Category: সর্বশেষ

  • সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ৪টি চুনা কারখানা গুড়িয়ে দিল তিতাস

    সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ৪টি চুনা কারখানা গুড়িয়ে দিল তিতাস

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের পরিচালিত অভিযানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে এবং চারটি চুনা কারখানার ভাটি গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    পিরোজপুর ইউনিয়ন এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি ইকোনমিক জোনের গেটের পূর্ব পাশে ২টি, পশ্চিম পাশে ১টি এবং ঝাউচর বালুর মাঠের সামনে অবস্থিত আরও ১টি—মোট ৪টি চুনা ভাটিতে অভিযান চালিয়ে এক্সকেভেটরের সাহায্যে সেগুলো ধ্বংস করা হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট) সায়মা রাইয়ান এবং তিতাস সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার (প্রকৌশলী) রবিউল আওয়াল

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—সহকারী প্রকৌশলী অনিক মিয়া, সালাউদ্দিন, তিতাসের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।

    তিতাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেখানে অবৈধ সংযোগ পাওয়া যাবে, সেখানেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।


  • বন্দরে আওয়ামী লীগ নেতার ভাইয়ের হাতে যুবক পিটিয়ে হত্যা

    বন্দরে আওয়ামী লীগ নেতার ভাইয়ের হাতে যুবক পিটিয়ে হত্যা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মেছের আলী পারভেজ (৩৫) নামে এক যুবককে চোর অপবাদ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার ২৬নং ওয়ার্ডের সোনাচোরা এলাকায় এ নৃশংস ঘটনা ঘটে।

    নিহত পারভেজ সিদ্ধিরগঞ্জের এসও এলাকার বাসিন্দা তারা মিয়ার ছেলে। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি সোনাচোরা এলাকায় বসবাস করতেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রশিদের ভাই মেছের আলী রাতের আঁধারে পারভেজকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে নির্মাণাধীন ভবনের একটি পিলারের সাথে বেঁধে মেছের আলী, তার ছেলে মাহিন, স্ত্রী হাজেরা এবং আরও ৫-৬ জন মিলে হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। নির্যাতনের সময় পারভেজ বারবার পানি চাইলে তার ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়ানো হয়। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের স্ত্রী খাদিজা বেগম জানান, “অনেক কান্নাকাটি ও মিনতি করা সত্ত্বেও তারা আমার স্বামীকে ছাড়েনি। পিলারের সাথে বেঁধে শেষ পর্যন্ত তাকে মেরে ফেলেছে।”

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • মনোনয়ন নিয়ে বেকায়দায় মান্নান: সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে উত্তাপ বাড়ছে

    মনোনয়ন নিয়ে বেকায়দায় মান্নান: সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে উত্তাপ বাড়ছে

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান এক ধরনের ‘বেকায়দায়’ পড়ে গেছেন।

    মনোনয়ন ঘোষণার পরই অসন্তোষ

    এই আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়নের জন্য লড়াই করলেও ৩ নভেম্বর বিএনপি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করে। এরপরই মনোনয়ন বঞ্চিতদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকজন প্রকাশ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে মান্নানের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠান। শুধু তাই নয়, তারা সোনারগাঁ, সিদ্ধিরগঞ্জ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিলসহ নানা কর্মসূচি অব্যাহত রেখে আসছেন।

    নির্বাচনী সীমানা পরিবর্তনে বাড়ে প্রতিযোগিতা

    নির্বাচন কমিশনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ একীভূত হওয়ায় মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। সোনারগাঁয়ের নিয়মিত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, রেজাউল করিম, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, ওয়ালিউর রহমান আপেল ও মুজাহিদ মল্লিকের সঙ্গে এবার যুক্ত হন সিদ্ধিরগঞ্জের জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন।

    যোগাযোগের ঘাটতিতে বাড়ে দূরত্ব

    মনোনয়ন পাওয়ার পর মান্নান সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও বাকিদের সঙ্গে দৃশ্যত দূরত্ব বজায় থাকে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গিয়াসউদ্দিন ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে কেন্দ্র করে অন্য মনোনয়ন বঞ্চিতরা মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

