Blog

  • সোনারগাঁয়ে লম্বা হচ্ছে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা

    সোনারগাঁয়ে লম্বা হচ্ছে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সংখ্যা

    নিউজ সোনারগাঁ: আওয়ামীলীগ সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা গত ৫ তারিখে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর ক্ষমতা নেন অন্তভর্তি সরকার। অন্তভর্তি সরকারের প্রায় ১০ মাস অতিবাহিত হলে দেশের নির্বাচনের জন্য বিএনপি সহ অন্যান্য সমামনা দলগুলো নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। গত মাসে অর্ন্তবতিকালীন সরকারের প্রধান লন্ডনে তারেক জিয়ার সাথে বৈঠক করে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভব্য তারিখ ঘোষনা করেছেন। এদিকে সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁয়ে ধানের শীর্ষের মনোনয়ন প্রার্থির সংখ্যাও লম্বা হচ্ছে। বর্তমানে সোনারগাঁয়ে হাফ ডজনের বেশী মনোনয়ন প্রত্যাশী মনোনয়নের জন্য মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম, সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লার সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান, ওয়ালিউর রহমান আপেল, ওয়াহিত ইমতিয়াজ বকুল, আশা ইস্কান্দার ও মুজাহিদ মল্লিক। তবে আশা ইস্কাদার এর বিষয়টি এখনো পরিস্কার না হলে চাউর আছে তিনি জিয়া পরিবারের ও সোনারগাঁয়ের মেয়ে পুত্রবধূ হওয়ায় তার নাম সামনে আসছে।

    দলীয় সুত্রে জানা গেছে, সোনারগাঁয়ে যে ৭জন বিএনপি থেকে মনোনয়নের জন্য মাঠে গণসংযোগ করছেন তাদের মধ্যে অন্যতম আছেন সাবেক এমপি ও মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিম। রেজাউল করিম বিগত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম ও নেতাকর্মীদের পাশে দেখা না গেলেও ৫ই আগষ্টের পর তিনি মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। বিগত দিনে তিনি তিনবারের এমপি ছিলেন সে কারণে দলীয় নেতাদের পরিচিত মুখ আর সে কারণে রেজাউল করিমের মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করছেন। তবে বয়সের কারণে তিনি আগের মতো দলের নেতৃত্ব ও সভা সমাবেশে উপস্থিত কথা ও চলাচল করতে পারেন না বলে জানান নেতাকর্মীরা।

    এদিকে, ফতুল্লা সিদ্ধিরগঞ্জের সাবেক এমপি ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য গিয়াসউদ্দিন সোনারগাঁ থেকে মনোনয়নের জন্য সোনারগাঁয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক শুরু করেছেন। গত কয়েকদিন ধরে তিনি তার সমর্থকদের নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। তিনি জানিয়েছেন দলের হাইকমান্ড যদি তাকে সোনারগাঁ থেকে মনোনয়ন দেন তাহলে তিনি এখান থেকে ধানের শীষ প্রতিকে মাঠে লড়বেন।

    মনোনয়নের জন্য দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে মাঠে থেকে আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন থানা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি গত ১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকে সোনারগাঁ থেকে নির্বাচন করেছিলেন। মান্নান দু:সময়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে হামলা মামলা ও জেল জুলুমের শিকার হয়েছেন।  সে কারণে তিনি শতভাগ আশাবাদি দল তাকে এবারও মুল্যায়ন করবে। যদি ৫ তারিখের পর তার নেতাকর্মীদের কর্মকান্ড কিছুটা বির্তকিত হয়েছেন তারপরও মনোনয়নের বিষয়ে তিনি শতভাগ আশাবাদি।

    ওয়ালিউর রহমান আপেল তিনি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরী শেষ করে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। বিগত সময়গুলোতে সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে মাঠে না থাকলে প্রতিবারই মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করেছেন। এছাড়া সে বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বন্ধু ও সর্স্পকে ভায়েরা। সে হিসেবে এবারও তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী।

    অপরদিকে, মনোনয়নের জন্য মাঠে কাজ করছেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিত বিন ইমতিয়াজ বকুল। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত ও কেন্দ্রীয় নেতা ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে ব্যক্তিগত সর্স্পক। তার হাতে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ। নেতা হিসেবেও তিনি স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন। সে কারণে মনোনয়নের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে সোনারগাঁয়ে সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন।

