Category: সর্বশেষ

  • নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে দুই প্রার্থী ছাড়া বাকিদের জামানত বাজেয়াপ্ত

    নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে দুই প্রার্থী ছাড়া বাকিদের জামানত বাজেয়াপ্ত

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন ছাড়া বাকি সবাই জামানত হারাতে যাচ্ছেন। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজয়ী ও রানারআপ ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের ন্যূনতম সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।
    এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬টি। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর প্রার্থী ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট। পুরো নির্বাচনে মূল লড়াই এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
    অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯৬ ভোট। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তারা কেউই জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
    এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন–এর অঞ্জন দাস পেয়েছেন ৬৩৮ ভোট, জনতার দল–এর আবদুল করীম মুন্সী ২৮৫ ভোট, আমার বাংলাদেশ পার্টি–এর আরিফুল ইসলাম ১৩৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর গোলাম মসীহ ১৪ হাজার ২২৩ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–এর শাহজাহান ১ হাজার ১৯৩ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন–এর আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী ৭৬৯ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদ–এর ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী পেয়েছেন ৩১৪ ভোট।
    জামানত হলো নির্বাচনি নিরাপত্তাজনিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ, যা প্রার্থীদের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। ট্রেজারি চালান, তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডারের মাধ্যমে এই অর্থ জমা দেওয়া হয়। কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

    ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকায় অন্যরা ভোটারদের উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে বড় দলগুলোর বাইরে প্রার্থীদের জন্য এ আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করা আরও কঠিন হয়ে

  • আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সাবেক এমপি খোকা’র শুভেচ্ছা

    আজহারুল ইসলাম মান্নানকে সাবেক এমপি খোকা’র শুভেচ্ছা

    নিউজ সোনারগাঁ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভ করায় বিএনপি প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান-কে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা।

    শুক্রবার এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় মান্নানকে অভিনন্দন জানাই। এই বিজয় সোনারগাঁ,- সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে মান্নান এলাকার উন্নয়ন, শান্তি-শৃঙ্খলা ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন।
    খোকা আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জনগণের রায়ই চূড়ান্ত। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে সব দলের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করা উচিত।
    উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টি-র এই সাবেক সংসদ সদস্য এর আগেও নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন এবং স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে থাকেন।

  • জিতলেন মান্নান লড়াই করলেন ইকবাল

    জিতলেন মান্নান লড়াই করলেন ইকবাল

    নিউজ সোনারগাঁ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে শেষ পর্যন্ত জমে ওঠে দুই প্রার্থীর সরাসরি লড়াই। সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দাঁড়িপাল্লার সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ছিনিয়ে নেয় ধানের শীষ।
    বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৫৪ হাজার ১০৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন পান ১ লাখ ৩২ হাজার ২৩ ভোট। ভোটের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার।
    নির্বাচনের শুরুতে এই আসনে চারজনকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে মান্নান ও ইকবালের মধ্যেই। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে মাঠে ছিলেন সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন এবং ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। তবে ভোটের শেষ দিকে তারা কার্যত প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েন।
    জানা গেছে, এ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী অংশ নিলেও ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার-প্রচারণাই বেশি আলোচনায় ছিল। ভোটের দিন কেন্দ্রগুলোতে ছিল টানটান উত্তেজনা, আর ফল ঘোষণার পর স্পষ্ট হয় দুই প্রার্থীর মধ্যকার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের চিত্র।
    শেষ পর্যন্ত সকল হিসাব পাল্টে দিয়ে ধানের শীষের বিজয়ে উচ্ছ্বাস দেখা গেছে সমর্থকদের মধ্যে, আর দাঁড়িপাল্লা শিবিরে নেমে আসে হতাশা। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল বলছে, এই ফলাফল আগামী দিনের রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে।

  • সোনারগাঁ থেকে কোন প্রার্থী কতো ভোট পেলেন

    সোনারগাঁ থেকে কোন প্রার্থী কতো ভোট পেলেন

    নিউজ সোনারগাঁ: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এ নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বেসরকারিভাবে প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান।

    রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাঠানো বার্তা প্রেরণ শিট অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯৬১ জন। ১৪৩টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফল পাওয়া গেছে। মোট প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ২০ হাজার ৭৫৬টি, যা শতকরা ৬০.৮২ শতাংশ।

    ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ২৭৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-এর প্রার্থী মোঃ ইকবাল হোসাইন ভূইয়া (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৭৮ ভোট। তৃতীয় অবস্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন (ফুটবল) পেয়েছেন ১২ হাজার ৫৭৯ ভোট।

    অন্যদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম (ঘোড়া) ৪ হাজার ৩২৪, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর গোলাম মসীহ্ (হাতপাখা) ৮ হাজার ২৫৮, গণসংহতি আন্দোলনের অঞ্জন দাস (মাথাল) ৩৫০, জনতার দলের আবদুল করীম মুন্সী (কলম) ১৫১, এবি পার্টির আরিফুল ইসলাম (ঈগল) ৮৪, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাঃ শাহজাহান (রিক্সা) ৭৩৯, খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী (বটগাছ) ৩৯৮ এবং গণঅধিকার পরিষদের ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী (ট্রাক) পেয়েছেন ২৩০ ভোট।

    মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৯ এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৭৮৭টি ভোট।
    সব কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, এ আসনে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলেও শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিজয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।

  • নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম

    নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মোড় নিয়েছে। ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
    বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। রেজাউল করিম অভিযোগ করেন, নির্বাচনী মাঠে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নেই। তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং নানা অনিয়ম ও প্রতিবন্ধকতার কারণে সমানভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানো সম্ভব হচ্ছে না।
    তিনি বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতিতে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব বলে মনে করছি না। ভোটাররা যদি স্বাধীনভাবে ভোট দিতে না পারেন, তাহলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো অর্থ থাকে না। তাই জনগণের স্বার্থে আমি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিচ্ছি।”
    তার এই ঘোষণার পর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সমর্থকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিলেও অনেকেই এটিকে বাস্তব পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে নেওয়া সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন।
    উল্লেখ্য, এ আসনে আগে থেকেই কয়েকজন শক্ত প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস ছিল। রেজাউল করিমের সরে দাঁড়ানোর ফলে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সোনারগাঁয়ের সনমান্দিতে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ের সনমান্দিতে জামায়াত কর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন কর্মীর ওপর মারধর, হামলা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পৃথক দুটি ঘটনায় অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা ওসমান গনি, তার বাবা এবং ভাই হৃদয় মিয়াসহ কয়েকজন জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মেয়ের জামাই মাসুম মিয়ার নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা করে। এ সময় তাদের মারধর করা হয় এবং বাড়িঘরে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলায় ওসমান গনি, তার বাবা ও ভাইসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।
    অপরদিকে দড়িকান্দী এলাকায় আরেকটি ঘটনায় আসাদুজ্জামান নামের এক ব্যক্তিকে ছিনতাইয়ের অভিযোগে মারধর করে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হয়। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, বাজারে কেনাকাটা করতে যাওয়ার পথে তার কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাকে ‘জামায়াত ট্যাগ’ দিয়ে মারধর করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
    এছাড়া জামায়াতের কর্মী ওসমান ও কাউসারকেও বিএনপির সমর্থকদের হামলায় মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে বলে সংগঠনটির নেতারা দাবি করেছেন।
    ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, সনমান্দি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহন ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাসুম বিল্লাহকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে তারা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাবেন। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা না নিলে তা পক্ষপাতের শামিল হবে।
    তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আহতদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
    এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এলাকায় ঘটনাগুলো নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

  • সোনারগাঁয়ে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৯ টি ঝুঁকিপূর্ণ

    সোনারগাঁয়ে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৯ টি ঝুঁকিপূর্ণ

    নিউজ সোনারগাঁ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বেশিরভাগ ভোটকেন্দ্রকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। মোট ২১০টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ তালিকায় রাখা হয়েছে, যা প্রায় ৭০ শতাংশ।
    এর মধ্যে সোনারগাঁ উপজেলায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। ১৪৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১০৯টিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অন্যদিকে সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে ৬৭টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৮টি ঝুঁকিপূর্ণ। বাকি ৬৩টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে ধরা হয়েছে।
    প্রশাসন জানায়, ভোটার সংখ্যা, থানা থেকে দূরত্ব, রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্গম এলাকা ও চরাঞ্চলের অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করে ঝুঁকি নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব বিবেচনায় কেন্দ্রগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে— লাল (অতি ঝুঁকিপূর্ণ), হলুদ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও সবুজ (সাধারণ)।
    নিরাপত্তা জোরদারে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দুজন এবং সাধারণ কেন্দ্রে একজন করে পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের কাছে থাকবে অস্ত্র ও বডি-ওর্ন ক্যামেরা। প্রতিটি কেন্দ্রে ১৩ জন করে আনসার সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন।
    এর পাশাপাশি মোবাইল টিম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা মাঠে থাকবেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের নুনেরটেকের দুটি এবং চরকিশোরগঞ্জ-চরহোগলার তিনটি কেন্দ্র অধিক গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় সেখানে স্ট্রাইকিং ফোর্স ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবে।
    নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-অঞ্চল) মো. ইমরান আহম্মেদ বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির জানান, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবে।
    সব মিলিয়ে, ভোটের দিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর নজরদারি ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