    মিডিয়ায় অভিযোগ, বক্তব্য বিতর্কে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মান্নানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মান্নান বলেন— “সারা বাংলাদেশেই বিএনপি চাঁদাবাজি করে, ঢাকায় মির্জা আব্বাসের লোকজনও চাঁদাবাজি করে।” এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা। শুরু হয় কঠোর বিক্ষোভ, সমাবেশ ও তার বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি।

    এরই মধ্যে যুবদলের দুই নেতাকে শোকজ এবং একজনকে বহিষ্কার করা হয়। এতে আরও ক্ষোভে ফেটে পড়ে বঞ্চিতদের একটি অংশ। শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে ৭ জন নেতাকর্মী স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে।

    মনোনয়ন বঞ্চিতদের অভিযোগ

    এক মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন— “মান্নানের বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। একজন অশিক্ষিত লোককে দল মনোনয়ন দিয়েছে, যিনি ঠিকভাবে রিডিং পড়তেও পারেন না। তিনি কিভাবে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করবেন? প্রয়োজনে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী দেবো, কিন্তু মান্নানকে মেনে নেবো না।”

    মান্নানপন্থীদের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে মান্নানের নেতাকর্মীরা বলছেন— “গত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকারের সময়ে মান্নান হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, জেল খেটেছেন, হাজারো নেতাকর্মীর জামিন করিয়েছেন। নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দল ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন দিয়েছে—এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।”

    উভয়পক্ষের তিক্ততায় জটিলতা বাড়ছে

    উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে এলাকা জুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা। সমাবেশ, বিক্ষোভ এবং প্রশ্নবিদ্ধ মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এখন দলের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে—মান্নান কি মনোনয়ন ধরে রাখতে পারবেন, নাকি ক্ষোভের চাপে আসবে নতুন মোড়।

  • সোনারগাঁয়ে ১০৯ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫২ জনের গণশুনানী

    সোনারগাঁয়ে ১০৯ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫২ জনের গণশুনানী

    নিউজ সোনারগাঁ :  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)’র গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদে ৫২জন মুক্তিযোদ্ধার শুনানি করা হয়।

    ১০৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে অমুক্তিযোদ্ধা দাবি করে মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন জামুকায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের পক্ষ থেকে এ গণশুনানি করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, জামুকার মহাপরিচালক শাহিনা খাতুন, সদস্য মেজর (অব.) সৈয়দ মুহিবুর রহমান, হাবিবুল্লাহ আলম, মেজর (অব.) ফজলুর রহমান, সাদেক আহমেদ খাঁন, মেজর (অব.) আব্দুস সালাম, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা রহমান।

    গণশুনানি শেষে বিকেল সাড়ে তিনটায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে প্রেস ব্রিফিং করেন জামুকার নেতৃবৃন্দ।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য মেজর (অব.) সৈয়দ মুহিবুর রহমান জানান, মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ১০৯ জনকে শুনানীতে অংশ নিতে নোটিশ দেওয়া হয়। গণ শুনানিতে ৫২ জন মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত হন। বাকিরা উপস্থিত না হওয়ায় তাদের পুনরায় নোটিশ দিয়ে তাদের শুনানির জন্য ডাকা হবে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে তারা প্রাথমিক যাচাই বাছাই করে জামুকার পূনাঙ্গ সভায় উপস্থাপন করবেন। সেখানে বিষয়গুলোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি আরো জানান, অভিযোগকারীর বিষয়েও খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা না পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়াও বিনা কারণে মান ক্ষুন্ন করা হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিও আইনের আশ্রয়ের মাধ্যমে তার বিচার দাবি করতে পারবেন।

  • সোনারগাঁয়ের সাবেক দাপুটে চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমর গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ের সাবেক দাপুটে চেয়ারম্যান মোশাররফ ওমর গ্রেপ্তার

