Category: বিশেষ সংবাদ

  • নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

    নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন

    নিউজ সোনারগা: মেঘনা নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এ পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করে অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং।

    পরিদর্শনে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং-এর পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন। তার সঙ্গে ছিলেন উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক এ.এইচ.এম রাসেদ ও সহকারী পরিচালক মো. মোবারক হোসেন।

    পরিদর্শনকালে সোনারগাঁও সীড ক্রাশিং মিলস লিমিটেড ও মেঘনা পাল্প অ্যান্ড পেপার মিলস লিমিটেড-এর ইটিপি আউটলেট থেকে তরল বর্জ্যের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পাশাপাশি কারখানাগুলোর সামগ্রিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ু ও পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং ইটিপি’র কার্যকারিতা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

    পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে উপপরিচালক সৈয়দ আহমেদ কবির বলেন, “শিল্প উন্নয়নের সঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে। আমরা নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।”

    পরিচালক সৈয়দ ফরহাদ হোসেন বলেন, “পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • শাকিলের সুস্থতা কামনায় জামায়াত নেতার দোয়া

    শাকিলের সুস্থতা কামনায় জামায়াত নেতার দোয়া

    নিউজ সোনারগাঁ: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও এনসিপি সোনারগাঁ শাখার মুখ্য সমন্বয়কারী শাকিল সাইফুল্লাহর আশু সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য এবং সোনারগাঁ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. মাওলানা ইকবাল হোসেন।

    বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মোগরাপাড়া চৌরাস্তার পুবান সেবা হাসপাতালে শাকিল সাইফুল্লাহকে দেখতে যান এবং তার সহকর্মীদের নিয়ে দোয়ায় অংশ নেন। এ সময় তিনি শাকিলের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং তার পরিবারের খোঁজখবর নেন। দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নাগরিক পার্টির মুখ্য সম্বয়ক তুহিন মাহমুদসহ সোনারগাঁ যুবশক্তির অন্যান্য সদেস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    গত বুধবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জাঙ্গাল এলাকায় ঢাকা থেকে তার মোটর সাইকেলে করে সোনারগাঁ আসার পথে সাইফুল্লাহ দুর্ঘটনা শিকার হন। আহত সাইফুল্লাহকে উদ্ধার করে স্থানীয় বা মোগড়াপাড়া চৌরাস্তা সেবা হসপিটালে তাকে ভর্তি করেন।

     

  • সোনারগাঁয়ে কোরবানির পশুর সংকট: গরুর বদলে ছাগলেই ভরসা

    সোনারগাঁয়ে কোরবানির পশুর সংকট: গরুর বদলে ছাগলেই ভরসা

    সোনারগাঁ প্রতিনিধি:
    আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর পবিত্র ঈদুল আযহা। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানির মাধ্যমে আত্মত্যাগ ও ত্যাগের মহিমায় উদযাপন করবেন এই ধর্মীয় উৎসব। তবে এবছর সোনারগাঁয়ে দেখা দিয়েছে কোরবানির পশুর ঘাটতি। বিশেষ করে গরুর সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এবছর সোনারগাঁয়ে দুইটি স্থায়ী ও ১৪টি অস্থায়ী হাটের ইজারা দেওয়া হয়েছে। হাটে পশু আনলেও সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। এতে অনেক ক্রেতাই পছন্দসই বা সামর্থ্যের মধ্যে গরু না পেয়ে ছাগলের দিকে ঝুঁকছেন।

    হাটে ঘুরে দেখা গেছে, অনেকেই গরু খুঁজে ব্যর্থ হয়ে ছাগল কিনে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ আবার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এবার পশুর দাম যেমন বেশি, তেমনি পছন্দমতো গরু পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

    এদিকে স্থানীয় পশু ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে গরু আসা কম হওয়া, স্থানীয়ভাবে চাষ কম হওয়া এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে প্রভাব পড়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, কোরবানির পশু সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

    সাধারণ মানুষ আশা করছেন, শেষ মুহূর্তে হলেও কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরবে বাজারে, যাতে সবাই ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতে পারেন যথাযথভাবে।

     

  • খন্দকার পনির এর এনসিপিতে যোগদানের কারণে সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ থেকে অব্যাহতি

    খন্দকার পনির এর এনসিপিতে যোগদানের কারণে সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ থেকে অব্যাহতি

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

    সোনারগাঁ নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব কবি খন্দকার পনির বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সোনারগাঁ শাখার মুখ্য সমন্বয়ক পদে যোগ দেওয়ায় নাগরিক সমাজ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

