Category: ইউনিয়ন

  • গোপালগঞ্জে এনসিপি’র উপর হামলার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ

    গোপালগঞ্জে এনসিপি’র উপর হামলার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ

    নিউজ সোনারগাঁ: গোপালগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে সোনারগায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকাল ৫টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে এই বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. হাফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা শাখার আমির মাওলানা মো. মমিনুল হক সরকার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও জামায়াত মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ সোনারগাঁও আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রিন্সিপাল ডক্টর ইকবাল হুসাইন ভূঁইয়া।

    মিছিলটি কাঁচপুর পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে শুরু হয়ে বালুর মাঠে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলের আগে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সামবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মমিনুল হক সরকার বলেন বলেন, সরকার ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপর্যুপরি ব্যর্থতার কারণেই গোপালগঞ্জ রক্তাক্ত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করায় পতিতরা এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানোর দুঃসাহস দেখিয়েছে। আমরা চাই দ্রুত এই সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হোক। ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসলে কেউ শান্তিতে থাকবে না।

    তিনি আরও বলেন, সংস্কার না হলে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে এখনো ঘাপটি মেরে আছে ফ্যাসিবাদের দোসররা। তাদেরকে অতি দ্রুত প্রশাসন থেকে বিদায় করতে হবে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে হবে। ন্যায় ও শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা থাকবে। এছাড়া জামায়াত ক্ষমতায় আসলে বেকারত্ব কমে আসবে বলেও মন্তব্য করেন।

    এ সময় বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ জেলার আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব মমিনুল হক সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রিন্সিপাল ডক্টর ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, আড়াইহাজার আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও স্বর্ণপদক প্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লা, রূপগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ জেলার কর্মপরিষদ সদস্য ও মিডিয়া বিভাগের তদারককারি আবু সাঈদ মোঃ মুন্না, সোনারগা উপজেলা উত্তরের আমির মাওলানা ইসহাক মিয়া, দক্ষিণের সেক্রেটারি জনাব আসাদুল ইসলাম, উত্তরের সেক্রেটারি মাওলানা ইব্রাহিম হাসান প্রমুখ।

  • সোনারগাঁয়ে বিএনপির নেতাদের অপকর্ম নিয়ে প্রশ্ন বিএনপি নেতা সেলিম সরকার

    সোনারগাঁয়ে বিএনপির নেতাদের অপকর্ম নিয়ে প্রশ্ন বিএনপি নেতা সেলিম সরকার

    পরিমল বিশ্বাস: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি সেলিম সরকার ফেসবুকে একটি প্রশ্নবোধক পোস্ট দিয়ে দলীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। তিনি তাঁর ব্যক্তিগত আইডিতে দেয়া স্ট্যাটাসে দলের প্রকৃত ও বিবেকবান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন।

    সেলিম সরকার লিখেছেন,
    “পা’চাটা চামচাদের নয়, আমি প্রশ্ন করছি প্রকৃত, বিবেকবান, খাঁটি বিএনপি নেতা-কর্মীদের কাছে। আশা করছি আপনারা উত্তর দেবেন।”

    তিনি অভিযোগ করেন, গত ৫ আগস্টের পর সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা অমার্জনীয় অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে। এমনকি থানা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগের ফিরিস্তি উঠে এসেছে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও টেলিভিশন চ্যানেলে।

    এরপর তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন:

    “আমি যদি আমার বৈধ লিজ ও দখলের জমি আওয়ামী কবল থেকে উদ্ধারের চেষ্টা করতে গিয়ে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে থাকি, তাহলে গত ১১ মাসে ইউনিয়নভিত্তিক বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যে শত শত অপকর্মের অভিযোগ উঠেছে—তাদের কারও কি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ হয় নাই? তাহলে তাদের অব্যাহতি বা বহিষ্কার করা হয়নি কেন?”