  • মান্নান, ইকবাল হোসেন ও অঞ্জন কে কোথায় ভোট দিবেন

    মান্নান, ইকবাল হোসেন ও অঞ্জন কে কোথায় ভোট দিবেন

    নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের ভোট প্রদান কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচনের দিন নিজ নিজ কেন্দ্রে ভোট দেবেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা।
    বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান ভোট দেবেন সোনারগাঁওয়ের প্রতাবের চর এলাকায় অবস্থিত মেঘনা শিল্প নগরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে। তিনি কেন্দ্র-১ এর নতুন ভবনে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
    অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল করিম ভূঁইয়া ভোট প্রদান করবেন উটমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। উটমা এলাকাতেই তিনি তার ভোট দেবেন বলে জানা গেছে।
    এদিকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী অঞ্জন দাস গোদনাইলের সফুরা খাতুন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেবেন। কেন্দ্র-১ এর দক্ষিণ পাশের ছয়তলা ভবনে তার ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে।
    নির্বাচন ঘিরে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের সমর্থকরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রত্যাশা করছেন।

  • সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গুজব ও অপ্রচারের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে গুজব ও অপ্রচারের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন প্রচারকে ‘গুজব ও অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা।

    তাদের বক্তব্য, আওয়ামী লীগ দলগতভাবে এই নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে দল বা দলের পক্ষ থেকে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এরপরও একটি মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
    জানা গেছে, গত দুই দিন ধরে ফেসবুকে একটি পক্ষ দাবি করছে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সরাসরি এক প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছে। এ নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। কারণ স্থানীয়দের মতে, এই আসনে জয়-পরাজয়ের বড় একটি অংশ নির্ভর করে আওয়ামী লীগের ভোটারদের ওপর। তারা যেদিকে যাবে, ফলাফল অনেকটাই সেদিকে ঝুঁকে পড়তে পারে। এ কারণে বিভিন্ন প্রার্থী আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে নানা কৌশল নিচ্ছে।
    এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ফোনে বলেন, “দল যখন সমষ্টিগতভাবে নির্বাচন বর্জন করেছে, তখন কাউকে সমর্থন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভোটদান থেকেও বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। যে সমর্থনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।”
    তারা অভিযোগ করেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের পক্ষে সাধারণ ভোটারদের প্রভাবিত করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে।
    নেতারা আরও বলেন, গত ৫ তারিখের পর আওয়ামী লীগের অনেক জনপ্রতিনিধি ও নেতা ব্যক্তিগত স্বার্থে বিএনপি ও অন্যান্য দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। কেউ কেউ নিজ নিজ সুবিধামতো বিভিন্ন প্রার্থীর সঙ্গে কাজ করছেন। উদাহরণ হিসেবে তারা বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে অনেক জনপ্রতিনিধি আগেই বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আবার চিটাগাং রোডের কিছু ব্যবসায়ী অন্য প্রার্থীর সঙ্গে সমন্বয় করেছেন, কেউ জামায়াতের সঙ্গেও গেছেন। এসবই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, দলের নয়।
    পরিশেষে তারা বলেন, “আওয়ামী লীগ যেহেতু দলগতভাবে এবারের নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়েছে, তাই আমরা দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বলবো— নো নৌকা, নো ভোট।”

  • ধান, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে হচ্ছেন এমপি?

    ধান, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে কে হচ্ছেন এমপি?

