Category: ইউনিয়ন

  • বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হামলা ডন বজলুল

    বন্দরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হামলা ডন বজলুল

    নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুলকে টেন্ডারে বিরোধ নিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

    রোববার দুপুর ১টার দিকে বন্দর উপজেলার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে এই ঘটনা ঘটে। অভিযোগের তীর সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বজলুর রহমান-এর দিকে, যিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিমের ঘনিষ্ঠ অনুসারী বলে জানা গেছে।

    প্রবীণ এ নেতার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং তার একটি পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সময় বন্দর থানা পুলিশের চার সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাদের সামনেই তাকে মারধর করা হয়।

     

     

    আহত আতাউর রহমান মুকুল সাংবাদিকদের জানান, বন্দরের হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিক সরবরাহের একটি টেন্ডার আমরা পেয়েছি। আজকে ওয়ার্ক অর্ডারে সইয়ের শেষ দিন ছিল। সম্ভাব্য ঝামেলার আশঙ্কায় থানায় জিডি করে চারজন পুলিশ সঙ্গে নিয়ে সেখানে যাই। গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপি নেতা বজলুর রহমান ও তার নেতৃত্বে ৪০/৫০ জন লোক অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা আমাকে বেধড়ক মারধর করে, জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং দুই পুলিশ সদস্যকেও মারধর করে।

    অভিযুক্ত সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগপন্থী আলাউদ্দিন একটি ঠিকাদারি কাজ নিয়েছে। মুকুল তার পক্ষ নিয়ে কাজ করতে আসেন। এতে স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হেনস্তা করেছে। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।

     

     

    বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি কাজ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ থেকে এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ছিল, তবে পুলিশ সদস্যদের মারধরের কোনো তথ্য পাইনি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

  • সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের ওপর হামলা, আহত ২

    সোনারগাঁয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাদের ওপর হামলা, আহত ২

    নিউজ সোনারগাঁ: উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নে বিএনপির ৩১ দফা প্রচার শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতা হামলার শিকার হয়েছেন। আহতরা হলেন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মো. ফারুক ও মো. সাগর।

    শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে লাধুরচর-সংলগ্ন চৌরাপাড়া কাঠ ব্রিজ এলাকায় এই হামলা হয়। অভিযোগে বলা হয়, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকারের নেতৃত্বে ১১ জন দেশীয় অস্ত্রসহ অতর্কিত আক্রমণ চালায়। দু’জনকে প্রথমে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও মো. সাগরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    আহত ফারুকের দাবি, হামলাকারীরা এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত; প্রতিবাদ করায় আগে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছিল। এ ঘটনার জেরে তিনি শনিবার সকালে ১১ জনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    অন্যদিকে, অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল্লাহ সরকার সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে ঢাকায় অসুস্থ অবস্থায় আছি; স্থানীয় দুই যুবকের সংঘর্ষে আমার নাম জড়ানো হয়েছে।’

    সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ মফিজুর রহমান জানান, অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে; তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ের জামপুরে “আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে” বিএনপির আলোচনা সভা

    সোনারগাঁয়ের জামপুরে “আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে” বিএনপির আলোচনা সভা

    পরিমল বিশ্বাস: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে “আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ জুন শনিবার বিকেলে আয়োজিত এ সভায় বিভিন্ন স্তরের বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য আমজাদ হোসেন আব্দুল লতিফ। সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম ওয়ালিউর রহমান আপেল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, সোনারগাঁ থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক শামিমা আক্তার শাম্মী, নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া, জেলা কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মনির মল্লিক, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা ডা. মামুন ভূঁইয়া, যুবদল নেতা আরিফ হোসেন, যুবদল নেতা শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আনিসুর রহমানসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস এম ওয়ালিউর রহমান আপেল বলেন,

    “বিএনপির নেতাকর্মীদের আচরণে মাধুর্য থাকতে হবে, কাউকে ছোট করে কথা বলার সুযোগ নেই। আমাদের একটাই লক্ষ—ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করা। আমি একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে বিএনপির জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং যাব। ঐক্যবদ্ধ থেকে আমাদের দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন আদর্শবান নেতা, তার আদর্শকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দলের ত্যাগীদের যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন,

    “সোনারগাঁয়ের মানুষের পাশে সবসময় ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবারও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করছি।”