    এই পোস্ট ঘিরে ইতোমধ্যেই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ বিষয়টিকে ‘ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ’ বললেও, অনেকেই মনে করছেন এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও শৃঙ্খলার প্রশ্নে একটি সাহসী পদক্ষেপ।

    সেলিম সরকারের প্রশ্নের জবাব দেয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

  • সোনারগাঁয়ে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী

    সোনারগাঁয়ে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়নের শান্তিরবাজার এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধের ঘোষনা দিয়েছেন ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।

     

    মঙ্গলবার দুপুরে শান্তিরবাজার এলাকায় সভা করে এ ঘোষনা দেন। শান্তিরবাজার বাজার কমিটির সভাপতি আলী আজগরের সভাপতিত্বে ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. সেলিম হোসেন দিপুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, শান্তির বাজার কমিটির সহ সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল করিম, ক্যাশিয়ার মো. আব্দুল হক, সদস্য মো আবু মিয়া, মো. আলী হোসেন, মো. পনির মুন্সি, মো. ইসলাম মিয়া, আবুল কাশেম, মো. রফিকুল ইসলাম।

    সভায় সেলিম হোসেন দিপু বলেন, বারদী ইউনিয়নের শান্তির বাজারের শান্তি নষ্ট হয়ে গেছে। নুর মোহাম্মদ পাগলার নেতৃত্বে মান্দার পাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান হাবু, শুক্কুর আলী, মামুন, ইউনুস, ফারুক, শাওন, ও আশিকসহ ২০-২৫ জনের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। তাদের প্রতিরোধ দরকার। আগামী দিনগুলোতে ঐক্যবন্ধভাবে তাদের প্রতিরোধ করা হবে।

    সভায় আলী আগজর বলেন, সম্প্রতি শফিকুল ডাকাত দলের সদস্যকে যৌথ বাহিনী গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর থেকে অন্য ডাকাতরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা মানুষকে ছিনতাই ও ডাকাতির হুমকি ধমকি দিচ্ছে । তাদের গ্রেপ্তারের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম বলেন, অপকর্ম চক্রের দিশোহারা হয়ে পড়েছেন তারা। তাদের ভয়ে মানুষ কথা বলতে সাহস পায় না।

    অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কোন অপকর্মের সঙ্গে তিনি জড়িত না। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে অপ-প্রচার করছে। ডাকাতি মামলা ও ওয়ারেন্ট রয়েছে তার বিরুদ্ধে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কোন উত্তর দেননি।

    সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খাঁন বলেন, শান্তির বাজার এলাকায় ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের সভার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। যারা ওই এলাকায় অপকর্ম করে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

     

     

  • সোনারগাঁয়ে তিনটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস

    সোনারগাঁয়ে তিনটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করলো তিতাস

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা তিনটি চুনা কারখানার গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। রবিবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত টানা মোবাইল কোর্টের অভিযানে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

    অভিযানে পিরোজপুর ইকোনমিক জোনের পাশে একটি, বিপরীত পাশে একটি এবং অপজিট এলাকায় আরও একটি—মোট তিনটি চুনা কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কারখানাগুলো গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুর রহমান এবং সোনারগাঁ তিতাস অফিসের ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলাম।

    পরে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় পানি স্প্রে করে চুনা ভাটির কাঁচামাল নষ্ট করা হয় এবং এক্সকেভেটর দিয়ে কারখানার স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলা হয়।

    অভিযানকালে ১২০ ফিট দৈর্ঘ্যের এমএস গ্যাস পাইপ এবং ১.৫ ইঞ্চি পিভিসি পাইপ জব্দ করা হয়। সেই সঙ্গে উৎসস্থলে পাইপগুলো বিনষ্ট করে প্রতিটি সংযোগের মূল পয়েন্টে কিলিং ক্যাপিং করা হয়।

    তিতাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদে অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেখানেই অবৈধ সংযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।

  • সোনারগাঁয়ে জামিয়া ফারুকিয়া কওমিয়া নানাখী এতিমখানার ভবন উদ্বোধন ও ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ

    সোনারগাঁয়ে জামিয়া ফারুকিয়া কওমিয়া নানাখী এতিমখানার ভবন উদ্বোধন ও ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের নানাখীতে অবস্থিত জামিয়া ফারুকিয়া কওমিয়া নানাখী এতিমখানার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন ও তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের বিএনপি দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী আল মুজাহিদ মল্লিক।

    ১২ জুলাই (শনিবার) বিকেলে মাদ্রাসা অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এতিমখানার ভবনের উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাষী হাউজিং প্রাইভেট লিমিটেডের সাধারণ সম্পাদক ডা. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মোল্লা।
    প্রধান অতিথি ছিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাদীপুর সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মাওলানা খোরশেদ, উপজেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক হাজী সেলিম সরকার, মোহাম্মদ কাউসার মিয়া, মোহাম্মদ আমজাদ হক আপেলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন,