    এদিকে, নতুন করে নাম শোনা যাচ্ছে আশা ইস্কাদারের নাম। যিনি শহীদ জিয়া পরিবারের সদস্য ও আহসানউল্লাহ মনির ছেলের বউ। জিয়া পরিবারের হওয়ায় তিনি নাকি সোনারগাঁয়ের বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করবেন বলে চাউর আছে। তবে তিনি সোনারগাঁবাসীর কাছে একেবারেই অপরিচিত মুখ।

     

    এদিকে, মান্নানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুজাহিদ মল্লিক আজহারুল ইসলাম মান্নানকে ছেড়ে এবার নিজেই মনোনয়নের জন্য মাঠে নেমেছেন। গত কয়েকদিন আগে মুজাহিদ মল্লিক নিজেই ধানের শীষের মনোনয়নের জন্য ঘোষনা দিয়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    বিএনপির সূত্র মতে, চূড়ান্ত মনোনয়ন কে পাবেন তা নির্ধারণ করবেন দলের হাইকমান্ড। তবে ইতোমধ্যে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মাঠপর্যায়ে তৎপরতা নির্বাচনী আবহ তৈরি করছে।

  • সোনারগাঁয়ে এক কিলোমিটারে তিনটি অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন

    সোনারগাঁয়ে এক কিলোমিটারে তিনটি অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন

    সোনারগাঁয়ে এক কিলোমিটারে তিনটি অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন! প্রশাসনের চোখের সামনেই আইন লঙ্ঘন

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ব্যস্ততম সড়ক মোগরাপাড়া থেকে বৈদ্যেরবাজার পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশটি এখন অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইনের কবলে। মাত্র এক কিলোমিটার এলাকায় তিনটি স্থানে রাস্তা কেটে অবৈধভাবে বসানো হয়েছে বালুবাহী পাইপ, যা সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত এবং জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    সরকারি অফিসের সামনেই পাইপলাইন!

    তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, নিম্নোক্ত তিনটি স্থানে পাইপ বসানো হয়েছে—
    ১. সোনারগাঁ থানার সামনে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে
    ২. হাতকোপা এলাকায়, রাস্তার নিচ দিয়ে
    ৩. পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সংলগ্ন, বৃহৎ পাইপলাইন স্থাপন

    স্থানীয়রা জানান, এসব পাইপলাইন সাধারণ মানুষের চলাচলে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করছে। স্কুলগামী শিক্ষার্থী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীদের যাতায়াতে নিত্যদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

    গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটির দুই পাশে রয়েছে—

    • সোনারগাঁ থানা
    • উপজেলা পরিষদ
    • এসিল্যান্ড অফিস
    • উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
    • পল্লী বিদ্যুৎ অফিস
    • স্থানীয় আদালত
    • সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
    • একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    • ব্যাংকসহ সরকারি-বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান

    নিম্নমানের রাস্তার কাজ, তদারকির অভাব

    রমজান মাসে শুরু হওয়া সড়ক সংস্কার কাজ তড়িঘড়ি করে শেষ করতে গিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা জানান, কাজের সঠিক তদারকি না থাকায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলছে না।

    আইনের দৃষ্টিতে এসব কার্যক্রম গুরুতর অপরাধ

    • দণ্ডবিধি ১৮৬০
      • ধারা ৪২৭: সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি – ২ বছর জেল
      • ধারা ৪৩০: জনসাধারণের ব্যবহারের রাস্তায় ক্ষতি – ৫ বছর জেল
    • ভূমি ব্যবহার ও সংরক্ষণ আইন, ২০০১: সরকারি জমিতে অবৈধ কার্যক্রম – ২ বছর জেল বা মোটা অংকের জরিমানা
    • পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০): পরিবেশ ক্ষতির জন্য – ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা জেল
    • সওজ নীতিমালা: অনুমতি ছাড়া রাস্তা কাটা সম্পূর্ণ অবৈধ, উচ্ছেদ ও ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিধান রয়েছে

    প্রশাসনের নীরবতায় প্রশ্ন জনমনে

    পাইপলাইন স্থাপন করা হয়েছে এমনকি থানার সামনে এবং এসিল্যান্ড অফিস সংলগ্ন এলাকাতেও, অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—এটা কি প্রশাসনিক ব্যর্থতা, না কি প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব হচ্ছে?

    সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য

    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন,

    “সড়কে পাইপ বসানো নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মঞ্জুরুল মোর্শেদ-এর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

    এছাড়া সওজের নারায়ণগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার-এর সাথেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।


    জনদাবি:

    ✅ অবৈধ পাইপলাইন দ্রুত অপসারণ
    ✅ রাস্তা কাটা ও নিম্নমানের কাজের তদন্ত
    ✅ ঠিকাদার ও সওজ কর্মকর্তাদের জবাবদিহি নিশ্চিত
    ✅ জনসাধারণের চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত
    ✅ প্রশাসনের জোরালো ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ গ্রহণ


    বর্তমানে এলাকাবাসীর প্রধান দাবি—আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
    প্রশাসনের নীরবতা দীর্ঘমেয়াদে জনজীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

    “আইন যদি সবার জন্য সমান হয়, তবে এই বেআইনি কাজের দায় কোনোভাবেই এড়ানো চলবে না”—মন্তব্য করেছেন এক স্থানীয় বাসিন্দা।

  • সোনারগাঁয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর হাতুড়াপাড়া এলাতায় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার ভূক্তভোগীর মা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলো জামপুর ইউনিয়নের হাতুরাপাড়া এলাকার আব্দুল্লাহ, লাল চান মিয়া এবং ফয়েজ ভূঁইয়া।

    জানা যায়, সাদিপুর ইউনিয়নের একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফিরছিল। পথে অভিযুক্ত আব্দুলাহ কাঁঠাল খাওয়ানোর কথা বলে তার বাসায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আব্দুল্লাহ ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক তার ঘরে নিয়ে আটকে ফেলে। এক পর্যায়ে অন্য আরও দুই সহযোগীকে ফোনে ডেকে নিয়ে তিনজন মিলে ভূক্তভোগীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ভূক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আইনের আশ্রয় নিলে তার পরিবারের সকল সদস্যকে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। ভূক্তভোগীর মা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় রান্নার কাজ করেন।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভূক্তভোগীর মাকে (বাদী) ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী সাত্তার ও আক্কাস আলীর নেতৃত্বে একটি দল। ভূক্তভোগী পরিবারকে এক লাখ টাকা দিয়ে ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

    ভূক্তভোগী ওই ছাত্রীর বোন জামাই মো.আমিনুল ইসলাম বলেন, তার স্ত্রীর ছোট বোনকে তিনদিন আগে স্কুল থেকে ফেরার পথে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ তার পথ আটকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। ওইসময় আব্দুল্লাহ বলেছিল যে আব্দুল্লাহর স্ত্রী তার জন্য কাঁঠাল রেখেছে। এ কথা মতো ওই ছাত্রী আব্দুল্লাহর সঙ্গে তার বাসায় যান। সেসময় তার স্ত্রী বাসায় ছিলো না। আব্দুল্লাহর স্ত্রীর কথা জানতে চাইলে আব্দুল্লাহ কোন উত্তর না দিয়ে মুখ ও হাত পা বেধে তার দুই সহযোগীকে ফোন দিয়ে বাসায় নিয়ে যায়। পরে তারা তিনজন মিলে জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে তার শ্বাশুড়ি এ ঘটনা শুনে তালতলা ফাঁড়িতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের তিন দিন হলেও তারা কোনো সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন। ঘটনাটিকে টাকার বিনিময়ে মিমাংসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করেন। এমন কিছু হলে অবশ্যই তিনি জানতেন। এটা অপ প্রচার।

    তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় বাদী অভিযোগ করলেও মামলা দায়েরের বিষয়ে তাদের কোনো আগ্রহ নেই। তিনি সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বাদি ও তার পরিবারের কাউকে তিনি পাননি। টাকার বিনিময়ে মিমাংসার বিষয়ে তিনি বলেন, তার এ সম্পর্কে জানা নেই। তবে পরিদর্শন করেছেন।

    ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়ে অভিযুক্ত আক্কাস আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন। তিনি এ ঘটনার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

    তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক (ইনচার্জ) আব্দুল হক বলেন, ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত না। এসআইয়ের সঙ্গে কথা বলে জেনে বিস্তারিত বলতে পারবেন।

    সোনারগাঁ থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ধর্ষণের আসামীদের ধরতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

  • নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

    নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

    নিউজ সোনারগা: মেঘনা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং।

    পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ.এইচ.এম রাসেদ ও সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন।