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিগত সরকারের আমলে ক্ষমতাশালী ও দাপুটে হিসেবে পরিচিত সাবেক চেয়ারম্যান মোশারফ ওমরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে রমনা থানা পুলিশ তাকে আটক করে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর গুলি চালানো ও একজন ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় মোশাররফ ওমরের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার জড়িত থাকার অভিযোগও তদন্তে আসে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের পূর্ববর্তী সরকারের সময় শামীম ওসমানের প্রভাব ব্যবহার করে মোশাররফ ওমর একবার ভোটকেন্দ্র দখল করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কাঁচপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হন। দায়িত্বে থাকাকালীন তার ভাই বাবু ওমরকে দিয়ে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তোলেন তিনি। ওই বাহিনীর বিরুদ্ধে কাঁচপুর এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠান নিয়ন্ত্রণ, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের ওপর চাঁদাবাজি, জোরপূর্বক জমি দখল, বাসস্থান দখলসহ নানা অভিযোগ ছিল।

    একাধিক স্থানীয় ভুক্তভোগী জানান, ফিল্মি স্টাইলে রাস্তা থেকে মানুষ তুলে নিয়ে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে মোশারফ ওমরের বিরুদ্ধে। এছাড়া কায়সার হাসনাতকে ব্যবহার করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পিছনে কাজ করেন তিনি এবং পরে নিজেকে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করে এলাকায় প্রচারণাও চালান।

    মোশাররফ ওমরের ভাই বাবু ওমরও নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। গত সরকারের আমলে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর প্রকাশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের দেশ ছাড়ার হুমকি দেন তিনি। সম্প্রতি এক ডাক্তার আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনাতেও বাবু ওমর আলোচনায় আসেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, মোশারফ ওমরের বিরুদ্ধে থাকা সব মামলার তদন্ত আরও জোরদার করা হবে। গ্রেপ্তারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

  • ষড়যন্ত্র করে ধানের শীষের প্রচারণা থামানো যাবে না — আজহারুল ইসলাম মান্নান

    ষড়যন্ত্র করে ধানের শীষের প্রচারণা থামানো যাবে না — আজহারুল ইসলাম মান্নান

    নিউজ সোনারগাঁ: বিএনপির নির্বাহী সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, “ষড়যন্ত্র ছিল, আছে, চলবে—কিন্তু আন্দোলন-সংগ্রাম থামানো যাবে না। ধানের শীষের প্রচারণা তৃণমূলে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয়তার ঢেউ তুলেছে।”

    শনিবার বিকেলে পিরোজপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাকান্দি বালুর মাঠে ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত সম্প্রতি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান।

    মান্নান বলেন, “বিএনপির দুঃসময়ে আমি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। আজ আপনাদের ভালোবাসা আমাকে আরও শক্তি দেয়। আপনারা সবাই ঐক্যবদ্ধ—এই ঐক্যই আমাদের বড় শক্তি। ধানের শীষে ভোট দিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দেবেন—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।”

    ৩১ দফা রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের বক্তব্য তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “এ রূপরেখা জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার নকশা। সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের মানুষ এ দাবিতে আজ ঐক্যবদ্ধ।”

    সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন—
    নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন, সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু, সহ-সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন, জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব, বিএনপি নেতা মাসুম রানা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরুন নাহার, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর আয়েশা আক্তার দিনা, উপজেলা বিএনপি নেতা আতাউর রহমান, সফিউল আলম বাচ্চু, মোহাম্মদ আলী, পিরোজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, আলিনুর বেপারী, পৌর বিএনপি নেতা সাদিকুর রহমান সেন্টুসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী।

    সমাবেশে জনতার করতালি ও উচ্ছ্বাসে মাঠ বারবার মুখরিত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা বলেন, “ধানের শীষের পক্ষে যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, তা কোনো ষড়যন্ত্র দিয়ে থামানো যাবে না।”