    “মানুষ দুটি কারণে ধ্বংস হয়— এক, অতিরিক্ত খাবার; দুই, অতৃপ্ত লোভ। বেশী খেলে শরীর নষ্ট হয়, আর লোভ মানুষকে নৈতিকভাবে ধ্বংস করে। ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব আজ অপরিসীম। কুরআন ও হাদিসের প্রকৃত শিক্ষায় মানুষ গড়ে উঠলে সমাজে আর অপরাধ থাকবে না। কুরআনের ব্যাখ্যা সঠিকভাবে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে।”

    অনুষ্ঠান শেষে নানাখী স্ট্যান্ড এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি। এসময় তিনি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি পদে দোয়া চান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় সকলের কাছে দোয়ার আহ্বান জানান।

    এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ অংশ নিয়ে আয়োজনকে সফল করে তোলে।

  • সোনারগাঁ কোয়ালিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য: ১৩ জনের জিপিএ-৫

    সোনারগাঁ কোয়ালিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য: ১৩ জনের জিপিএ-৫

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের নয়াপুর এলাকায় অবস্থিত কোয়ালিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এসএসসি পরীক্ষায় এবার নজরকাড়া সাফল্য অর্জন করেছে।

    প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৩৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সকলেই কৃতকার্য হয়েছে, অর্থাৎ পাশের হার ১০০%। এর মধ্যে ১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ (A+) এবং বাকি ২২ জন শিক্ষার্থী A গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, “আমাদের শিক্ষার্থীদের এই সাফল্য আল্লাহর রহমত এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত পরিশ্রমের ফল। আমরা শুরু থেকেই নিয়মিত ক্লাস, মডেল টেস্ট এবং মানসম্পন্ন পাঠদানে গুরুত্ব দিয়েছি। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”

    অভিভাবকরাও সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, কোয়ালিটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ সাদীপুর এলাকার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

    স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা প্রতিষ্ঠানটির এ সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এমন ফলাফল এলাকার শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • সোনারগাঁয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর হাতুড়াপাড়া এলাতায় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার ভূক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলো জামপুর ইউনিয়নের হাতুরাপাড়া এলাকার আব্দুল্লাহ, লাল চান মিয়া এবং ফয়েজ ভূঁইয়া।

    জানা যায়, সাদিপুর ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল। পথে অভিযুক্ত আব্দুলাহ কাঁঠাল খাওয়ানোর কথা বলে তার বাসায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তার ঘরে নিয়ে আটকে ফেলে। এক পর্যায়ে অন্য আরও দুই সহযোগীকে ফোনে ডেকে নিয়ে তিনজন মিলে ভূক্তভোগীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ভূক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আইনের আশ্রয় নিলে তার পরিবারের সকল সদস্যকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। ভূক্তভোগীর মা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করেন।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভূক্তভোগীর মাকে (বাদী) ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী সাত্তার ও আক্কাস আলীর নেতৃত্বে একটি দল। ভূক্তভোগী পরিবারকে এক লাখ টাকা দিয়ে ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

    ভূক্তভোগী ওই ছাত্রীর বোন জামাই মো.আমিনুল ইসলাম বলেন, তার স্ত্রীর ছোট বোনকে তিনদিন আগে স্কুল থেকে ফেরার পথে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ তার পথ আটকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। ওইসময় আব্দুল্লাহ বলেছিল যে আব্দুল্লাহর স্ত্রী তার জন্য কাঁঠাল রেখেছে। এ কথা মতো ওই ছাত্রী আব্দুল্লাহর সঙ্গে তার বাসায় যান। সেসময় তার স্ত্রী বাসায় ছিলো না। আব্দুল্লাহর স্ত্রীর কথা জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ কোন উত্তর না দিয়ে মুখ ও হাত পা বেধে তার দুই সহযোগীকে ফোন দিয়ে বাসায় নিয়ে যায়। পরে তারা তিনজন মিলে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে তার শ্বাশুড়ি এ ঘটনা শুনে তালতলা ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের তিন দিন হলেও তারা কোনো সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন। ঘটনাটিকে টাকার বিনিময়ে মিমাংসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করেন। এমন কিছু হলে অবশ্যই তিনি জানতেন। এটা অপ প্রচার।

    তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় বাদী অভিযোগ করলেও মামলা দায়েরের বিষয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই। তিনি সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বাদি ও তার পরিবারের কাউকে তিনি পাননি। টাকার বিনিময়ে মিমাংসার বিষয়ে তিনি বলেন, তার এ সম্পর্কে জানা নেই। তবে পরিদর্শন করেছেন।

    ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়ে অভিযুক্ত আক্কাস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন। তিনি এ ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

    তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ইনচার্জ) আব্দুল হক বলেন, ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত না। এসআইয়ের সঙ্গে কথা বলে জেনে বিস্তারিত বলতে পারবেন।