    পরিদর্শনকালে সোনারগাঁও সীড ক্রাশিং মিলস লিমিটেড ও মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড-এর ইটিপি আউটলেট থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি কারখানাগুলোর সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ু ও পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ইটিপি’র কার্যকারিতা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবির বলেন, “শিল্প উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।”

    পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • সোনারগাঁয়ে অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লালের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    সোনারগাঁয়ে অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লালের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও ত্যাগী নেতা বিল্লাল মোল্লার দীর্ঘদিনের অসুস্থতার খবর শুনে তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১নং সহ-সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আল মুজাহিদ মল্লিক।

    ৬ জুলাই (রবিবার) দুপুরে বারদী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া এলাকায় বিল্লাল মোল্লার নিজ বাড়িতে গিয়ে তিনি খোঁজখবর নেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক, অধ্যাপক কবির মৃধা, জামপুর ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহিন, সোনারগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, জামপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

    বিল্লাল মোল্লাকে একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী নেতা হিসেবে উল্লেখ করে আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন,

    “আন্দোলন-সংগ্রামে বিল্লাল মোল্লা সবসময় সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে থেকেছেন। আজ তিনি অসুস্থ হয়ে ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছেন—এটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। তার চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার আমি বহন করবো এবং ভবিষ্যতেও তার সুস্থতা নিশ্চিত করতে সার্বিক সহযোগিতা করবো।”

    তিনি বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান,

    “আসুন, আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এই ত্যাগী নেতার পাশে দাঁড়াই।”

    এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সোনারগাঁর স্থানীয় নেতাকর্মীরাও।

  • সোনারগাঁয়ের মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজা ও তার মেয়েকে গাঁজাসহ আটক

    সোনারগাঁয়ের মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজা ও তার মেয়েকে গাঁজাসহ আটক

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজা (৬৫) ও তার মেয়ে লিপি আক্তারকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রোববার দুপুর দেড়টায় উপজেলার সোনারগাঁও পৌরসভার টিপরদী বসুরবাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ থানার এসআই মোঃ শহিদুল ইসলাম।

    পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, টিপরদী গ্রামের ব্যবসায়ী মোক্তার হোসেনের ফুফু সবুজা আক্তার প্রায় ৪০ বছর যাবত এলাকায় রমরমা মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে। এ ব্যাপারে তার ভাই ও ভাতিজারা সহযোগিতা করে আসছে। কেউ কেউ সবুজার মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে অর্থের পাহাড় গড়েছেন বলেও এলাকায় জানা যায়। বিভিন্ন সময় মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজাকে পুলিশ গ্রেফতার করলেও ওই স্বজনদের সহযোগিতায় কারাগার থেকে বের হয়ে আবারো পুরনো ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন।
    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজা আক্তার ও তার স্বজনদের গড়ে তোলা মাদক সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে উল্টো তাদেরকে মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। একই সাথে তার বাড়িতে এলাকার চিহ্নিত অনেক ব্যবসায়ীদের নিয়মিত যাতায়াতের কারণে ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায় না বলে জানান।
    গ্রামবাসী আরো বলেন মাদক সম্রাজ্ঞী সবুজা ও তাকে সহায়তাকারী স্বজনদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

    এ ব্যাপারে সোনারগাঁ থানার এস আই মোঃ শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গাঁজাসহ সবুজা আক্তার ও তার মেয়ে লিপি আক্তার কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া গাজার পরিমাপ করা হয়নি। তিনি আরো জানান থানার অন্য একটি বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে এই বিষয়ে বিস্তারিত বলতে পারছেন না।

  • সোনারগাঁয়ে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    সোনারগাঁয়ে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করলেন আল মুজাহিদ মল্লিক

    পরিমল বিশ্বাস:

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রূপরেখা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোনারগাঁয়ে শোডাউন ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আল মুজাহিদ মল্লিক।

    শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে সাদিপুর ইউনিয়নের নয়াপুর বাজারে দোকানপাট, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন তিনি। এ সময় তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে সকলকে বিএনপির পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান।

    এই কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন—
    উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সেলিম সরকার, সাদিপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি জয়নাল মীর, সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিক ভুঁইয়া, তাঁতী দল সাদিপুর ইউনিয়নের সভাপতি শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক হানিফ, জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তাহের আলী, সুলতান আল মামুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, সোনারগাঁ সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহিম, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক গাফফার, বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম সিকদার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম সরকার, যুবদল নেতা নুর নবী, তাঁতী দল নেতা জাকির হোসেন, ৭ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মহসিন সরকার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান রঞ্জুসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন,

