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার পাইপসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাড়িতে উঠে চালককে মারধর করে। একপর্যায়ে লোহার পাইপ দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয়। এরপর পিকআপের চাবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে এশিয়ান হাইওয়ের দক্ষিণ পাশে সুখেরটেক এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে আটকে রেখে যায়।

    লুণ্ঠিত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১৮৭৫ কেজি রিসাইকেল প্লাস্টিকের দানা, পিকআপের অতিরিক্ত একটি চাকা, একটি ৭০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি এবং গাড়ির ড্যাশবোর্ডে থাকা নগদ ২৫ হাজার টাকা।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • সোনারগাঁও জাদুঘরের জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের বিনোদনস্থলে কেরাম খেলা, সমালোচনার ঝড়

    সোনারগাঁও জাদুঘরের জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের বিনোদনস্থলে কেরাম খেলা, সমালোচনার ঝড়

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও জাদুঘর এলাকার জামদানী পল্লীতে পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত মাঠের গোলঘর দখল করে দোকান সংশ্লিষ্টদের কেরাম খেলার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
    গত ২১ মে দিনের বেলায় তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, জামদানী পল্লীর ভেতরে পর্যটকদের বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত খোলা স্থানে কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে কেরাম খেলায় অংশ নিচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে দর্শনার্থীদের স্বাভাবিক চলাচল ও অবকাশযাপনের পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে।
    সুশীল সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধির ভাষ্য, দেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটনকেন্দ্রে এমন কার্যক্রম কাম্য নয়। তারা বলেন, পর্যটন এলাকাগুলোতে শৃঙ্খলা ও পরিবেশ বজায় রাখা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত স্থান অন্য কাজে ব্যবহৃত হলে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
    একাধিক পর্যটক জানান, পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসে যদি নির্ধারিত বিশ্রামস্থল বা বিনোদন এলাকা অন্য কাজে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়, তাহলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নষ্ট হয়। তারা চান, পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে এসব স্থানে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হোক।
    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারও দাবি, জামদানী পল্লী ও জাদুঘর এলাকা দেশের ঐতিহ্য বহন করে। এখানে এমন কার্যক্রম চলতে থাকলে বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।
    তারা দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সোনারগাঁও জাদুঘর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।