    সোনারগাঁ থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ধর্ষণের আসামীদের ধরতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

  • সোনারগাঁয়ে অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লালের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    সোনারগাঁয়ে অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লালের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ত্যাগী নেতা বিল্লাল মোল্লার দীর্ঘদিনের অসুস্থতার খবর শুনে তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১নং সহ-সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আল মুজাহিদ মল্লিক।

    ৬ জুলাই (রবিবার) দুপুরে বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া এলাকায় বিল্লাল মোল্লার নিজ বাড়িতে গিয়ে তিনি খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক, অধ্যাপক কবির মৃধা, জামপুর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহিন, সোনারগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, জামপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

    বিল্লাল মোল্লাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন,

    “আন্দোলন-সংগ্রামে বিল্লাল মোল্লা সবসময় সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে থেকেছেন। আজ তিনি অসুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন—এটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার আমি বহন করবো এবং ভবিষ্যতেও তার সুস্থতা নিশ্চিত করতে সার্বিক সহযোগিতা করবো।”

    তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান,

    “আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এই ত্যাগী নেতার পাশে দাঁড়াই।”

    এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সোনারগাঁর স্থানীয় নেতাকর্মীরাও।

  • সোনারগাঁয়ে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    সোনারগাঁয়ে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    পরিমল বিশ্বাস:

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোনারগাঁয়ে শোডাউন ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আল মুজাহিদ মল্লিক।

    শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর বাজারে দোকানপাট, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি। এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে সকলকে বিএনপির পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান।

    এই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন—
    উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সেলিম সরকার, সাদিপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি জয়নাল মীর, সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিক ভুঁইয়া, তাঁতী দল সাদিপুর ইউনিয়নের সভাপতি শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তাহের আলী, সুলতান আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, সোনারগাঁ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক গাফফার, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম সিকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম সরকার, যুবদল নেতা নুর নবী, তাঁতী দল নেতা জাকির হোসেন, ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মহসিন সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান রঞ্জুসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন,

    “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি ছাত্র আন্দোলনের মাঠ থেকে উঠে এসেছি। আন্দোলনে অনেক নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন, কেউ আহত হয়েছেন। স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলাম। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটি দলকে উপহার দেবো। আর যদি মনোনয়ন না পাই, তাহলে দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষেই সকলে মিলে কাজ করবো।”

    তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনা করেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

  • জামায়াত-শিবির কর্মীদের গায়ে হাত উঠলে ঐ হাত আর হাতের জায়গায় থাকবেনা

    জামায়াত-শিবির কর্মীদের গায়ে হাত উঠলে ঐ হাত আর হাতের জায়গায় থাকবেনা

    নিউজ সোনারগাো:: নারায়ণগঞ্জ-৩, সোনারগাঁ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সম্ভাব্য এমপিপ্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ পক্ষ উপলক্ষ্যে সনমান্দী ইউনিয়ন জামায়াত আয়োজিত গণসংযোগ ও পথসভায় এ বক্তব্য রাখেন।

    শুক্রবার ৪ জুলাই বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ শেষে দরিকান্দি বাসস্ট্যান্ডে পথসভা করা হয়েছে।

    পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও এডুকেশন সোসাইটির পরিচালক, নারায়ণগঞ্জ -৩, সোনারগাঁ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া বলেন- ফ্যাসিষ্টদের আর কোন কার্যক্রম করতে দেওয়া হবেনা ফ্যাসিষ্টদের ফ্যাসিজমের কার্ক্রমে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করা হলো।

    তিনি আরো বলেন, সোনারগাঁয়ে কোনপ্রকার চাঁদাবাজি থাকবে না। কেউ যদি অন্যায় অত্যাচার করতে চায় আর কাউকে অন্যায় করার সুযোগ দেওয়া হবেনা। জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের গায়ে যদি হাত তোলা হয়,তাহলে ঐ হাত কিন্তু আর হাতের জায়গায় থাকবেনা।

    এ সময় থানা আমির মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে গণসংযোগ ও পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সোনারগাঁ দক্ষিন শাখার আমীর মো. মাহবুবুর রহমান, সোনারগাঁ দক্ষিন শাখার সেক্রেটারী মো. আসাদুল ইসলাম, সনমানদী ইউনিয়নের আমীর মাওলানা মোমিনুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মাওলানা বেলাল শাহ সহ বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা।