    নিউজ সোনারগাঁ : একদিন পর আগামী বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।  এই নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও জল্পনা-কল্পনা হবে তিন মুখী লড়াই। এই লড়াইয়ে কে জিতবে এই নিয়ে শেষ মুর্হুতে চলছে রাজনীতিবিদ ও ভোটারদের হিসেব নিকেশ। ভোটাদের মধ্যে চলছে প্রার্থীর স্বভাব চরিত্র শিক্ষাদীক্ষা ও জনবান্ধব ও উন্নয়ণমুখি নানা বিশ্লেষন।

    এবার এই আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে তিন প্রতীকে—ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও ফুটবল। মাঠের আলোচনা বলছে, হেভিওয়েট তিন প্রার্থীই ফলাফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবেন।

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নান দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। সোনারগাঁ এলাকায় তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক ও সংগঠিত কর্মীবাহিনী রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের একাংশের মতে, জনপ্রিয়তার দিক থেকে তিনি এগিয়ে আছেন।

    অন্যদিকে, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ড. প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তরুণ ও নারী ভোটারদের সমর্থন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রভাব তার পক্ষে যাবে বলে মনে করছেন তিনি। অতীতে উপজেলা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভোট পাওয়ার অভিজ্ঞতাও তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।

     

    ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বিশেষ করে সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় বেশ জনপ্রিয়। স্থানীয় সমর্থকদের দাবি, ব্যক্তি ইমেজের কারণে তিনি বড় ভোট টানতে পারবেন। সিদ্ধিরগঞ্জে প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার ভোটার থাকায় এই অংশ থেকেই ৮০-৯০ হাজার ভোট পেলে তার জয়ের সম্ভাবনা জোরালো হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ গত সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচনে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সোনারগাঁয়ে সব দলের ভোটাররা ভোট দেয়ার পরও ১ লাখ ২০ হাজার ভোটা ভোট প্রদান করেছিল।

     

    এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক রেজাউল করিমসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টিসহ আরও কয়েকটি দলের প্রার্থী মাঠে থাকলেও বাস্তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘুরপাক খাচ্ছে এই তিনজনকে কেন্দ্র করে।

     

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৭৭৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৭০৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। সোনারগাঁ উপজেলায় ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ৯৬১ জন এবং সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১২ জন।

    রাজনৈতিকভাবে এই আসনটি বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ। একসময় বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত থাকলেও ২০০৮ সালে সিদ্ধিরগঞ্জ যুক্ত হওয়ার পর ভোটের সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসে। আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভোট ব্যাংক তৈরি হওয়ায় প্রতিবারই নতুন হিসেব সামনে আসে। এবারও তাদের ভোট কোন দিকে যাবে, সেটিই ফল নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।

    ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, সততা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। গত সময়ের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে এবার অনেকেই সতর্কভাবে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

    সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা কাটছে না। ধান, দাঁড়িপাল্লা নাকি ফুটবল—নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপি হচ্ছেন কে, তার উত্তর মিলবে ভোটের ফলাফলে। তবে নিশ্চিত করে বলা যায়, এবারের লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি এবং শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনায় ভরপুর।

  • সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ ভোট কেন্দ্রে জোড় যার কেন্দ্র তার

    সোনারগাঁয়ের চরকিশোরগঞ্জ ভোট কেন্দ্রে জোড় যার কেন্দ্র তার

    সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চিরকিশোর ও চরহোগরা দুটি কেন্দ্র কে গণতন্ত্রের অভিযাপ হিসেবে অখ্যায়িত করেন উপজেলার রাজনীতিবিদরা। কারণ “সেখানে জোড় যার কেন্দ্র তার” এই নীতিতে দীর্ঘদিন চলছে কেন্দ্র দুটি। সেখানে গত দুই যুগ ধরে একই পদ্ধতি চলছে নির্বাচন বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা।

    সুত্র জানায়, সোনারগাঁ উপজেলার চারদিকে নদীবেষ্ঠিত চরলাঞ্চল হিসেবে পরিচিত শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকাটি। চরদিকে নদী হওয়ার কারনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ ও তেমন নেই। যদিও সেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি পু্লিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হলেও সেটিতে লোকবলের অভাবে আইন চলে গরীবদের জন্য। প্রভাবশালী কারো বিরুদ্ধে কখনও আইন প্রয়োগ করতে দেখা যায়নি ফাঁড়িটির কর্তৃপক্ষের। ফলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী থাকলে নামে মাত্র তাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ফলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে জোড় যার কেন্দ্র তার নীতিতে চলমান রয়েছে। গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে পর থেকে সেথানে এই নীতিতে চলছে নির্বাচন। ফলে অনেক রাজনীতিবিদ এটিকে সোনারগাঁয়ে অভিশাষ হিসেবে অখ্যায়িত করেন।

