Category: সর্বশেষ

  • লাঙ্গলবন্দে তীর্থ মহাষ্টমী স্নান উপলক্ষে মহা সড়কে তীব্র যানজট

    লাঙ্গলবন্দে তীর্থ মহাষ্টমী স্নান উপলক্ষে মহা সড়কে তীব্র যানজট

    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ তীর্থ মহাষ্টমী স্নান উৎসব উপলক্ষে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ কাঁচপুর থেকে মেঘনা সেতুর টোলপ্লাজা পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে লাখ লাখ মানুষের আগমনের কারণে এ যানজট তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। এদিকে যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন কর্মস্থলে যাওয়া যাত্রীরা।
    সরেজমিনে দেখা গেছে, তীব্র যানজটের কারণে অধিকাংশ যাত্রীকে হেঁটে কর্মস্থলে যেতে দেখা গেছে। অনেকেই আবার তীব্র যানজটের কারণে বাসায় ফিরে যাচ্ছেন।
    বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মোহাম্মেল বলেন, মালিবাগ যাওয়ার জন্য ৩০ মিনিট আগে কাঁচপুর মোড় থেকে বাসে উঠেছি। কিন্তু রাস্তায় এত যানজট যে, বাস এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে।
    গার্মেন্টস শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘক্ষণ বাসে বসে আছি। কতক্ষণ রাস্তার এই অবস্থা থাকবে জানি না। তাই হেঁটেই গার্মেন্টসে যাব।কাঁচপুর হাইওয়ে থানার
    ওসি কাজী ওয়াহিদ মুর্শেদ জানান, ‘লাঙ্গলবন্দ স্নানকে ঘিরে পুণ্যার্থীদের আগমনে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপে এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের প্রায় ২০টি টিম মহাসড়কে কাজ করছে।
  • আজ থেকে বন্দরে ধর্মালম্বীদের দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু

    আজ থেকে বন্দরে ধর্মালম্বীদের দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু

    আজ থেকে বন্দরে ধর্মালম্বীদের দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: বন্দরে লাঙ্গলবন্দে হিন্দু ধর্মালম্বীদের দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান উৎসব শুরু হয়েছে। আদি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে স্নানোৎসব শুক্রবার বিকেল ৪টা ২১ মিনিট থেকে শুরু হয়েছে। শেষ হবে শনিবার বিকেল ৪টা ৫৬ মিনিটে।

    স্নানোৎসবকে ঘিরে ইতিমধ্যে ভারত, শ্রীলংকা, নেপাল ও ভুটানসহ দেশি বিদেশি থেকে পুণ্যার্থী স্নানোৎসবে আসা শুরু করেছে। এবার লাঙ্গলবন্দে স্নানোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদন করতে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। হে মহা ভাগ ব্রহ্মপুত্র, হে লৌহিত্য আমার পাপ হরণ কর’-এ মন্ত্র উচ্চারণ করে পাপ মোচনের আশায় ব্রহ্মপুত্র নদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা স্নানোৎসবে অংশগ্রহণ করবেন। স্নানের লগ্ন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুণ্যার্থীরা ডাব, দুর্বা, বেলপাতা ফলমূলসহ বিভিন্ন পূজার সামগ্রী নিয়ে পুণ্যস্নানে আদিকাল থেকেই অংশ করছেন।

    দুদিনব্যাপী এ স্নানোৎসবে পুণ্যার্থীর ঢল নামবে পুরো তীর্থস্থানের এলাকাজুড়ে। পাপমোচনের আশায় বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা পুণ্যার্থীদের পদচারণে মুখর হয়ে উঠেছে লাঙ্গলবন্দ এলাকা। কথিত আছে, ব্রহ্মপুত্রের জলের মাধ্যমে পাপমুক্ত হয়েছিলেন বিষ্ণুর অবতার পরশুরাম মুনি। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মনে করেন, মহাভারতের বর্ণনামতে পরশুরামমুনি পাপমুক্তির জন্য ব্রহ্মপুত্র নদে যে স্থানের জলে স্নান করেছিলেন, তা লাঙ্গলবন্দে অবস্থিত। সেই থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস এ সময়ে ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান খুবই পুণ্যের। এ স্নানের ফলে ব্রহ্মার সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যমে পাপমোচন হয়। এ বিশ্বাস নিয়ে সুদীর্ঘকাল ধরে পরশুরামের পাপ থেকে মুক্তি হওয়ার কথা স্মরণ করে শত শত বছর ধরে লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদে অষ্টমী স্নান অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