    আলোচনা সভায় বক্তারা আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং জাতীয় রাজনীতিতে বিএনপিকে পুনরায় শক্ত অবস্থানে দেখতে সকলে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

    শেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • সোনারগাঁয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিমের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    সোনারগাঁয়ে সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রেজাউল করিমের ৩১ দফা লিফলেট বিতরণ

    সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:- রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শুক্রবার সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম সোনারগাঁয়ের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বিষ্ণাদি বাজারে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরন করেন।

    লিফলেট বিতরনের পূর্বে অধ্যাপক রেজাউল করিম বিষ্ণাদি বাজারে বড় মসজিদে জুম্মা নামাজ আদায় করেন। এসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শতভাগ সাফলতা প্রত্যাশায় ও দেশবাসীর কল্যাণে দোয়া করা হয়। পরে তিনি ৩১ দফা বাস্তবায়নে এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট  বিতরণ করেন। এসময় বারদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাবু, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক নূর-এ-ইয়াছিন নোবেল, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম, জসিস, কাউসার আহমেদ সহ শতাধিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • সোনারগাঁয়ে সাপের কামড়ে অটোচালক যুবকের মৃত্যু

    সোনারগাঁয়ে সাপের কামড়ে অটোচালক যুবকের মৃত্যু

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের নীলকান্দা রূপনগর গ্রামে সাপের কামড়ে মো. শাকিল (২৬) নামে এক অটোচালকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মুসা মিয়ার ছেলে।

    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাজকর্ম শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির পাশের একটি ঝোপ থেকে বেরিয়ে আসা বিষাক্ত সাপ শাকিলের পায়ে দংশন করে।

    পরিবারের সদস্যরা জানান, সাপের কামড়ের বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পায়ে বাঁধ দেওয়া হয়। পরে স্থানীয় এক কবিরাজের পরামর্শে পায়ের বাঁধ খুলে দেওয়া হলে, অল্প সময়েই বিষ শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শাকিলের শরীরে জ্বালা-পোড়া ও ছটফটানি শুরু হয়।

    পরবর্তীতে স্থানীয় যুবক ও পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত দেড়টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • সোনারগাঁয়ে দুই যুবককে অপহরণ, ৫ অপহরণকারী আটক

    সোনারগাঁয়ে দুই যুবককে অপহরণ, ৫ অপহরণকারী আটক

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দড়িকান্দি এলাকা থেকে দুই যুবককে অপহরণ করে মুক্তিপনের জন্য নির্যাতনের অভিযোগে ৫ অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ। গত সোমবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতদের মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠিয়েছে। অপহরণের ঘটনায় ভূক্তভোগীর বড় বোন রেখা আক্তার বাদি হয়ে গতকাল মঙ্গলবার সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের কুমারচর এলাকার জজ মিয়ার ছেলে মো.স্বাধীন মিয়া, ভাটিরচর এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে ফয়সাল মিয়া, নাজিরপুর এলাকার আক্কেল আলীর ছেলে রাব্বানী হোসেন মুন্না, বন্দর উপজেলার ছোটবাগ গ্রামের আসাদুজ্জামানের ছেলে মো. সাজ্জাদ হোসেন ও গজারিয়া উপজেলার চর বাউশিয়া গ্রামের নান্নু মিয়ার ছেলে রাশেদ ওরফে রাসেল।
    জানা যায়, দাউদকান্দি উপজেলার ময়নামতি মীরপুর গ্রামের মো. ফিরোজ মিয়ার ছেলে মো. শাকিল মিয়া ও তার বন্ধু মৌলরদী গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে শাওন মিয়া গত রোববার বিকেলে মোটরসাইকেল যোগে বালু ব্যবসায়ের কাজে মহাসড়কের দড়িকান্দি এলাকায় যান। পরে অজ্ঞাতনাম ৪-৫জন যুবক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের মোটরসাইকেল গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে তাদের জোরপূর্বক টেনে হেচড়ে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আটক করে নির্যাতন করে। তাদের সঙ্গে থাকা ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে অপহৃতদের পরিবার তাদের বিকাশের মাধ্যমে দু’দফায় ২৫ হাজার টাকা দেয়। পরদিন সোমবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয়রা টের পেয়ে স্বাধীন ও ফয়সাল নামের দুই অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশে দেয়। তাদের দেওয়া তথ্যে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই রাতেই রাব্বানী হোসেন মুন্না, সাজ্জাদ হোসেন, রাশেদ ওরফে রাসেলকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
    সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান খাঁন বলেন, অপহরণ করে দুই যুবককে নির্যাতন ও মুক্তিপন নেওয়ার অভিযোগে ৫জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    নিউজ সোনারগাঁ

  • বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে মালেক জুট মিল শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

    বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে মালেক জুট মিল শ্রমিকদের মহাসড়ক অবরোধ

    সোনারগাঁ উপজেলার মালেক জুট মিলের শ্রমিকরা বকেয়া বেতনের দাবিতে কাচপুরে ঢাকা–সিলেট ও ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

    মঙ্গলবার (আজ) সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচিতে দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে, সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো যাত্রী।

    শ্রমিকরা জানান, মালেক জুট মিল কর্তৃপক্ষ চার সপ্তাহের বেতন বকেয়া রেখেই হঠাৎ মিল বন্ধ ঘোষণা করে। এ ঘোষণার প্রতিবাদ ও বেতন পরিশোধের দাবিতে তারা মহাসড়কে বিক্ষোভে নামেন। এ সময় ‘বকেয়া বেতন চাই’, ‘শ্রমিক ছাঁটাই চলবে না’—এমন নানা স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

    বিক্ষোভকারীরা বলেন, আজকের মধ্যেই বকেয়া পরিশোধ করতে হবে। নোটিশ ছাড়া শ্রমিক ছাঁটাই কিংবা সন্ত্রাসী দিয়ে মিল বন্ধ করার চেষ্টা করলে আবার রাস্তায় নামতে বাধ্য হবো।

    খবর পেয়ে মালেক জুট মিলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিজিএম) মাকসুদুর রহমান ও কাচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ মোর্শেদ এসে শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন। শ্রমিকদের আশ্বস্ত করা হয় যে, আজকের মধ্যেই সমস্যার সমাধান হবে।

    ওসি ওয়াহিদ মোর্শেদ বলেন, শ্রমিকদের দাবি মালিক পক্ষের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের অনুরোধে শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে মহাসড়ক থেকে সরে যান। তবে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে এর দায় মালিক পক্ষকেই নিতে হবে।

  • কলতাপাড়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন ও বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের দোয়া মাহফিল

    কলতাপাড়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন ও বিদায়ী পরীক্ষার্থীদের দোয়া মাহফিল

    পরিমল বিশ্বাস, সোনারগাঁ:

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের কলতাপাড়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসায় প্রথমবারের মতো আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে এবং বিদায়ী আলিম পরীক্ষার্থীদের জন্য ২৩ জুন সোমবার দুপুরে মাদরাসার হল রুমে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলতাপাড়া ফাযিল ডিগ্রি মাদরাসার অধ্যক্ষ মোঃ আউয়াল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির শুরা সদস্য ও মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইয়াসিন, প্রিন্সিপাল শাহজাহান, অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমিন, মাওলানা রিয়াজুল ইসলামসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “মাদরাসায় শিক্ষার মান আরও উন্নয়ন করতে হবে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, যেন এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষায় আরও এগিয়ে যায়। গভর্নিং বডির সক্রিয় সহযোগিতায় মাদরাসাটি একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “এ বছর প্রথমবারের মতো আলিম পরীক্ষার কেন্দ্র স্থাপন হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আর দূরে কোথাও গিয়ে পরীক্ষা দিতে হবে না। এতে তাদের সময় ও ভোগান্তি উভয়ই কমবে। আমরা আশাবাদী, পরীক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করে মাদরাসার সুনাম বৃদ্ধি করবে এবং মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে।”

    অনুষ্ঠানে পরীক্ষার্থীদের সফলতা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দোয়া করা হয় এবং তাদের প্রতি শুভকামনা জানানো হয়।

  • আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্দেশে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্দেশে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের নির্দেশনায় গণসংযোগের অংশ হিসেবে লিফলেট বিতরণ করেছে দলটির নেতৃবৃন্দ।