    জানাগেছে, চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা এলাকাটি নিয়ন্ত্রন করতেন প্রয়াত নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বার। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দুইজন আওয়ামী লীগের প্রার্থি কায়সার হাসনাতকে সমর্থন দেয়ার কারণে সেখানে বিপুল ভোট জয়লাভ করে নৌকা তখন বিএনপির প্রার্থীর রেজাউল করিমের বাড়ি শম্ভুপুরা হলেও তার ভরাডুবি হয়। এর পর মোতালেব মেম্বার ও নাছির মেম্বারের মধ্যে দ্বন্ধ শুরু হলে সেখানকার নিয়ন্ত্রন চলে যায় নাছির মেম্বারের কাছে। ফলে সেখানে এরপর জাতীয় ও স্থানীয় যত নির্বাচন হয়েছে সবগুলো নির্বাচনে নাছির মেম্বার কেন্দ্রে ভোটার বিহীন করে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সিল মেরে পুরো ভোট তার সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে নিয়ে নিতেন। সে সময় নাছির মেম্বার ছিলো চরকিশোরগঞ্জ গ্রামের অলিখিত সরকার। তিনি যার বলতে তাই হতো। কেউ তার বিরুদ্ধে কোন দিন কথা বললেই হত্যা না হয় পঙ্গুত্ব বরন করতে হতো। তখন নাছির মেম্বারের বিরুদ্ধে গিয়ে জাতীয় পার্টিতে মোতালেব মেম্বার যোগদান করলেও এলাকায় নাছির মেম্বারের বিরুদ্ধে দাড়াতে পারেননি। নাছির মেম্বারের মৃত্যুর পর তার ছেলে..  ওই এলাকার আধিপত্য নিজের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে নেন। এরপর ৫ আগষ্টের পর নাছির মেম্বারের ছেলে এলাকা ছেড়ে চলে গেলে মোতালেব মেম্বার তার নিয়ন্ত্রনে নেন। তখন মোতালেব মেম্বারের নেতৃত্বে দফায় দফায় নাছির মেম্বার ও তার লোকজনকে পিটিয়ে এলাকা ছাড়া করে বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। বর্তমানে নাছির মেম্বার চরকিশোরগঞ্জ এলাকার অলিখিত সরকার হিসেবে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ফলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেখা দিয়েছে আগের মতো অনিশ্চয়তা। স্থানীয়রা আশংকা করছেন এবারও নাছির মেম্বারের মতো মোতালেব মেম্বার কেন্দ্র দখল করে নিজের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে সিল মেরে ভোট বাক্স ভরে নিবেন বলে আশংকা করছেন প্রার্থিরা।

    প্রার্থিরা জানান, গত ১৭ বছর দেশে কোন জনগনের প্রতিনিধিত্বমুলক কোন নির্বাচন হয়নি। সব জায়গায় সরকারী দল তাদের পছন্দ মতো প্রার্থীকে নামের ভোটে জয়লাভ করিয়েছে। তারপরও চার কিশোর ও চলগোহরা কেন্দ্র দুটি সব সময়ই জোড় জবরদস্তিতে নির্বাচনের কথা শুনে আসছে সেজন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করবো দুটি কেন্দ্র যেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেয়া হয়।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছেন, উপজেলার যে কয়েকটি কেন্দ্র ঝূকিপুর্ণ রয়েছে তারমধ্যে চরকিশোরগঞ্জ ও চরগোহরা অতি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহৃিত করে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বিধান করা হবে।

    গুছিয়ে নিউজ লিখে দেন

    ***

    সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় রাজনীতিতে ‘গণতন্ত্রের অভিশাপ’ হিসেবে পরিচিত। উপজেলার রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসীর ভাষ্য, এই দুই কেন্দ্রে বহু বছর ধরে “জোর যার, কেন্দ্র তার” নীতিতেই নির্বাচন হয়ে আসছে। ফলে ভোটের দিন সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতি কমে যায়, আর প্রভাবশালীরাই ফলাফল নির্ধারণ করে দেন।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল হওয়ায় চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর উপস্থিতি তুলনামূলক কম। সেখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি থাকলেও জনবল সংকটের কারণে তা অনেকটাই অকার্যকর বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কখনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না, ফলে আইন যেন শুধু দুর্বলদের জন্যই প্রযোজ্য।

    রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই এই দুই কেন্দ্রে প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে ভোট পরিচালনার সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। সে সময় প্রয়াত নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থী কায়সার হাসনাতকে সমর্থন দেয়ায় ওই নির্বাচনে নৌকা প্রতীক বিপুল ভোটে জয়ী হয়, যদিও বিএনপির প্রার্থী রেজাউল করিমের বাড়ি একই ইউনিয়নে হওয়া সত্ত্বেও তিনি আশানুরূপ ফল পাননি।

    পরবর্তীতে নাছির মেম্বার ও মোতালেব মেম্বারের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে নিয়ন্ত্রণ চলে যায় নাছির মেম্বারের হাতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তার সময়ে ভোটারবিহীন কেন্দ্র, জোরপূর্বক সিল মারা এবং একতরফা ভোট গ্রহণ ছিল নিয়মিত ঘটনা। কেউ প্রতিবাদ করলে হামলা বা নির্যাতনের শিকার হতে হতো। নাছির মেম্বারের মৃত্যুর পর তার ছেলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। পরে তিনি এলাকা ছাড়লে মোতালেব মেম্বার পুনরায় নিয়ন্ত্রণ নেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

    বর্তমানে আবারও কেন্দ্র দুটিকে ঘিরে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীরা আশঙ্কা করছেন, আগের মতোই কেন্দ্র দখল ও জোরপূর্বক ভোট গ্রহণের ঘটনা ঘটতে পারে।

    একাধিক প্রার্থী বলেন, “গত ১৭ বছরে দেশে প্রকৃত অর্থে জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়নি। তারপরও এই দুই কেন্দ্র সবসময় বেশি বিতর্কিত। আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি, যেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।”

    স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এবার অন্তত এই দুই কেন্দ্রে ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের অবসান ঘটে।

    এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার যেসব কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত, তার মধ্যে চরকিশোরগঞ্জ ও চরহোগরা অতি ঝুঁকিপূর্ণ। নির্বাচনকে ঘিরে সেখানে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সোনারগাঁও পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল প্রতীকের ব্যাপক শোডাউন

    সোনারগাঁও পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল প্রতীকের ব্যাপক শোডাউন

    রোববার বিকেলে সোনারগাঁ পৌর সভার তাজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক নিয়ে গিয়াসউদ্দিন এর ফুটবল প্রতীকে মিছিল বের হয়। এ সময় মিছিলে অসংখ্য নারী সমর্থক অংশ নেন।
    বাদ্য বাজনা বাজিয়ে ফুটবলের পক্ষে ভোট চেয়ে মিছিলটি পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পানাম বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
    মিছিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি  নেতা সফিকুল ইসলাম নয়ন, এডভোকেট সাদ্দাম হোসেন, জোবায়ের হোসেন সৈকত, মো. আনোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান, মনির হোসেন, আবেদ মিয়া, মোজাম্মেল হোসেন প্রমূখ।

  • সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

    সোনারগাঁয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ, আহত ২

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী প্রচারণাকালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত দুইজন আহত হয়েছেন।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে সোনারগাঁ থানাধীন সনমান্দী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নীলকান্দা গ্রামের একটি মসজিদের সামনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়ার (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন কর্মীরা।
    এ সময় সনমান্দী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছাফির উদ্দিন মজনুর ভাইসহ মুশফিকুর রহমান মোহন (৩৮), জাহিদুল ইসলাম সুমন (৩৬), রূপচাঁন (৪৫) এবং আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি একত্রিত হয়ে কর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
    হামলায় কর্মী মোঃ তাজিবুর রহমানকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে গুরুতর জখম করা হয়। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে কাজী নাসির উদ্দিনসহ অন্যদেরও মারধর করা হয়। এ সময় হামলাকারীরা ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
    পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
    এ বিষয়ে প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়ার সঙ্গে পরামর্শ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
    তবে অভিযোগের বিষয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে বিশাল শোডাউন

    সোনারগাঁয়ের শম্ভুপুরা ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে বিশাল শোডাউন