    লাঙ্গলবন্দ মহাষ্টমী স্নান উদযাপন কমিটি সরষ কুমার শাহা জানান, এবার ২০টি স্নান ঘাট পুণ্যার্থীদের জন্য সংস্কার করা হয়েছে। বিশুদ্ধ খাবারের জল সরবরাহের জন্য ১৬টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক কাপড় পরিবর্তন কক্ষ। ১৫০টি অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ করেছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের কচুরিপানা পরিস্কার করা হয়েছে। চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস, ৫টি মেডিকেল টিম ও নারায়ণগঞ্জ সিভিল সার্জন অফিস ১০ শয্যাবিশিষ্ট অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করেছেন। দর্শনার্থীদের সেবা নিশ্চিতে বেসরকারিভাবে ৬০টি সেবাক্যাম্প ও ৪০০ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন। প্রশাসনের পক্ষে পুরো ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ১০০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

     এদিকে নৌপুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ উৎসব ঘিরে রয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থায়। এবারও স্নানোৎসব উপলক্ষে লোকজ মেলা বন্ধ রাখার নির্দেশনা আরোপ করলেও রাস্তার দুপাশেই বসেছে লোকজ মেলা।

    পুণ্যার্থীদের স্নান ঘাট গুলো হলো-ললিত সাধুর ঘাট, নাসিম ওসমান কেন্দ্রীয় স্নানঘাট, গৌর বিষ্ণুপ্রিয়া স্নানঘাট, জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি স্নানঘাট, অন্নপূর্ণা স্নানঘাট, লাঙ্গলবন্দ রাজঘাট, মাকরী সাধুর শান্তি আশ্রম স্নানঘাট, গান্ধী ঘাট বা মহাশ্মশান স্নানঘাট, বরদেশ্বরী কালী ও শিব মন্দির স্নানঘাট, জয়কালী মন্দির স্নানঘাট, রক্ষা কালীমন্দির স্নানঘাট, পাষান কালীমন্দির স্নানঘাট, স্বামী দ্বিগিজয় ব্রহ্মচারী আশ্রম প্রেমতলা, শ্রী রামপুর জগদ্বন্ধু স্নান ঘাট (ব্রহ্মা মন্দির), দক্ষিণেশ্বরী কালী মন্দির স্নানঘাট, পরেশ মাহাত্মা আশ্রম স্নানঘাট, সাব্দী রক্ষা কালীমন্দির স্নানঘাট, সাব্দী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম স্নান ঘাট ও পঞ্চ পান্ডব স্নানঘাট (কালীগঞ্জ ঘাট) ও শ্রী প্রভুপাদ স্নানঘাট।

    নারায়ণগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপন বলেন, এবার স্নানোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটানসহ দেশ বিদেশের পুণ্যার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন। এবার আশা করা যাচ্ছে ১০ লাখের বেশি দর্শনার্থী এ স্নানোৎসবে অংশ নেবেন।

    বন্দর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোস্তাফিজ রহমান জানান, স্নান উৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের কচুরিপানা পরিষ্কার করা হয়েছে। স্নান ঘাটগুলো বাধাই কাজসহ কাপড় বদলানোর কক্ষ ও পর্যাপ্ত অস্থায়ী টয়লেটেরও ব্যবস্থা রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদা পোশাকে তৎপর রয়েছে। কন্ট্রেল রুম থেকে সকল কিছু মনিটরিং করা হচ্ছে। আমরা আশা করি খুব শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব সম্পন্ন করতে পারব।

    নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার জানান, হিন্দু ধর্মালম্বীদের স্নান উৎসবকে কেন্দ্র করে পুলিশ, র‍্যাব ও সাদা পোশাক সহ ১ হাজার ৫০০ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুরো এলাকাজুড়ে ১শ অধিক সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল বসানো হয়েছে। পুণ্যার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্নে করতে মহাসড়ক ও সড়কে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে পালন করতে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় তৎপর রয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে চাঁদা না দেওয়ায় কুপিয়ে জখম, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর

    সোনারগাঁয়ে চাঁদা না দেওয়ায় কুপিয়ে জখম, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর

    নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জেরে চাঁদার দাবিতে এক ওষধ ব্যবসায়ীকে হুমকি, ভাঙচুর ও কুপিয়ে মারাত্মকভাবে জখমের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার তালতলা পুলিশ ফাঁড়িতে আহত শাহ আলম নিজে বাদী হয়ে জামপুর পাকুন্দা এলাকার মৃত আফাজউদ্দিনের ছেলে আছাল উদ্দিন (৩৮) ও আশরাফ (৪০), আশরাফের ছেলে ফারুক (২৫), শাহজাহানের ছেলে রহিম (৩০), মৃত তোতা মিয়ার ছেলে লিমন ও (২৫) ইমন (২০) সহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

    তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকে বিভিন্ন সময় চাঁদা না পেয়ে হুমকি দিয়ে আসছিল আছাল বাহিনী। ১৫ দিন আগে আমাকে তুলে নিয়ে মারধর ও জিম্মি করে ৩টি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় তারা। পরবর্তী সময়ে গতকাল (বুধবার) আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এসে দাবিকৃত ৪ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে আমাকে দেশীয় অস্ত্র চাপাতি, কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। পরে আমার চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে চাঁদা না পেলে সুযোগ মতো পরবর্তী সময়ে পেলে পরিবারসহ হত্যা ও গুমের হুমকি দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

    তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক ফরমান আলী বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভাঙচুর করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে এসেছি। আসামিরা সবাই পলাতক, তাদেরকে দ্রুত তদন্ত পূর্বক আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলমান।

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ধরা পড়ছে ‘কুত্তা চেউয়া’, স্থানীয়রা নাম দিয়েছেন ‘রাজা চেউয়া’

    সোনারগাঁয়ে মেঘনায় ধরা পড়ছে ‘কুত্তা চেউয়া’, স্থানীয়রা নাম দিয়েছেন ‘রাজা চেউয়া’

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে সম্প্রতি ধরা পড়ছে একটি ব্যতিক্রমী ধরনের চেউয়া মাছ, যেটিকে স্থানীয় জেলেরা বলছেন ‘কুত্তা চেউয়া’। মাছটির অদ্ভুত চেহারা ও গঠন দেখে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন, আবার কেউ কেউ আগ্রহ নিয়ে কিনেও নিচ্ছেন। বৈদ্যেরবাজার ঘাটে গত কয়েকদিন ধরেই পাওয়া যাচ্ছে এই মাছগুলো।

    অনেকে এই মাছ চিনে বা না চিনে কিনে নিয়ে গেলেও বেশিরভাগ মানুষ একে ‘লাল চেউয়া’ বা ‘সাদা চেউয়া’ নামেই চিনে থাকেন। তবে এই ‘কুত্তা চেউয়া’ অন্যান্য চেউয়া মাছের তুলনায় দেখতে বেশ ভিন্ন হওয়ায় অনেকের মাঝেই রয়েছে বিভ্রান্তি। জেলেদের দাবি, এই ধরনের মাছ আগেও দেখেছি কিন্তু কুকুরে বাচ্চা যখন জম্ম হয় তখন সে বাচ্চা আর কুত্তা চেউয়ার মুখের সাদৃশ্য খুঁজে পান অনেকে সেজন্য এগুলো না খেয়ে ফেলে দিতো।

    শুরুতে মানুষ এই মাছ খেতে অনীহা প্রকাশ করলেও এখন অনেকেই এটিকে ‘রাজা চেউয়া’ নামে ডেকে আনন্দের সঙ্গে কিনে নিচ্ছেন। তবে কেউ কেউ আবার মাছটি কিনে রান্নার পর ফেলে দিচ্ছেন, কারণ ছোটবেলা থেকেই অনেকে শুনে এসেছেন—এই মাছ খেলে শরীরে ব্যথা হতে পারে।