    রবিবার (২২ জুন) বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের বটতলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, বাজারের দোকানদার ও পথচারীদের মাঝে এ লিফলেট বিতরণ করা হয়।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদিন মেম্বার, সহ-সভাপতি শফিউল আলম বাচ্চু, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, বিএনপি নেতা শহীদ সরকার, মাসুম রানা, আলীনুর বেপারী, শাহীনুর মিয়া, শাহীন রেজা, ফারুক হাসানসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতৃবৃন্দ।

    এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ চলমান থাকবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের নেতৃত্বে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাসহ প্রতিটি গ্রামে ও পাড়া-মহল্লায় আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

  • সোনারগাঁবাসী চায় আমি এখান থেকে নির্বাচন করি: গিয়াসউদ্দিন

    সোনারগাঁবাসী চায় আমি এখান থেকে নির্বাচন করি: গিয়াসউদ্দিন

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের কাদিরগঞ্জ এলাকায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, “সোনারগাঁবাসী চায় আমি এখান থেকে নির্বাচন করি। আমি তাদের সম্মান রাখব।”

    রবিবার (২২ জুন) দুপুরে পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সার্বিক সহযোগিতায় আয়োজিত এই ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনারগাঁও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আশরাফুল আলম আশরাফ প্রধান।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গিয়াস উদ্দিন বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আপনারা দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। ৫ আগস্ট বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে এসেছে। শেখ হাসিনা আইনের সুশাসন ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। দেশবাসী নির্বাচন চায়, জনগণ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে প্রস্তুত। আমাদের জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “সোনারগাঁওয়ে বিএনপির নতুন সদস্য ফরম অনেককে দেওয়া হচ্ছে না—এটি ঠিক নয়। যারা আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নিয়েছেন, তারা সবাই সদস্য ফরম পাবেন। আমি সে ব্যবস্থা করব, ইনশাআল্লাহ।”

    মনোনয়ন প্রসঙ্গে গিয়াস উদ্দিন বলেন, “দল যাকে মনোনয়ন দেবে, তার পক্ষেই সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ছোট মন নিয়ে বড় পদ লাভ করা যায় না। এমপি হতে চাইলে উদার মনের অধিকারী হতে হবে। সোনারগাঁওয়ের মানুষ আমাকে যে ভালোবাসা দিয়েছে, আমি তার যথাযথ মূল্য দেব।”

    অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন সোনারগাঁও থানা যুবদলের আহ্বায়ক সহিদুর রহমান স্বপন।
    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন:

    • নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মুকুল
    • সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম
    • সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন
    • নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ সাদরিল
    • নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাসাসের সভাপতি মো. স্বপন চৌধুরী
    • সোনারগাঁও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন
    • সনমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রমজান সরকার
    • সোনারগাঁও উপজেলা তাঁতী দলের সভাপতি আমির হোসেন

    এছাড়াও পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সোনারগাঁয়ে বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁয়ে বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

    সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিশির হালদার নামে এক প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

    শনিবার (২১ জুন) দুপুরে ওই শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

     

     

    অভিযোগ থেকে জানা গেছে, উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকার কমল হালদারের ছেলে শিশির হালদার ওই শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে প্রাইভেট পড়াতেন। প্রাইভেট পড়ানোর সময় নানাভাবে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রস্তাবে রাজী না হলেও একপর্যায়ে শিশির হালদারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে শিশির হালদার তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েক দফায় শারীরিক সম্পর্ক করে। পরে শিশির হালদারকে বিয়ের কথা বললে কালক্ষেপণ করতে থাকে। একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি শিশির হালদারকে জানালে কৌশলে তাকে ওষুধ সেবন করিয়ে বাচ্চা নষ্ট করে দেন  শিশির। বিষয়টি নিয়ে অভিযুক্তের বাবা কমল হালদার ও ছোট ভাই পিয়াস হালদার ভুক্তভোগীর বাবাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

     

     

    অভিযুক্ত শিশির হালদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। ক্ষুদে বার্তা দিয়েও সাড়া মেলেনি।

    অভিযুক্তের বাবা কমল হালদার বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি সত্য নয়।’

     

    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

  • আওয়ামী লীগ নেতা এখন বিএনপির নেতৃত্বে: সোনারগাঁয়ে শ্রমিক দলের কমিটিতে নিয়ে ক্ষোভ তৃণমূলে

    আওয়ামী লীগ নেতা এখন বিএনপির নেতৃত্বে: সোনারগাঁয়ে শ্রমিক দলের কমিটিতে নিয়ে ক্ষোভ তৃণমূলে