    নিউজ সোনারগাঁ :  নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে শম্ভুপুরা ইউনিয়নে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা ও শক্তিশালী শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের পাঁচটি গ্রামজুড়ে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা মিছিল, গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নেন। পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
    শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব আব্দুল বাতেন সিকদার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহ যুব বিষয়ক সম্পাদক নোবেল মীর, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজালাল সিকদার, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, কৃষক দল নেতা আকতার হোসেন, আশরাফুল আলম, মো. জামান, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ মুকুল, মো. বেনিয়াম, মো. সোলেমান, মো. নাসির সরকার, শহীদুজ্জামান, মনির হোসেন, জুমন, ইমু, হোসাইন, ফজল করিম, মেহেদী, শাহ আলমসহ আরও কয়েকশ নেতাকর্মী।
    সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দেশের মানুষ আজ গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও ন্যায়ের জন্য ধানের শীষের দিকে তাকিয়ে আছে। আজহারুল ইসলাম মান্নান একজন পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় নেতা। এই আসনের উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই।
    প্রধান অতিথি আব্দুল বাতেন সিকদার বলেন, শম্ভুপুরা ইউনিয়নের মানুষ পরিবর্তন চায়। ইনশাআল্লাহ ভোটাররা ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করবে।
    নেতাকর্মীরা জানান, সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। তারা প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন এবং ভোটারদের সমর্থন কামনা করছেন।

  • সোনারগাঁয়ে “মিট উইথ জেন-জি” এর মুখোমুখি ড. ইকবাল হোসেন

    সোনারগাঁয়ে “মিট উইথ জেন-জি” এর মুখোমুখি ড. ইকবাল হোসেন

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তরুণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল মাওলানা ড. ইকবাল হোসেন।

    শুক্রবার (সন্ধ্যায়) উপজেলার টিপরদী পানামা রেস্টুরেন্টে “জেন জি’র মুখোমুখি” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তরুণ প্রজন্মের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি এবং “কেমন সোনারগাঁ চাই” বিষয়কে কেন্দ্র করে খোলামেলা আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা সোনারগাঁয়ের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি, মাদক সমস্যা, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার, বেকারত্ব, কর্মসংস্থান এবং পথশিশুদের বাসস্থান ও পুনর্বাসনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেন।
    প্রশ্নের জবাবে ড. ইকবাল হোসেন বলেন, সোনারগাঁকে একটি নিরাপদ, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা তার অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। ক্ষমতার অপব্যবহার, চাঁদাবাজি বা দখলবাজির জায়গা রাজনীতিতে থাকা উচিত নয়। নির্বাচিত হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।”
    সোনারগাঁয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, পানাম নগরীসহ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ ও পর্যটন শিল্প বিকাশে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
    শিক্ষা খাতে তিনি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারের ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য পুনর্বাসন ও আবাসনের ব্যবস্থা করার কথাও জানান তিনি।
    অনুষ্ঠানের শেষাংশে তরুণরা সরাসরি মতামত তুলে ধরেন এবং প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তুলে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা শেষ হয়। আয়োজকরা জানান, তরুণ ভোটারদের সচেতন ও সম্পৃক্ত করতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে।

  • খেলাফত আন্দোলনের এমপি প্রার্থীর পক্ষে বটগাছ প্রতীকে ভোট চাইলেন পীর সাহেব, মধুপুরে গণসংযোগ

    খেলাফত আন্দোলনের এমপি প্রার্থীর পক্ষে বটগাছ প্রতীকে ভোট চাইলেন পীর সাহেব, মধুপুরে গণসংযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে খেলাফত আন্দোলনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর নান্নু মুন্সির পক্ষে বটগাছ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ব্যাপক গণসংযোগ ও মতবিনিময় সভা করেছেন পীর সাহেব।
    শুক্রবার বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার মধুপুর এলাকায় আয়োজিত এই গণসংযোগে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ, আলেম-ওলামা ও দলীয় নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এ সময় পীর সাহেব বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বটগাছ প্রতীকে ভোট দিয়ে খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
    তিনি বলেন, “ইসলামী মূল্যবোধ ও ন্যায়ের সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খেলাফত আন্দোলন রাজনীতি করছে। সৎ ও আদর্শবান নেতৃত্ব গড়ে তুলতে বটগাছ প্রতীকের প্রার্থীকে নির্বাচিত করা জরুরি।”
    গণসংযোগকালে তিনি আরও বলেন, জনগণের অধিকার রক্ষা, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই তাদের মূল লক্ষ্য।
    এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, মধুপুরসহ পুরো সোনারগাঁ এলাকায় বটগাছ প্রতীকের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভোটাররা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিয়ে খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।
    গণসংযোগ শেষে প্রার্থীর জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।