  • নোয়াগাঁওয়ে আহত নেতাদের দেখতে গেলেন অধ্যাপক বকুল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা

    নোয়াগাঁওয়ে আহত নেতাদের দেখতে গেলেন অধ্যাপক বকুল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির ৩১ দফা প্রচার কার্যক্রম শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হয়েছেন। আহতরা হলেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. ফারুক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. সাগর।

    ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে, লাধুরচর-সংলগ্ন চৌরাপাড়া কাঠের ব্রিজ এলাকায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকারের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

    স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে সাগরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    আহত মো. ফারুক বলেন, “হামলাকারীরা এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমরা এর প্রতিবাদ করায় তারা আগেও হুমকি দিয়ে আসছিল। এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত।”

    এ ঘটনায় ফারুক শনিবার সকালে সোনারগাঁও থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    হামলার খবর শুনে শনিবার বিকেলে আহতদের বাড়িতে ছুটে যান সোনারগাঁও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল এবং সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে, দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন

    বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, প্রতিবাদে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন

    নিউজ সোনারগাঁ :  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ জুলাই) উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চরকামালদী নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি নেতা ওয়াজকুরুনি।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চাচাতো বোন জামাই রবিউল্লাহ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে। আমার বাবারা তিন ভাই ও এক বোন। আমাদের চাচা ও ফুফুর জমি থেকে কয়েকদিন আগে বালু বিক্রি করি। পরে এর টাকা সবার মাঝে সমপরিমাণভাবে বন্টন করা হয়। অথচ রবিউল্লাহ (চাচাতো বোন জামাই) সংবাদ সম্মেলন করে বলেছে, আমি নাকি তাদের টাকা দেয়নি। এ কথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এ বিষয়ে আমি র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে একটি অভিযোগ করেছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি একজন মৎস্য চাষি। সে আমার সঙ্গে খামারে থাকতো। একদিন আমি জানতে পারি সে মাদকের ব্যবসা করে। পরে আমি তাকে খামার থেকে বের করে দেয়। এরপর থেকেই সে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করা শুরু করে। এমনকি সে আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। এছাড়া বিভিন্ন মোবাইল নাম্বার থেকে সে আমাকে হত্যার হুমকিও দেয়।

    সংবাদ সম্মেলনে দুই চাচাতো বোন ও এক ভাইয়ের বৌ বলেন, ওয়াজকুরুনি বালুর সম্পূর্ণ টাকা আমাদের সমপরিমাণভাবে ভাগ করে দেয়। রবিউল্লাহ যে বলেছে টাকা দেওয়া হয়নি তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

    উল্লেখ্য, ওয়াজকুরুনি নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বিএনপির সহ-সভাপতি ও চরতালিমাবাদ এলাকার মৃত গহন আলীর ছেলে। এছাড়া অভিযুক্ত রবিউল্লাহ একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে ও শেখকান্দী নূর মোহাম্মদ হত্যা মামলার আসামি।

     

  • সোনারগাঁয়ের নয়াপুর-রতন মার্কেট রাস্তার প্রশস্ত করণ কাজের পরিদর্শনে ইউএনও

    সোনারগাঁয়ের নয়াপুর-রতন মার্কেট রাস্তার প্রশস্ত করণ কাজের পরিদর্শনে ইউএনও

    নিউজ সোনারগাঁ:: সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর-রতনমার্কেট রাস্তার প্রশস্ত করণ  কাজের পরিদর্শন করেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা রহমান। এসময় তিনি রাস্তার দুই পাশের জমির মালিকদের সাথে কথা বলে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। পরে ইউএনও সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন কাজের তদারকি করেন।এসময় তিনি সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সেবার মান ভালো হওয়ায় সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী প্রধানকে ধন্যবাদ জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রমজান আলী প্রধান, সোনারগাঁ উপজেলা প্রকৌশল আলমগীর চৌধুরী, সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুল আলম তালুকদার, মেসার্স এহসান এন্টারপ্রাইজ এর পক্ষে গোলাম সারোয়ার বাদল,  নুর উদ্দিন আহমেদ, সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী সেলিম সরকার, সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আমির হোসেন, রফিকুল ইসলাম সরকার, সাবেক ইউপি সদস্য শামসুল হক, সাদিপুর ইউনিয়ন জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া প্রমূখ।

    মেসার্স এহসান এন্টারপ্রাইজ এর পক্ষে গোলাম সারোয়ার বাদল বলেন, রাস্তার দুই পাশে স্থাপনা থাকায় প্রশস্ত করন কাজে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। ইউএনও স্যার সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন এবং দুই পাশের স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার থেকেই দুই পাশের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

