নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে দুইজন ছাড়া বাকি সবাই জামানত হারাতে যাচ্ছেন। প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিজয়ী ও রানারআপ ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের ন্যূনতম সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।
এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬১৬টি। এর মধ্যে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪০০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর প্রার্থী ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৮ ভোট। পুরো নির্বাচনে মূল লড়াই এই দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পেয়েছেন ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রেজাউল করিম পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯৬ ভোট। বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও তারা কেউই জামানত রক্ষা করতে পারেননি।
এছাড়া গণসংহতি আন্দোলন–এর অঞ্জন দাস পেয়েছেন ৬৩৮ ভোট, জনতার দল–এর আবদুল করীম মুন্সী ২৮৫ ভোট, আমার বাংলাদেশ পার্টি–এর আরিফুল ইসলাম ১৩৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর গোলাম মসীহ ১৪ হাজার ২২৩ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–এর শাহজাহান ১ হাজার ১৯৩ ভোট, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন–এর আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী ৭৬৯ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদ–এর ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী পেয়েছেন ৩১৪ ভোট।
জামানত হলো নির্বাচনি নিরাপত্তাজনিত নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ, যা প্রার্থীদের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হয়। ট্রেজারি চালান, তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার বা পোস্টাল অর্ডারের মাধ্যমে এই অর্থ জমা দেওয়া হয়। কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
ফলাফল অনুযায়ী, আসনটিতে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুই প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকায় অন্যরা ভোটারদের উল্লেখযোগ্য সমর্থন পেতে ব্যর্থ হয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে বড় দলগুলোর বাইরে প্রার্থীদের জন্য এ আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করা আরও কঠিন হয়ে