    বৈদ্যেরবাজার ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী হালিম মিয়া জানান, আমরা এখন নিজের ভালো-মন্দ বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। যা আগে খাওয়ার অযোগ্য বলে মনে করা হতো, এখন সেটিই হয়ে উঠছে আকর্ষণীয়—শুধু নাম পাল্টে যাওয়ার কারণে। কুত্তা চেউয়া আগে খেলে নাকি শরীর ব্যাথা করতো সে কারনে কেউ খেতো না এখন অন্য চেউয়ার চেয়ে বেশি দামে কিনে নেয়।

    এ নিয়ে মাছ গবেষক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত এখনো পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়ভাবে এই ‘কুত্তা চেউয়া’ এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

  • সোনারগাঁয়ে ডাকাতির হুমকি, “সব কিছু রেডি রাখবি নয়লে কোপ দিমু”

    সোনারগাঁয়ে ডাকাতির হুমকি, “সব কিছু রেডি রাখবি নয়লে কোপ দিমু”

    সোনারগাঁওয়ে সাবেক কমিশনারের বাড়িতে ডাকাতির হুমকি

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণনগর গ্রামে সাবেক কমিশনার হাজী আমির হোসেন ভূঁইয়া ও দলিল লেখক আব্দুর রউফ ভূঁইয়ার বাড়িতে ডাকাতির হুমকি দিয়ে অজ্ঞাত চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    গত ২৫ মার্চ প্রথমবার এ ধরনের চিঠি ফেলা হয়, এরপর ১ এপ্রিল গভীর রাতে আবারও বাড়ির দেয়ালে হুমকিসংবলিত লেখা পাওয়া যায়। এতে উল্লেখ করা হয়, “আমরা ১৫-০৪-২০২৫ তারিখে আসবো, সব কিছু রেডি রাখবি, নইলে কোপ দিমু।”

    এ ঘটনায় আতঙ্কিত পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের কোনো শত্রুতা নেই, তবে জায়গা-জমি সংক্রান্ত একটি মামলা চলমান রয়েছে।

    সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মফিজুর রহমান বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • সোনারগাঁও জাদুঘরে দর্শনাথীদের ভীড়, অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ

    সোনারগাঁও জাদুঘরে দর্শনাথীদের ভীড়, অতিতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: ঈদের পরদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে এবার প্রায় ১২ হাজার দর্শনার্থী পরিবার-পরিজন নিয়ে জাদুঘর পরিদর্শনে এসেছেন।

    বাংলাদেশের একমাত্র কারুশিল্প ফাউন্ডেশন সোনারগাঁও জাদুঘর। এটি প্রথমে পানাম নগরীতে প্রতিষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে বড় সর্দার বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়। কিংবদন্তি শিল্পী জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দেশব্যাপী কারুশিল্প ও লোকশিল্পপ্রেমীদের আকৃষ্ট করে।

    প্রতিবছর ঈদের সরকারি ছুটি বাদ দিয়ে ঈদের দিন ও পরদিন দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘর উন্মুক্ত রাখা হয়। ঈদের টানা ছুটির পরপরই ভ্রমণপিপাসুদের ভিড় জমে এখানে। তবে এবারের দর্শনার্থীর সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

    জাদুঘরে ঘুরতে আসা দর্শনার্থী জাহেদুল ইসলাম বলেন, “পরিবার-পরিজন নিয়ে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ নিতে এখানে এসেছি। এত সুন্দর পরিবেশ ও কারুশিল্পের সমাহার সত্যিই অভূতপূর্ব।”

    এ বিষয়ে সোনারগাঁও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের লেকচারার মোয়াজ্জেম মাসুদ জানান, “আমরা প্রত্যেক বছর ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাই। এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা আগের যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আমরা সবার জন্য নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

    দর্শনার্থীদের এ বিপুল আগমনে সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আরও বেশি সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • দেড় দশক পর সোনারগাঁ থানা বিএনপির ‘ভয়হীন’ ঈদ