  • মান্নানের বিরুদ্ধে গিয়ে শোকজ–বহিষ্কার যুবদল নেতারা

    মান্নানের বিরুদ্ধে গিয়ে শোকজ–বহিষ্কার যুবদল নেতারা

    নিউজ সোনারগাঁ : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। দলীয় মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সোনারগাঁ থানা যুবদল ও মহানগর যুবদলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে শোকজ ও বহিষ্কারের মতো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

    সূত্র জানায়, এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী, সাবেক এমপি ও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত সবাই এ সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান। এর ধারাবাহিকতায় সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।

    মনোনয়ন ঘোষণার পর মিডিয়ার সাথে আলাপচারিতায় ‘চাঁদাবাজি’ প্রসঙ্গে দেওয়া কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েন মান্নান। এর পর থেকেই মনোনয়ন বঞ্চিতদের একটি অংশ মান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সভা-সমাবেশ শুরু করে। তাদের অভিযোগ, দলের মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেছেন—যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাই তাকে বাদ দিয়ে বিকল্প কোনো নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান তারা।

    এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় মান্নানপন্থী এবং মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় বিষয়টি নজরে আসে কেন্দ্রীয় যুবদলের।

    এরই অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগে সোনারগাঁ থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদুর রহমান স্বপন এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য শহীদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠায় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। সর্বশেষ গতকাল সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যুবদল নেতা আশরাফকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানায় যুবদল।

    দলীয় সূত্রের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে ঐক্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় নেতারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

  • বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নান–এর মনোনয়ন বাতিল করে নতুন প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিতরা। এ দাবিতে তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন। আবেদনটি মহাসচিবের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা নিজেদেরকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের দীর্ঘদিনের কর্মী ও মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দাবি করেন—প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় জনমনে হতাশা, ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

    চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোনারগাঁ এলাকায়—

    চাঁদাবাজি

    জমি দখল

    নদীপথে টোল লুট

    মামলা-মোকদ্দমা জটিলতা

    বালুর ব্যবসা

    ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগে অনৈতিক প্রভাব

    —ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাক্ষরকারীদের দাবি, এসব অনিয়মে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নাম উঠে এসেছে, যা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

    এছাড়া তারা উল্লেখ করেন—সিদ্ধিরগঞ্জবাসীকে “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় সেই অঞ্চলের জনগণও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

    জামায়াত প্রার্থীর তুলনা

    চিঠিতে বলা হয়, একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একজন শিক্ষিত ও সুনামধন্য কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে প্রার্থী করেছে। ফলে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকেও বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    ‘দলীয় স্বার্থে প্রার্থী পরিবর্তন প্রয়োজন’

    আবেদনে দাবি করা হয়, মান্নানকে মনোনয়ন দিলে এই আসনে বিএনপির বিজয়ের সম্ভাবনা “শূন্যের কোঠায়” নেমে আসবে। তারা বলেন—

    “দলের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা যেকোনো সিদ্ধান্ত মানতে প্রস্তুত। আমাদের মধ্য থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিজয়ী করব।”

    আবেদনপত্রে স্বাক্ষরকারীরা

    চিঠিতে যেসব নেতারা স্বাক্ষর করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী

    অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম,সাবেক এমপি

    আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন,

    আহ্বায়ক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাবেক মহাপরিচালক

    ওয়ালিউর রহমান আপেল,

    সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার মোঃ আবু জাফর, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি

    অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল ও  সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি

    আল মুজাহিদ মল্লিক।

    আবেদনটির অনুলিপি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদককেও প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

    সোনারগাঁয়ে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল আহমেদ খোকনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা কাজী আমিনুল ইসলাম মামুন এ ঘটনায় অভিযোগ করেছেন।

    মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে মাঝেরচর এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার পাশের প্রায় ১৫ শতাংশ জমিতে বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ করছেন খোকনের লোকজন। অভিযোগ রয়েছে, মাঝেরচর মৌজার এসএ ৯৬ দাগের এই জমিটি সোনা মিয়া পরিবারের ৬ জন ওয়ারিশের মালিকানাধীন হলেও তাদের মধ্যে মাত্র ২ জনের থেকে অংশ কিনে পুরো জমি দখল করার চেষ্টা করছেন অভিযুক্তরা।