    “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি ছাত্র আন্দোলনের মাঠ থেকে উঠে এসেছি। আন্দোলনে অনেক নেতা-কর্মী প্রাণ দিয়েছেন, কেউ আহত হয়েছেন। স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলাম। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তাহলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটি দলকে উপহার দেবো। আর যদি মনোনয়ন না পাই, তাহলে দলের যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, তার পক্ষেই সকলে মিলে কাজ করবো।”

    তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু সুস্থতা কামনা করেন এবং সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

  • জামায়াত-শিবির কর্মীদের গায়ে হাত উঠলে ঐ হাত আর হাতের জায়গায় থাকবেনা

    জামায়াত-শিবির কর্মীদের গায়ে হাত উঠলে ঐ হাত আর হাতের জায়গায় থাকবেনা

    নিউজ সোনারগাো:: নারায়ণগঞ্জ-৩, সোনারগাঁ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সম্ভাব্য এমপিপ্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ পক্ষ উপলক্ষ্যে সনমান্দী ইউনিয়ন জামায়াত আয়োজিত গণসংযোগ ও পথসভায় এ বক্তব্য রাখেন।

    শুক্রবার ৪ জুলাই বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ শেষে দরিকান্দি বাসস্ট্যান্ডে পথসভা করা হয়েছে।

    পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও এডুকেশন সোসাইটির পরিচালক, নারায়ণগঞ্জ -৩, সোনারগাঁ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া বলেন- ফ্যাসিষ্টদের আর কোন কার্যক্রম করতে দেওয়া হবেনা ফ্যাসিষ্টদের ফ্যাসিজমের কার্ক্রমে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করা হলো।

    তিনি আরো বলেন, সোনারগাঁয়ে কোনপ্রকার চাঁদাবাজি থাকবে না। কেউ যদি অন্যায় অত্যাচার করতে চায় আর কাউকে অন্যায় করার সুযোগ দেওয়া হবেনা। জামায়াত ও শিবিরের কর্মীদের গায়ে যদি হাত তোলা হয়,তাহলে ঐ হাত কিন্তু আর হাতের জায়গায় থাকবেনা।

    এ সময় থানা আমির মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে গণসংযোগ ও পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সোনারগাঁ দক্ষিন শাখার আমীর মো. মাহবুবুর রহমান, সোনারগাঁ দক্ষিন শাখার সেক্রেটারী মো. আসাদুল ইসলাম, সনমানদী ইউনিয়নের আমীর মাওলানা মোমিনুল ইসলাম ও সেক্রেটারী মাওলানা বেলাল শাহ সহ বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীরা।

  • সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সদস্য নবায়ন ও ফরম বিতরণ কার্যক্রম

    সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সদস্য নবায়ন ও ফরম বিতরণ কার্যক্রম

    নিউজ সোনারগাঁ ::  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির প্রাথমিক সদস্য নবায়ন ও সদস্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৪ জুলাই, শুক্রবার সোনারগাঁ উপজেলার সাহাপুর এলাকায় অবস্থিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনারগাঁও পৌর বিএনপির সভাপতি হাজী শাহজাহান মেম্বার। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মোশাররফ হোসেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন:

    • পৌর বিএনপির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর
    • সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান সেন্টু
    • ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইসলাম প্রধান
    • বিএনপি নেতা হাজী শাহজালাল, বকুল সাহেব ও জাহের উদ্দিন
    • পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলন
    • ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আলাউদ্দিন
    • পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন
    • বিএনপি নেতা রফিক ও সজিব
    • যুবদল নেতা মাসুদ, জামান ও শহিদ মিয়া প্রমুখ

    বক্তারা বলেন, বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও সুদৃঢ় করতে সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের কার্যক্রম দলের প্রতিটি স্তরে গণসংযোগ এবং ঐক্য বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে সদস্য ফরম বিতরণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

  • মোটর সাইকেল কিনে না দেয়ায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে হত্যা

    মোটর সাইকেল কিনে না দেয়ায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে বাবাকে হত্যা