    দেড় দশক পর সোনারগাঁ থানা বিএনপির ‘ভয়হীন’ ঈদ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: বিগত ১৫ বছরের বেশি সময় ঈদ মানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের কাছে ছিল বাড়তি আতংক। ঈদ মানেই ছিল হামলা-মামলা, গ্রেফতার-হয়রানির ভয়। বহু নেতা-কর্মী নিজ বাড়িতে থেকে ঈদ উদযাপন করতে পারেননি। অনেকের ঈদ কেটেছে জেলে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে এবার ‘ভয়হীন’ স্বস্তির ঈদ উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা।

    দলটির নেতারা বলছেন, এবারের ঈদে কার্বন-ডাই অক্সাইডমুক্ত অক্সিজেনযুক্ত বাতাস যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা। বিগত সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে তাদের তটস্থ থাকতে হতো। এবার চমৎকার পরিবেশে নেতারা ঈদে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এবারের ঈদ নেতা-কর্মীদের জন্য স্বস্তির। মন খুলে পরিবার পরিজনকে নিয়ে ঈদ জামাতে যাচ্ছেন আবার সেখানে বক্তব্যও রাখছেন যা বিগত বছরগুলোতে অনেকে চুরের মতো গেছি চোরের মতো বাড়িতে লুকিয়ে থেকেছি।

    কেমন ছিল গত সাড়ে ১৫ বছর

    গত দেড় দশক ধরে বিএনপিসহ মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন করে তাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ছয় মাসের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। কোটা বাতিলের দাবিতে ওই আন্দোলন শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা সরকার পতনের আন্দোলনে গিয়ে দাঁড়ায়। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন নিশ্চিত করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট।

    এ দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের যাত্রায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা স্বাভাবিকভাবে কোনো জাতীয় বা ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেনি। ওয়ার্ড বা ইউনিট থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নামে ছিল হাজার হাজার মামলা। গ্রেফতার আতংকে অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা নিজ বাড়িতে রাত কাটাতে পারেনি। নানানভাবে তাদের হয়রানি করেছে কখনো পুলিশ কখনো ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। এখন অধিকাংশ রাজনৈতিক মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীরা অনেকটা মুক্ত। ঈদ কেন্দ্র করে অনেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

     

    ‘ভয়’ জয় করে ‘স্বস্তির ঈদ’

    এবারের ঈদ নিয়ে নিউজ সোনারগাঁ এ প্রতিবেদক কথা বলেছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। সবার বক্তব্যে উঠে এসেছে এবার নির্ভয়ে স্বস্তির সঙ্গে ঈদ উদযাপনের বিষয়টি।

     

  • ছন্নছাড়া সোনারগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ‘মানবেতর ঈদ’

    ছন্নছাড়া সোনারগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ‘মানবেতর ঈদ’

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

    * কর্মীদের ক্ষোভ নেতাদের ওপর•

    * নেতারা প্রকাশ করছেন অসহায়ত্ব•

    * জেলে ও দেশের বাইরে অধিকাংশ নেতা

    সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। মাত্র সাত মাস আগেও যে দলটির নেতা-কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতেন, আজ তারা ছন্নছাড়া, অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশ কারাগারে, অন্যরা রয়েছেন দেশের বাইরে। তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ঈদগাহে যাওয়ার কথাও ভাবতে পারছেন না, এমন মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি তারা আগে কখনো হননি।

    ‘স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবার মানবেতর ঈদ’

    উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, ‘১৯৭১ সালের পর এবার প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে মানবেতর ঈদ কাটাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরিবার ও স্বজনদের ছেড়ে থাকতে হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, শেখ হাসিনা আপা যেদিন দেশে ফিরবেন, সেদিনই আমরা ঈদ উদযাপন করবো।’

    পৌরসভা যুবলীগের এক নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দু:খ প্রকাশ করতে না পেরে প্রোফাইল ছবি কালো করে রেখেছেন।

    সাদিপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ওবায়দুল্লাহ বাদল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৫ আগস্টের পর বড় ভাইকে হারানোর কষ্ট আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে এবার ঈদ করতে পারছি না, যা অসহনীয়।’

    ‘কষ্টের সমুদ্র পার করছি’