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম : নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিতে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন মো. মোস্তফা মোল্লা নামক এক নেতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাকে শ্রমিক দলের কমিটির ৫ নম্বর সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    জানা গেছে, মোস্তফা মোল্লা বিগত স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপতৎপরতায় জড়িত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, তার প্রত্যক্ষ ভূমিকার কারণে অনেক বিএনপি নেতাকর্মীকে পুলিশি হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। এমনকি অনেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।

    স্থানীয় তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, একজন প্রাক্তন আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপির অঙ্গসংগঠন শ্রমিক দলের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিটে সদস্য করা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের প্রতি চরম অবহেলা ও অবজ্ঞার সামিল। এতে করে মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

    তারা আরও অভিযোগ করেন, কমিটি গঠনে স্বচ্ছতা উপেক্ষিত হয়েছে এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন—একজন পরিচিত আওয়ামী লীগ নেতা কীভাবে বিএনপির শ্রমিক দলের সদস্য পদে স্থান পান?

    এদিকে, সোনারগাঁ থানা বিএরপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান বিভিন্ন সভা সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির কোন কর্মীকে বিএনপিতে জায়গা না দেয়ার জন্য বক্তব্য দিয়ে আসলেও তার কর্মীরাই আওয়ামী লীগ নেতাকে বিএনপিতে পদাথিকার দিয়ে আসছে বলে জানান তৃনমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।

    গত ২৭ মে সাদীপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়, যা উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়।

    এ নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় ও জেলার শীর্ষ নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “যদি এমন অযাচিতভাবে আওয়ামী লীগের লোকজনকে দলের নেতৃত্বে আনা হয়, তবে ভবিষ্যতে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি নেতৃত্ব সংকটে পড়বে।”

    তারা অনতিবিলম্বে কমিটি পুনর্বিন্যাসের দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে কঠোর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেছেন।

  • সোনারগাঁয়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় শান্ত বহিষ্কার

    সোনারগাঁয়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাইয়ের ঘটনায় শান্ত বহিষ্কার

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ে পুলিশের কাছ থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় তাকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য সহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল। এছাড়া শান্তর সঙ্গে দলের কোনো পর্যায়ের নেতাকর্মীকে যোগাযোগ না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার ১৭জুন স্বেচ্ছাসেবকদলের দফতর সম্পাদক কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়। বহিষ্কারের সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান।

    জানা গেছে গত ১২ জুন সোনারগাঁয়ে রিপন (২৫) নামের এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শান্ত প্রধান এর বিরুদ্ধে। উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের লস্করবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আসামি রিপন লস্করবাড়ি এলাকার আলী হোসেনের ছেলে।

    জানা গেছে, আসামি রিপনকে গ্রেফতার করার পর থানায় নিয়ে যাওয়ার সময়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শান্ত প্রধান দলবল নিয়ে পুলিশের কাজে বাঁধা দেন। এক পর্যায়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হাতকড়া লাগানো আসামিকে পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এবং পুলিশের উপর চড়াও হন।

    ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে সোনারগাঁ তালতলা তদন্তকেন্দ্রের (এএসআই) সেলিম মিয়া জানান, বেশ কিছুমাস পূর্বে এক পুলিশ সদস্যের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই হামলায় মামলার আসামি রিপন। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট আছে। আমি বৃহস্পতিবার গোপন সংবাদের তথ্যে তাকে গ্রেফতার করে হাতকড়া পড়িয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শান্ত প্রধান তার দলবল নিয়ে আমাকে বাঁধা দেন। সে বারংবার বলছিল আমরা বিএনপির লোক। তারা উত্তেজিত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে আমারা দু’জন পুলিশ সদস্য ছিলাম। একপর্যায়ে আসামিকে আমাদের হেফাজত থেকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়া হয়।

  • সোনারগাঁয়ে খালপাড় থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে খালপাড় থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:;নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ভারগাঁও এলাকার ওলামানগর খালপাড় বেরিবাঁধের পূর্বপাশ থেকে রতন (৩৮) নামের এক যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার (১৭ জুন) সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়রা খালপাড়ে মরদেহটি দেখতে পেয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