    নিউজ সোনারগাঁ: আড়াইহাজারে মোটরসাইকেল কেনার টাকা চেয়ে না পেয়ে বাবা মো. মাহবুবকে (৫০) হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলে মো. ইয়াসিনের (২২) বিরুদ্ধে। শুক্রবার (৪ জুলাই) সকালে উপজেলার বিশনন্দী ইউনিয়নের পূর্বপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, সকালে ইয়াসিন তার বাবার কাছে মোটরসাইকেল কেনার জন্য টাকা দাবি করেন। বাবা মাহবুব এতে রাজি না হলে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইয়াসিন উত্তেজিত হয়ে বাবাকে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় মাহবুবকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

     

    নিহত মাহবুব কৃষিকাজ করতেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াসিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিকভাবে বিভিন্ন সময়ে তাকে নিয়ে সমস্যা দেখা দিত।

     

    আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে ইয়াসিন পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।

  • নোয়াগাঁওয়ে আহত নেতাদের দেখতে গেলেন অধ্যাপক বকুল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা

    নোয়াগাঁওয়ে আহত নেতাদের দেখতে গেলেন অধ্যাপক বকুল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির ৩১ দফা প্রচার কার্যক্রম শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের হামলার শিকার হয়েছেন। আহতরা হলেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. ফারুক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. সাগর।

    ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে, লাধুরচর-সংলগ্ন চৌরাপাড়া কাঠের ব্রিজ এলাকায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকারের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনের একটি সশস্ত্র দল অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়।

    স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। তবে সাগরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    আহত মো. ফারুক বলেন, “হামলাকারীরা এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আমরা এর প্রতিবাদ করায় তারা আগেও হুমকি দিয়ে আসছিল। এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত।”

    এ ঘটনায় ফারুক শনিবার সকালে সোনারগাঁও থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    হামলার খবর শুনে শনিবার বিকেলে আহতদের বাড়িতে ছুটে যান সোনারগাঁও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল এবং সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। তারা হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করেন।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ওসি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে, দোষীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী

    সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী

    সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বৃক্ষ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতার বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চৌরাপাড়া কবরস্থানে এ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী পালন করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।

    বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু,  সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাজী পিয়ার হোসেন নয়ন, যুগ্ম আহবায়ক আতিক হাসান লেনিন, সোনারগাঁ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এজাজ ভূঁইয়া, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সানোয়ার হোসেন, যুবদল নেতা রুবেল নিলয়, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শহীদুল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা বাবু, আশিকুর রহমান আশিক, আমিনুল ইসলাম প্রমূখ।

    বৃক্ষ রোপন শেষে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রয়াত দেলোয়ার হোসেনের মাগফেরাত কামনা দোয়া ও কবর জিয়াত করেন।

  • সোনারগাঁ জি আর স্কুলে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশি তৎপরতা জোরদার

    সোনারগাঁ জি আর স্কুলে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশি তৎপরতা জোরদার

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল এন্ড কলেজে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি দল প্রতিষ্ঠানটির সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    পুলিশ সদস্যরা স্কুল ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় অযৌক্তিকভাবে অবস্থান করা বহিরাগতদের ব্যাপারে সতর্ক করেন এবং মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

    সম্প্রতি স্কুল অভ্যন্তরে রাতের বেলায় মাদকসেবীদের কর্মকাণ্ডে একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশি নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানটির গভর্নিং বডির সভাপতি তুহিন মাহমুদের উদ্যোগে এই পুলিশি টহলের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তিনি বলেন, “সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে কোনো ধরনের মাদক সেবন বা ইভটিজিং মেনে নেওয়া হবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মফিজুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সুরক্ষায় পুলিশ সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো বহিরাগত অকারণে স্কুলের সামনে অবস্থান করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্কুল বন্ধ থাকা অবস্থায় কেউ প্রতিষ্ঠানে ঢুকে মাদক সেবন বা অন্য কোনো আইনবিরোধী কার্যকলাপ করলে তাদেরও কঠোরভাবে দমন করা হবে।”

    সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল নিয়মিতভাবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টহল অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে জামাতা গ্রেপ্তার

    শ্বাশুড়ি হত্যার অভিযোগে জামাতা গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে শ্বাসরোধে হত্যাকাণ্ড: প্রধান আসামি নান্টু গ্রেফতার

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফাতেমা বেগম (৫০) নামে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি মোঃ রাশেদুল ইসলাম নান্টুকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাতে সোনারগাঁওয়ের টিপরদী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত নান্টু পুরান টিপরদীর কাজীবাড়ির মৃত কাজী আব্দুল কাশেমের ছেলে।