    জমির মালিকানা নিয়ে নাঈম খন্দকার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই জমির ওপর মামুনের পক্ষেই মামলার রায় এসেছে। তারপরও খোকনের প্রভাব খাটিয়ে আমাদের জমি দখল করে নেওয়া হচ্ছে।”

    এ ঘটনায় কাজী আমিনুল ইসলাম মামুন বাদী হয়ে রাসেল আহমেদ খোকন, সেলিম মোল্লা, নিহার খন্দকার, সাকিব, আল আমিন মাস্টার, শাকিলসহ অজ্ঞাত আরও ৪০–৫০ জনকে আসামি করে তালতলা পুলিশ ফাঁড়ি ও বিশনন্দী সেনা ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রাসেল আহমেদ খোকন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “২০০৭ সাল থেকে ক্রয়সূত্রে এই জমির মালিক আমি। কেউ ওয়ারিশ দাবি করলে প্রমাণাদি দেখাক। আমার নামজারির বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে ভূমি অফিসে মামলা করতে পারে।”

    তদন্তকারী কর্মকর্তা তালতলা ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, “অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছি। উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই চলছে। যেহেতু বর্তমানে বিবাদীরা জমির দখলে আছে, তাই মালিকানার বৈধ প্রমাণ নিয়ে বসার জন্য দু’পক্ষকেই বলা হয়েছে।”

    ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

  • সোনারগাঁয়ে ফের তিতাসের অভিযান: অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, চুনা–ঢালাই কারখানা উচ্ছেদ

    সোনারগাঁয়ে ফের তিতাসের অভিযান: অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, চুনা–ঢালাই কারখানা উচ্ছেদ

    নিউজ সোনারগাঁ : সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও চুনা ও ঢালাই কারখানার বিরুদ্ধে আবারও অভিযান পরিচালনা করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে যাদুঘর গেটসংলগ্ন ইছাপাড়া এলাকায় একটি চুনা কারখানা এবং থানা এলাকার পাশে একটি ঢালাই কারখানা ও একটি খানাডুলি কারখানা এক্সক্যাভেটর দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অবৈধ সংযোগ ব্যবহারের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়। অভিযান নেতৃত্বে ছিলেন তিতাস গ্যাস সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার রবিউল আওয়াল।

    তিতাস কর্তৃপক্ষ জানায়, একই এলাকায় পূর্বেও কয়েক দফা অভিযান পরিচালনা করা হলেও অবৈধভাবে চুনা কারখানা চালানো বন্ধ হয়নি। এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    অভিযান চলাকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় এবং পানি ছিটিয়ে চুন বিনষ্ট করা হয়।

  • মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান সোনারগাঁ থানা যুবদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান সোনারগাঁ থানা যুবদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে জনসম্মুখে বিরূপ মন্তব্য ও বিরোধিতার অভিযোগে সোনারগাঁও থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদুর রহমান স্বপন এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।

    কেন্দ্রীয় যুবদলের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দলীয় গুরুদায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও উক্ত দুই নেতা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছেন—যা সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও দলীয় স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বিষয়টি যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নজরে আসার পর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়।

    নোটিশে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের জন্য কেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তা কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সামনে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশক্রমে নোটিশটি প্রেরণ করেন সংগঠনের সহ–দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া মিস্টি।

    দলীয় নীতিমালা ভঙ্গের এমন অভিযোগ ওঠায় সোনারগাঁও ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলসহ তৃণমূল পর্যায়ে এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ ৩১ দফা রাষ্ট্রীয় কাঠামো মেরামত কর্মসূচি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান

    সোনারগাঁয়ে সম্প্রীতি সমাবেশ ৩১ দফা রাষ্ট্রীয় কাঠামো মেরামত কর্মসূচি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্রীয় কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরতে সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার বারদী মাঠে বারদী ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

    সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বারদী ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—
    সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন,
    সিনিয়র সহসভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম টিটু,
    সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম,
    তাজুল ইসলাম সরকার,
    সোনারগাঁ পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া,
    সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন,
    নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিব,
    জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান,
    উপজেলা বিএনপি নেতা আলী আজগর, মো. মনিরুজ্জামান, সেলিম হোসেন দিপু,
    ডা. মিজানুর রহমান,
    বারদী ইউনিয়ন বিএনপির নেতা আব্দুল হালিমআব্দুর করিমসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন,
    “বিএনপির কঠিন সময়ে আমি নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। তাই দল আমাকে মূল্যায়ন করেছে। এই মূল্যায়ন সোনারগাঁবাসীর প্রতি আস্থার প্রতিফলন। ভবিষ্যতেও এলাকার মানুষের কল্যাণে পাশে থাকব। সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন আমরা জনগণকে উপহার দিতে চাই।”

    সমাবেশে বক্তারা ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

  • সোনারগাঁয়ে একমাসে সন্ধান মিলেনি স্কুল ছাত্র বিজয়ের

    সোনারগাঁয়ে একমাসে সন্ধান মিলেনি স্কুল ছাত্র বিজয়ের

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁ থেকে নিখোঁজ হওয়ার এক মাস পার হলেও মেলেনি স্কুলছাত্র বিজয় ইসলাম (১০) এর কোনো খোঁজ। সন্তানকে হারিয়ে দিশেহারা পরিবার। এখনও আশায় দিন গুনছে।

    স্থানীয়ভাবে অনেক খোঁজাখুঁজি, মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হলেও বিজয়ের সন্ধান মেলেনি।

    ১৮ অক্টোবর বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের চেঙ্গাইল রোড এলাকার বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় বিজয়। নিখোঁজের সময় তার পরনে ছিল নেভী-সাদা রঙের ডোরা গোল-গলা গেঞ্জি ও থ্রি-কোয়াটার প্যান্ট। বিজয় সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে অবস্থিত মোশারফ হোসেন স্কুল এন্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র।

    বিজয়ের বাবা আশরাফুল ইসলাম বাবু স্থানীয়ভাবে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করেন,মা এসতেমা আক্তার চম্পা গৃহিনী। তাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের তেকালা গ্রামে। পরিবারটি সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর এলাকায় জিলানী মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। এই ঘটনায় সোনারগাঁয় থানার জিডি নম্বর-৮৬৫। তারিখ ১৯ অক্টোবর।

    বিজয়ের বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, গত ১৮ অক্টোবর বিকেলে ছেলেটা বের হয়ে চেঙ্গাইল ফ্যান কারখানার সামনে বালুর মাঠে খেলতে যায়। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি, কিন্তু সন্ধান পাইনি। তিনি বলেন, পরদিন ১৯ অক্টোবর সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরী(জিডি) করা হলেও এখনো কোনো অগ্রগতি নেই।

    সন্তানকে হারিয়ে কাঁদছেন মা এসতেমা আক্তার চম্পা। তিনি বলেন, আমার মানিক কোথায় আছে জানি না। এক মাস হয়ে গেল, তবুও ছেলেকে খুঁজে পেলাম না। দ্রুত ছেলেকে ফিরে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা চান তিনি।

    পরিবারের পক্ষ থেকে যে কেউ বিজয়ের সন্ধান পেলে বাবা আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোন নম্বর-০১৭৬৬১৩৪৪৩৭, ০১৮৩৩৯৭৯৭৯৫, যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী জানান, নিখোঁজ স্কুলের পরিবার থানায় জিডি করেছে। তার সন্ধানে সব থানাগুলোতে বেতার বার্তা পাঠানো হয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট স্কুলের মালামাল বিক্রির ঘটনায় ক্ষোভ: জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঝাড়ু–জুতা মিছিল

    সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট স্কুলের মালামাল বিক্রির ঘটনায় ক্ষোভ: জড়িতদের শাস্তির দাবিতে ঝাড়ু–জুতা মিছিল