    নিহত রতন কাঁচপুর এলাকার মো. মালেক মোল্লার ছেলে। তিনি স্ত্রী-সন্তানসহ নাওড়া বিটা এলাকার দেলোয়ার হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মফিজুর রহমান জানান, নিহত রতন একজন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

  • সোনারগাঁয়ে ওলামা দলের আহবায়ক কমিটি গঠন

    সোনারগাঁয়ে ওলামা দলের আহবায়ক কমিটি গঠন

    পরিমল বিশ্বাস:
    নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলা শাখার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য কর্মী সম্মেলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার, ১৫ জুন সকালে নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বিষনন্দী বাজারে অনুষ্ঠিত এই কর্মী সম্মেলনে উপজেলার নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে মাওলানা ওমর ফারুককে আহ্বায়ক, মাওলানা মোজ্জামেল হককে সদস্য সচিব এবং মাওলানা দেলোয়ার হোসেনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মাওলানা মোজ্জামেল হক।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা ওলামা দলের সদস্য সচিব হাফেজ মাওলানা মামুন, যিনি নবঘোষিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. মিজানুর রহমান (উদ্বোধক), বিশেষ অতিথি হিসেবে, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সেলিম ভুইঁয়া, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক সেলিম হোসেন দীপু, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল হালিম, ওলামা দল নেতৃবৃন্দ হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দীন, মাওলানা শাহজালাল, আব্দুল মতিন, মুফতি জসিম উদ্দিন, মাসুদ প্রমুখ।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের নেতাকর্মীরা দেশের সংকটে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দল আরও সুসংগঠিত হবে এবং দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, তাদেরই সম্মান ও মূল্যায়ন করা হবে।”

    নবনির্বাচিত আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক বলেন, “উপজেলার দায়িত্ব নিয়ে আমি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে চাই। নতুন কমিটির সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে ওলামা দলকে সুসংগঠিত করে তুলব। সকলের কাছে দোয়া চাই।”

     

  • সোনারগাঁয়ে প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তি কোম্পানিকা সেতু রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন

    সোনারগাঁয়ে প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তি কোম্পানিকা সেতু রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন


    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে প্রাচীন স্থাপত্যকীর্তি কোম্পানিকা সেতু রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে ‘সোনারগাঁওয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রতœসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’র উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
    মানববন্ধনে সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রতœ সম্পদ সংরক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক কবি শাহেদ কায়েসের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক মিজানুর রহমান মামুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, কবি রহমান মুজিব, সোনারগাঁ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ফজলে রাব্বী সোহেল, সোনারগাঁয়ের ইতিহাস-ঐতিহ্য ও প্রতœসম্পদ সংরক্ষণ কমিটি’র সদস্য সচিব লেখক ও সাংবাদিক রবিউল হুসাইন, সংস্কৃতিকর্মী ও ব্যাংকার মতিউর রহমান, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের সভাপতি আসমা আখতারী, অর্থ সম্পাদক সেলিম আহমেদ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোফাখ্খার সাগর, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মোয়াজ্জেনুল হক, ব্যাবসায়ী মোঃ মহিউদ্দিন, সোনারগাঁও সাহিত্য নিকেতনের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক এরশাদ হুসাইন অন্য, নির্বাহী সদস্য রোকেয়া আক্তার বেবী, শিক্ষিকা শামীমা নাসরিন ও সংগঠক খাদিজা আক্তার।
    এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক ইমরান হোসেন, রাসেল আহমেদ ও ইসকান্দার আলী আলভী প্রমূখ।
    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সোনারগাঁও ছিল প্রাচীন বাংলার রাজধানী। এ অঞ্চলে বহু প্রত্মসম্পদ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এসব প্রত্ম সম্পদের মধ্যে কোম্পানিকা সেতু অন্যতম। যেটি স্থানীয় ভাবে পিঠাওয়ালী ব্রীজ নামে পরিচিত। এ প্রাচীন সেতুটি যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে অযত্নে অবহেলায় এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।
    এ সেতুটির দুই প্রান্তে বিকল্প সড়ক তৈরি করা হলেও সেতুটি দিয়ে ভারি যানবাহন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। সেজন্য  সেতুটি বর্তমানে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সেতুটির বেশির ভাগ অংশ ইতিমধ্যে ধসে পড়েছে। তাই অবিলম্বে এ প্রত্মসম্পদকে সংস্কারের মাধ্যমে সংরক্ষণ করার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবী জানান বক্তারা।