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দেশের মাটিতে অবাধ বিচরণ বন্ধ করেছিল। আজ ২০২৪ সালে এসে আমরা আবার সেই পরিস্থিতির শিকার। লাখ লাখ নেতা-কর্মী মামলা, হামলা, জীবননাশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের হাত থেকে দেশ রক্ষা করতে পারলেই আওয়ামী লীগের জন্য আবার ঈদ ফিরে আসবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজীবন দল করেছি, মানুষের উপকার করেছি, কারও ক্ষতি করিনি। বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর চাকরির সুপারিশ করেছি, কারও মুক্তির জন্য আইনি সহায়তা দিয়েছি। তবুও শেষ বয়সে এসে জেল খাটতে হলো! ছেলে-মেয়েদের ছেড়ে বুড়োবুড়ি একা ঈদ করছি—এটা কি ঈদ? এটা কষ্টের সমুদ্র।’

    নেতা-কর্মীদের উদ্বেগ ও শঙ্কা

    আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বলছেন, নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, খোঁজ-খবরও নেওয়া হচ্ছে না। আবার শীর্ষ নেতারাও বলছেন, সবার অবস্থা একই—কে কাকে খুঁজবে?

    ঈদের আনন্দ ফিকে হয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের একটাই প্রত্যাশা—দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসা।

  • সোনারগাঁয়ে ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত

    সোনারগাঁয়ে ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১লা শাওয়াল) সকালে উপজেলার বিভিন্ন ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের ঢল নামে।

    সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সোনারগাঁ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ (মডেল মসজিদ) ময়দানে, যেখানে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন। নামাজ শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়, এর মধ্যে ঐতিহাসিক হাবিবপুর ঈদগাহ ময়দানর দুটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম জামাত সকাল ৮টায় মাওলানা কামাল হোসেন এবং দ্বিতীয় জামাত ৯টায় মাওলানা মহিউদ্দিন খাঁন এর ইমামতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বাড়ি মজলিশ হাফেজিয়া মাদ্রাসা, পিরোজপুর ঝাউচর ঈদগাহ, প্রতাপের চর ঈদগাহে বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রামাঞ্চলের মসজিদ ও ঈদগাহ ময়দানে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদ জামাতের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

    নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদ উপলক্ষে সোনারগাঁয়ের সর্বস্তরের মানুষ আনন্দঘন পরিবেশে দিনটি উদযাপন করছে।

  • সোনারগাঁয়ে ঈদুল ফিতরের জামাতের সময়সূচি প্রকাশ

    সোনারগাঁয়ে ঈদুল ফিতরের জামাতের সময়সূচি প্রকাশ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: এক মাস সিয়াম সাধনার পর আগামীকাল সোমবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মুসলিম উম্মাহ আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঈদের নামাজ আদায় করবে।

    সোনারগাঁয়ে ঈদের নামাজের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮:৩০টায় উপজেলা কেন্দ্রীয় মডেল মসজিদে।

    হাবিবপুর ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানে

    • প্রথম জামাত: সকাল ৮:০০টায়
    • দ্বিতীয় জামাত: সকাল ৯:০০টায়

    বাড়ি মজলিশ হাফেজিয়া মাদ্রাসা:

    • ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮:৩০টায়

    এছাড়া উপজেলার অন্যান্য মসজিদ ও ঈদগাহে সকাল ৮টা থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।

    ঈদ মোবারক! এছাড়া যে যার এলাকায় ঈদগাহ কমিটির সাথে যোগাযোগ করে জেনে নিতে পারেন।

  • বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও শেখ আবু হোসেন বাবুর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও ইফতার

    বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও শেখ আবু হোসেন বাবুর সুস্থতা কামনায় দোয়া ও ইফতার