    চেয়ারম্যান রমজান আলী প্রধান জানান, ইউএনও নির্দেশনায় রাস্তার প্রশস্ত করন কাজে যা যা সহযোগিতা করার দরকার পরিষদের পক্ষ থেকে সবই করা হবে। এই সড়কটি প্রশস্ত করনের জন্য দীর্ঘদিনের দাবি ছিল স্থানীয়দের।

    ইউএনও ফারজানা রহমান বলেন, সড়কের দুই পাশে যেসব স্থাপনা রয়েছে দুই দিনের মধ্যে ঐ সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। যদি কেউ উচ্ছেদ কাজে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ে ওড়না পেঁচিয়ে রিকশায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

    সোনারগাঁয়ে ওড়না পেঁচিয়ে রিকশায় গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু

    নিউজ সোনারগাঁ::সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বালুর মাঠ এলাকায় রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে মিথিলা আক্তার (২০) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত মিথিলা বন্দর উপজেলার মদনপুর গ্রামের সাবিবর রহমানের স্ত্রী।

    সোমবার (১ জুলাই) রাত ১১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মিথিলার স্বামী সাবিবর রহমান জানান, রাতে তারা দুজন রিকশায় করে বাসার দিকে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বালুর মাঠ এলাকায় অসাবধানতাবশত মিথিলার ওড়না রিকশার চাকায় পেঁচিয়ে যায় এবং তার গলায় ফাঁস লেগে অচেতন হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঢামেকে নিয়ে যাওয়া হলেও তার প্রাণ রক্ষা করা যায়নি।

    ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে জোরপূর্বক মাটি কেটে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁয়ে জোরপূর্বক মাটি কেটে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ মাটি খেকোদের বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ):

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চর কামালদী এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তির মাটি জোরপূর্বক কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন মাটি খেকোর বিরুদ্ধে। সোমবার (৩০ জুন) দুপুরে মোগড়াপাড়া চৌরাস্তার একটি অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জমির মালিক মাফিয়া আক্তার।

    সংবাদ সম্মেলনে মাফিয়া আক্তার জানান, চর কামালদী মৌজায় তার এবং তার ভাই শাহচ আলম, আল-আমিন, শামীম ও বোন রোজিনার পৈতৃক ২০ শতাংশ জমি রয়েছে। সম্প্রতি ওই জমি বিক্রির জন্য চাপ সৃষ্টি করা হলেও তারা রাজি না হওয়ায় একই এলাকার জসিম উদ্দিন, সুজন ও ওয়াস করনি নামের কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রি করে দেন।

    তিনি আরও বলেন, “আমাদের অনুমতি ছাড়াই প্রায় ২ লাখ টাকার মাটি কেটে তারা বিক্রি করে। টাকা চাইতে গেলে আমাদের মারধর করে, ভয়ভীতি দেখায় এবং বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি দেয়। বর্তমানে তারা আরও প্রায় ৩ লাখ ৭৭ হাজার টাকার মাটি আত্মসাৎ করার পাঁয়তারা করছে।”

    এ ঘটনায় মাফিয়া আক্তার সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের প্রতি হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি, যেন দোষীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়।”

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাটি ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিভিন্ন সময় এমন অভিযোগ শোনা গেলেও প্রশাসনিক ব্যবস্থার অভাবে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

  • সোনারগাঁয়ে হত্যার হুমকির প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন

    সোনারগাঁয়ে হত্যার হুমকির প্রতিবাদ সংবাদ সম্মেলন

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চর কামালদী এলাকায় মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় রবিউল্লাহ নামের এক ব্যক্তি হত্যার হুমকির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন এবং রবিবার (২৯ জুন) মোগড়াপাড়া চৌরাস্তায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জনসমক্ষে তুলে ধরেন।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী রবিউল্লাহ জানান, স্থানীয় ওয়াস করনী নামের একজন ব্যক্তি ৫ আগস্টের পর থেকে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নানা ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তিনি নিয়মিতভাবে মাদক ও জুয়ার আসর বসিয়ে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছেন। এসব অপকর্মে বাধা দিলে রবিউল্লাহকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করা হয়। পাশাপাশি, তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

    রবিউল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, “ওয়াস করনী আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন করে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এমনকি একজন ব্যক্তি নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফোন করে টাকা দাবি করে।”

    তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, “আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে চাই, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক এবং এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনা হোক।”

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।