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পঞ্চমীঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের মালামাল রাতের অন্ধকারে গোপনে বিক্রির প্রতিবাদে ঝাড়ু ও জুতা মিছিল করেছে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে সাদিপুর ইউনিয়নের পঞ্চমীঘাট স্কুলের সামনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রতিবাদকারীরা অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি মনিরুজ্জামান ভূইয়া, সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান ভূইয়া মাসুম এবং একাধিক অভিযোগে বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক মো. জাহাঙ্গীর আলমের নির্দেশে স্কুল বন্ধ থাকার দিনে রাতের আধাঁরে নিয়মবহির্ভূতভাবে মালামাল বিক্রি করা হয়। পরে এলাকাবাসী পিকআপভর্তি মালামাল আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    মানববন্ধনে সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম বলেন, “এ ইউনিয়নকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে মাসুম ও মনিরুজ্জামান ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। নিয়মবহির্ভূতভাবে স্কুলের মালামাল বিক্রির পর এখন উল্টো নির্দোষ মানুষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

    ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান মাসুদ মোল্লা বলেন, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মালামাল চুরি করে বিক্রি করার মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনা পুরো ইউনিয়নের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিল এবং থাকবে। দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।”

    স্থানীয়রা জানান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মালামাল বিক্রির পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর নজরদারি এবং পরিচালনা কমিটিতে সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি জরুরি। মানববন্ধন শেষে ঝাড়ু ও জুতা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানানো হয়।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান ভূইয়া মাসুম দাবি করেন, “একটি কুচক্রী মহল আমাদের হয়রানি করতে ঘটনা সাজিয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে মিটিংও করেছি।” বর্তমান সভাপতি মনিরুজ্জামান ভূইয়া বলেন, “স্কুলের একটি কমিটির সিদ্ধান্তে মালামাল বিক্রি করেছি। তবে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিক্রি শেষে গাড়িতে মাল তুলতে রাত হয়ে যায়। এখানে চুরির ঘটনা নেই।”

    উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা অবস্থায় পরিচালনা কমিটির নির্দেশে নিয়মবহির্ভূতভাবে মালামাল একটি ভাঙ্গারির পিকআপে তোলা হলে এলাকাবাসী তা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

  • সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী আরো এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী আরো এক শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদী থেকে ইউনুস মিয়া (৩৫) নামে এক ড্রেজার শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

    শনিবার ১৫ নভেম্বর দুপুরে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের বসুন্ধরা ফুড এন্ড ভেবারেজ কোম্পানির পাশে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইউনুস মিয়া বরিশাল জেলার বানাইপাড়া ইউনিয়নের ওমরপাড়া এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে।

    বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মাহবুবুর রহমান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা একটি ড্রেজার গত বৃহস্পতিবার মেঘনা নদীতে তলিয়ে গিয়ে ড্রেজারে থাকা তিন শ্রমিকের মধ্যে একজন পানিতে ডুবে যায়। শনিবার দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মোটরসাইকেল শোডাউন

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে শুক্রবার সকালে মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোনারগাঁ থেকে শুরু হওয়া শোডাউনটি কাঁচপুর চিটাগাং রোড হয়ে পাঠানটুলি ও হাজীগঞ্জ নতুন রাস্তা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

    আয়োজকদের ভাষ্য, এসময় হাজারো নেতাকর্মী মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউনে অংশ নেন।

    শোডাউনের শুরুতে প্রার্থী ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। পরে বর্ণিল ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে শোডাউনটির যাত্রা শুরু হয়। পথে পথচারী এবং স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়।

    শোডাউনে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের সাবেক আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের দলীয় প্রার্থী মাওলানা মইনুদ্দিন আহমাদ। এছাড়া মহানগর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন ও এইচ এম নাসির উদ্দিন, জেলা সহকারী সেক্রেটারি আবু সাঈদ মুন্না, মহানগর কর্মপরিষদ সদস্য মো. জাকির হোসাইন, অ্যাডভোকেট মাইন উদ্দিন মিয়া এবং মহানগর শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি হাফেজ আব্দুল মোমিনসহ স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।