    আব্দুল মজিদ, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আবু হোসেন বাবুর সুস্থতা কামনায় কপিলমুনি ইউনিয়ন নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এক আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে পাইকগাছার আগড়ঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কপিলমুনি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আবু হানিফ। সঞ্চালনায় ছিলেন কপিলমুনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিনারুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সোলাদানা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এস এম এনামুল হক। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য সচিব এস এম ইমদাদুল হক।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শেখ ইমদাদুল ইসলাম, কামাল আহম্মেদ সেলিম নেওয়াজ, শেখ সাদেকুজ্জামান, কাজী সাজ্জাদ আহম্মেদ মানিক, শেখ বেনজির আহম্মেদ লাল, সরদার ফারুক আহম্মেদ, অ্যাডভোকেট একরামুল হক, সুজিত কুমার মন্ডল, আমিনুল সরদার, সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সালাম মোড়ল, খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আব্দুস সামাদ গাজী, বিএনপি নেতা মো. মিজানুর রহমান, পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব আনোয়ারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম রহমত আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের যোগেশ্বর কার্তিক সানা, ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি বুলবুল আহমেদসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

    আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • সোনারগাঁয়ে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল সহ মাদক কারবারী আটক

    সোনারগাঁয়ে বিপুল পরিমান ফেনসিডিল সহ মাদক কারবারী আটক

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  সোনারগাঁয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ মোরছালিন (২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার।

    শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর হাবিব।

    এর আগে শুক্রবার রাতে সোনাপুরা শাকিনস্তর আহম্মদ নগর টিনশেড পরিত্যক্ত মাদ্রাসার ভিতর থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৬ কেজি গাজাঁসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত মোরছালিন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানা রোদুনাথপুর এলাকার মাহবুবের ছেলে, বর্তমানে সোনারগাঁ উপজেলায় বসবাস করে সে।

    ডিবি ইন্সপেক্টর হাবিব জানান, ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে জেলা শান্তি রক্ষার্থে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অপরাধীদের ধরার জন্য নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

    তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে সোনাপুরা শাকিনস্তর আহম্মদ নগর টিনশেড পরিত্যক্ত মাদ্রাসা ভিতর থেকে ২০০ বোতল ফেনসিডিল ও ৬ কেজি গাজাঁ সহ মোরছালিন কে গ্রেপ্তার করা হয়।

    তিনি আরও জানান, এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায় ঈদ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণ মাদক মজুদ করে খুচরা বিক্রি করার লক্ষ্যে তিনি পরিত্যক্ত মাদ্রাসায় রাখেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে শনিবার মাদক মামলায় নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়।

  • বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুট, ১০ জন আহত

    বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুট, ১০ জন আহত

    বন্দরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি সফর আলী (৫০) সহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের রামনগর ইস্পাহানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহতদের মধ্যে ইছাক (৪০), রশিদ (৪০), জহিরুল (৩২), শফিকুল (৪৫), মামুন (৩৫), ও বেলায়েত (১৬) নাম পরিচয় পাওয়া গেলেও অপর পক্ষের আহতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষনিক ভাবে জানা যায়নি।। আহতদের মারাত্মক অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এ ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা সফর আলীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ড সোনাচড়া এলাকার মৃত মো. আলী কিছু দিন পূর্বে তালতলা রি-রোলিং মিলে প্লেট পড়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে বাদী স্বামী সফর আলী ও এড. বিল্লাল হোসেন মধ্যস্থতায় মো. আলীর স্ত্রীকে দশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করেন।

    এরপর থেকে, মৃত মো. আলীর স্ত্রী থেকে কিছু ব্যক্তিরা চাঁদা দাবি করতে থাকে। এই চাঁদা দাবির ঘটনা জানতে পেরে বাদী সফর আলী প্রতিবাদ করলে, রাসেল ও আল আমিন গংদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তর্কাতর্কী হয়। এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার বিকেলে রামনগর ইস্পাহানী এলাকায় রাসেল, আল আমিন, অমানত, মনির, মামুন ডাকাতসহ অজ্ঞাত নামা ৫-৭ জন সন্ত্রাসী ধারালো দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সফর আলী’র বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বসত বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ভাংচুর করে এবং ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বন্দর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

  • বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুট, ১০ জন আহত

    বন্দরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুট, ১০ জন আহত

     