    র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর সকালে সোনারগাঁওয়ের বস্তুল গ্রামে রাস্তার পাশ থেকে ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগের দিন বিকেলে নান্টু তাকে ব্যাংকে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ফাতেমার খোঁজ না পেয়ে পরদিন থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরে রাস্তার পাশে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

    তদন্তে উঠে আসে, এনজিওর ঋণের জামিনদার ছিলেন ফাতেমা বেগম। সেই ঋণ মওকুফের উদ্দেশ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পালিয়ে যায় নান্টু। ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর-২১, তারিখ: ২৩/৯/২৪, ধারা: ৩০২/২০১/৩৪)।

    গ্রেফতারকৃত নান্টুকে সোনারগাঁ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সোনারগাঁও উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন

    সোনারগাঁও উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি গঠন

    নিউজ সোনারগাঁ: বিএনপি’র সহযোগী সংগঠন জিয়া পরিষদের সোনারগাঁও উপজেলা শাখার ৫১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহবায়ক করা হয়েছে আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলমগীর হোসেনকে এবং সদস্য সচিব করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার মেহেদী হাসানকে। নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি রোটারিয়ান নাজির আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক কাজী কামরুল ইসলাম কামাল এ কমিটির অনুমোদন দেন।

    কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে, সান্মান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বাহাউদ্দিন বাহার, এসএম বদরুল হাসান বাবু, রমজান ভূইয়া, হাবিবুর রহমান, জাকির হোসেন, মেহেদী হাসান, মোঃ আফজাল, এনামুল হক, সোহরাব হোসেন ভূঁইয়া, নুরুল হক মোল্লা, হুমায়ুন কবির, হালিম, মোঃ ইব্রাহিম ও আমির হোসেনকে।

  • সোনারগাঁয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার মুল আসামী গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে যুবককে গলা কেটে হত্যার মুল আসামী গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে রতন নামে এক যুবককে গলাকেটে হত্যার মামলার প্রধান অভিযুক্ত ইয়ানুছকে (৪০) আটক করেছে র‌্যাব-১১। বুধবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার আরাজী কদমতলা এলাকা থেকে এক অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

    আটককৃত ইয়ানুছ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার বরাব মুগড়াকুল এলাকার মৃত নবুর ছেলে।

    নিহত রতন কাঁচপুর এলাকার মো. মালেক মোল্লার ছেলে। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সোনারগাঁয়ের নাওড়া বিটা এলাকার দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

    স্থানীয়রা গণমাধ্যমে জানায়, গত ১৭ জুন (মঙ্গলবার) সকালে সোনারগাঁয়ের ভারগাঁও এলাকার ওলামা নগর খালপাড়ের বেরিবাঁধের পূর্ব পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এসময় স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ রতনের (৩৮) গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে।

    ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর র‌্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জ ও র‌্যাব-১৩ রংপুর যৌথভাবে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং অভিযানে নামে।

    আটককৃত ইয়ানুছকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে র‌্যাব জানায়, নিহত রতনের সঙ্গে তার পূর্ব পরিচয় ছিল এবং দুজনই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই বছর আগে তাদের মধ্যে মারামারি হয়, যাতে রতন আহত হন। ঘটনার ১৫ দিন আগেও তাদের মধ্যে নতুন করে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরে ইয়ানুছ হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মামলার এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি হাসেম (৪০) এবং ৪ নম্বর আসামি ইলিয়াছ (৩০)-এর সহযোগিতায় ১৭ জুন ভোর সাড়ে ৩টায় রতনকে ডেকে নিয়ে মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা এবং হাত-পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। এরপর মরদেহ খালে ফেলে তারা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় মোট ৮ জন অংশ নেয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলার ৫, ৬ ও ১১ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে তারা। গ্রেফতারের সময় হত্যায় ব্যবহৃত একটি ছুরি ও প্রমাণ লোপাটে ব্যবহৃত সাদা ও কালো রঙের দুটি বালতিও উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫ নম্বর আসামি ওসমান (৩২) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

    র‌্যাব আরও জানায়, গ্রেফতার এড়াতে সে পার্শ্ববর্তী দেশে পালানোর চেষ্টা করছিল এবং সেই উদ্দেশ্যেই সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছিল। ইয়ানুছের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় পূর্বেও একটি হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় র‌্যাবের অভিযানে মোট চারজন আসামি গ্রেফতার হয়েছে।