    বন্দরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি সফর আলী (৫০) সহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টায় বন্দর থানার ২৬ নং ওয়ার্ডের রামনগর ইস্পাহানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহতদের মধ্যে ইছাক (৪০), রশিদ (৪০), জহিরুল (৩২), শফিকুল (৪৫), মামুন (৩৫), ও বেলায়েত (১৬) নাম পরিচয় পাওয়া গেলেও অপর পক্ষের আহতদের নাম পরিচয় তাৎক্ষনিক ভাবে জানা যায়নি।। আহতদের মারাত্মক অবস্থায় উদ্ধার করে বন্দর ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এ ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা সফর আলীর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে শনিবার (২৯ মার্চ) দুপুরে বন্দর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ড সোনাচড়া এলাকার মৃত মো. আলী কিছু দিন পূর্বে তালতলা রি-রোলিং মিলে প্লেট পড়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে বাদী স্বামী সফর আলী ও এড. বিল্লাল হোসেন মধ্যস্থতায় মো. আলীর স্ত্রীকে দশ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করেন।

    এরপর থেকে, মৃত মো. আলীর স্ত্রী থেকে কিছু ব্যক্তিরা চাঁদা দাবি করতে থাকে। এই চাঁদা দাবির ঘটনা জানতে পেরে বাদী সফর আলী প্রতিবাদ করলে, রাসেল ও আল আমিন গংদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও তর্কাতর্কী হয়। এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার বিকেলে রামনগর ইস্পাহানী এলাকায় রাসেল, আল আমিন, অমানত, মনির, মামুন ডাকাতসহ অজ্ঞাত নামা ৫-৭ জন সন্ত্রাসী ধারালো দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সফর আলী’র বাড়িসহ বেশ কয়েকটি বসত বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা বেশ কয়েকটি বাড়ি ব্যাপকভাবে ভাংচুর করে এবং ১০ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।

    এ ঘটনায় বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    বন্দর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

     

  • সোনারগাঁয়ে মালেক ব্যাপারীর ইন্তেকাল

    সোনারগাঁয়ে মালেক ব্যাপারীর ইন্তেকাল

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ের মুলি বাঁশ ব্যাবসার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী মোঃ মালেক ব্যাপারী বার্ধক্য জনিত কারণে গতকাল শনিবার সকালে সোনারগাঁও পৌরসভার কৃষ্ণপুরা গ্রামের নিজ বাড়ীতে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহ…….. রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। এসময় তিনি স্ত্রী সহ ৬ মেয়ে ও ২ ছেলে সহ বহু আত্মীয়-স্বজন রেখেগেছেন। পরে মরহুমের লাশ সোনারগাঁ উপজেলা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাজা শেষে কৃষ্ণপুরা কবরস্থানে দাফন করা হয়।

    মরহুম মালেক ব্যাপারীর মৃত্যুতে রীভা গ্রন্থাগারের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সোনারগাঁ প্রতিনিধি ফজলে রাব্বী সোহেল, কৃষ্ণপুরা অনির্বান সংসদের আহবায়ক মিলন আব্দুল প্রধান, প্রথম যুগ্ম-আহবায়ক আতা রাব্বী জুয়েল, কৃষ্ণপুরা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সংস্থা সহ বিভিন্ন সংগঠন শোক প্রকাশ করে।

  • সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঈদ উপহার বিতরণ

    সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ঈদ উপহার বিতরণ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ভিটিপাড়া এলাকায় এ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়। এসময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা প্রচারপত্র বিলি করা হয়।

    সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সালাউদ্দিন সালুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল।

    নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল্লাহ মিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ ছিলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিক দেওয়ান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাজী সাইফুল ইসলাম, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান শামীম, সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাজী পিয়ার হোসেন নয়ন, যুগ্ম আহবায়ক শফিক ভূইয়া, সদস্য এজাজ ভূইয়া, নোয়াগাও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

    প্রধান অতিথি ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল বলেন, বিগত ১৬ বছর ফ্যাসিস্ট সরকারের কারণে সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার বঞ্চিত হয়েছে। দিনের ভোট আগের দিন রাতেই শেষ করে বাক্স ভর্তি করে রেখেছে। হাসিনা ও তার দোষরা পালিয়ে যাওয়ার কারণে দেশে গনতন্ত্র ফিরে আসবে। মানুষের ভোটের অধিকার ফিরে পাবে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন হলে দেশ একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

    এসময় দুই শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।