    রোববার (তারিখ উল্লেখ করুন) সন্ধ্যায় সংগঠনের আহ্বায়ক ফরিদ হোসেনের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। অব্যাহতির বিষয়ে খন্দকার পনির লেখেন, “আমি সোনারগাঁ নাগরিক সমাজে সদস্য সচিব থাকাকালীন সময়ে সাধ্যানুযায়ী নীতি-নৈতিকতার সঙ্গে সংগঠনকে ধারণ করেছি এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিতে যোগদানের জন্য আমি কোনো বিরাগভাজন না হয়েই অব্যাহতি নিচ্ছি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী সক্রিয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেউ সদস্য পদে থাকতে পারেন না। সেই নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে খন্দকার পনিরের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • কালবৈশাখী ঝড়ে সোনারগাঁয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    কালবৈশাখী ঝড়ে সোনারগাঁয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: গতকাল শুক্রবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সোনারগাঁয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা, ফসল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। হঠাৎ শুরু হওয়া ঘন্টাব্যাপী ঝড় ও বৃষ্টিতে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক ও ভোগান্তি নেমে আসে।

    স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল বাতাস ও বৃষ্টিতে বহু দরিদ্র মানুষের ঘরবাড়ি ভেঙে যায়, গাছপালা উপড়ে পড়ে। অনেকের মুরগির ফার্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং মাঠের শাক-সবজি ও ফলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। আমগাছের অনেক ফল পড়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে।

    ঝড়ের সময় বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে এবং কোথাও তার ছিঁড়ে পড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শনিবার সকাল বা বিকেল নাগাদ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরে আসলেও এখনো অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

    বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে। অনেকের ফ্রিজে রাখা খাবার নষ্ট হয়ে গেছে, মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন উঁচু ভবনের ভাড়াটিয়ারা, কারণ বিদ্যুৎ না থাকায় পানির ট্যাংকে পানি রিজার্ভ করা সম্ভব হয়নি। ফলে রান্না ও টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় কাজে পানি সংকটে পড়তে হয় অনেক পরিবারকে।

    উপজেলার জনবিচ্ছিন্ন এলাকাগুলোতে গড়ে ওঠা পোলট্রি ফার্মগুলোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্লাট্টি ফার্মের মালিক সজিব জানান, তার একটি বড় ফার্ম সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে এবং বহু মুরগি মারা গেছে।

    সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের সিকিউরিটি অফিসার শফিক জানান, ঝড়ে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন ফলদ গাছসহ সৌন্দর্য বর্ধনের গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    সবজি চাষি রফিক বলেন, তার এবং আশেপাশের কৃষকদের শাকসবজির ক্ষেত ঝড়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। পুঁইশাক, ঢেঁটা, জালি কড়াসহ অনেক মৌসুমি শাক-সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

    সোনারগাঁ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম জানান, ঝড়ে অনেক জায়গায় খুঁটি ভেঙে পড়েছে, তার ছিঁড়ে গেছে এবং কিছু জায়গায় ট্রান্সফরমার বিস্ফোরিত হয়েছে। এগুলো মেরামত করে বেশ কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফিরিয়ে দেয়া হলেও এখনো কিছু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

  • সোনারগাঁয়ে টানা তৃতীয় বছরে লিচুর ফলন বিপর্যয়, হতাশ চাষিরা

    সোনারগাঁয়ে টানা তৃতীয় বছরে লিচুর ফলন বিপর্যয়, হতাশ চাষিরা

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: সোনারগাঁয়ে এবারও লিচুর ফলনে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। টানা তৃতীয় বছরের মতো অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে। এতে চাষি ও ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

    স্থানীয় চাষিরা জানান, সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় গাছে লিচুর আকার ছোট হচ্ছে, ফলে অপরিপক্ব অবস্থায়ই পেকে যাচ্ছে। এতে স্বাদ ও মিষ্টির ঘাটতিও দেখা দিচ্ছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে গাছে পোকার আক্রমণ বেড়েছে, পাশাপাশি কাক ও বাদুড়ের উপদ্রবে রাতদিন লিচু খেয়ে নষ্ট করছে।

    চাষিদের অভিযোগ, সোনারগাঁয়ে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলোর কালো ধোঁয়া পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলছে, যা লিচুর ফলনেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন অনেকে।

    বর্তমানে সোনারগাঁয়ে কদমী, মোজাফফরপুরী, চায়না-৩, এলাচি ও পাতি—এই পাঁচ প্রজাতির লিচুর চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে কদমী লিচু সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেক চাষি অন্যান্য ফসল বাদ দিয়ে এখন পুরোপুরি লিচু চাষে ঝুঁকছেন।

    উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ৫০০টি ছোট-বড় লিচুর বাগান রয়েছে, যার বেশিরভাগই কদমী জাতের। প্রতি বছর একটি বাগান ৪-৫ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও, এবার তা ১-২ লাখ টাকায়ও বিক্রি করা যাচ্ছে না। বর্তমানে কদমী লিচু প্রতি শত (১০০টি) বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, আর পাতি লিচু ১০০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    গামতলী গ্রামের লিচু চাষি তাইজুল ইসলাম বলেন, “খরার কারণে গত কয়েক বছর ধরে লিচুর ফলন ভালো হচ্ছে না। গত বছর যে বাগান ২.৫ লাখে বিক্রি হয়েছিল, এবার সেটা ১ লাখ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে না।”
    সাহাপুর এলাকার লিচু ব্যবসায়ী মশিউর রহমান, বাদশা ও মাসুদ বলেন, “আমরা ফলন না দেখেই বাগান কিনে ফেলি। ভাগ্যের উপর নির্ভর করেই লিচু ব্যবসা করি। কিন্তু টানা কয়েক বছর ধরে ক্ষতিই গুনছি।”

    সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা জানান, “সোনারগাঁয়ের আবহাওয়া সাধারণত লিচু চাষের জন্য উপযোগী। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে ফলনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কৃষি বিভাগ চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দিলেও প্রকৃতির বিপরীতে লড়াই করে লাভ হচ্ছে না।”

    উপজেলার পৌরসভার সর্দার বাড়ি, পানাম, অর্জুন্দি, সাহাপুর, দত্তপাড়া, কৃষ্ণপুরা, ভট্টপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় উন্নত মানের লিচুর চাষ হয়ে থাকে। এসব এলাকায় ফলন বিপর্যয়ের প্রভাব বেশি দেখা দিয়েছে।

    চাষিরা এ পরিস্থিতিতে সরকারি সহায়তা ও ফলন ধরে রাখতে বিশেষ উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।

  • সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এখন কাঁচাবাজারের দোকান

    সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় এখন কাঁচাবাজারের দোকান

    সরকার পরিবর্তনের পর ভাঙচুর, এখন চলছে ভাড়া ব্যবসা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁ: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় অবস্থিত সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় আজ কাঁচাবাজারের দোকানে পরিণত হয়েছে। ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর দুর্বৃত্তদের হামলায় কার্যালয়টি ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হয়। এরপর কিছুদিন পরিত্যক্ত থাকার সুযোগে দখলদাররা কার্যালয়টি ভাড়া দিয়ে কাঁচা বাজারের দোকান বসিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    সূত্রে জানা যায়, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসনাত ব্যক্তিগতভাবে জায়গাটি ক্রয় করে একটি টিনশেড দলীয় কার্যালয় গড়ে তুলেছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম নান্নুর নেতৃত্বে এটি দুইতলা পাকা ভবনে রূপান্তরিত হয়। বহু বছর ধরে এখানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছিল।

    চলতি বছরের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পরপরই পরিস্থিতির নাটকীয় পরিবর্তন ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা কার্যালয়টি দখল করে সেখানে কাঁচাবাজার বসিয়ে দেন। দোকানদারদের কাছ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ টাকা করে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, একসময় রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ছিল যে কার্যালয়টি, এখন তা পরিণত হয়েছে একটি ধ্বংসস্তূপে। দরজা-জানালাবিহীন ভবনটির সামনে রয়েছে সবজি ও ফলের দোকান। ভেতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সবজি ও ফলের ঝুড়ি। বাইরে থেকে দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই এটি কোনো রাজনৈতিক কার্যালয় ছিল। পুরো পরিবেশ যেন একটি সাধারণ কাঁচামালের আড়ৎ।

    কার্যালয়ের সামনে বসা একাধিক দোকানদার জানান, “অফিসটি অনেকদিন খালি পড়ে ছিল। আমরা দখলদারদের কাছ থেকে দৈনিক ভাড়ায় জায়গা নিয়ে দোকান সাজিয়েছি।”

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “দেশের অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে, দলীয় অফিস তো দূরের কথা, নিজের বাড়িতে বসবাস করাও এখন নিরাপদ নয়। আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে শেষ করে দিয়েছে। এখন জীবন বাঁচানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আলহামদুলিল্লাহ, এখনো বেঁচে আছি।

    এক সময়ের প্রাণবন্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় আজ দখলদারিত্ব ও অবহেলার করুণ চিত্র বহন করছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার এ দৃশ্য সাধারণ মানুষের মাঝেও উদ্বেগ ছড়াচ্ছে।

  • সোনারগাঁয়ে আগাম লিচুর বাম্পার ফলন, খুশি চাষিরা

    সোনারগাঁয়ে আগাম লিচুর বাম্পার ফলন, খুশি চাষিরা

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে থোকায় থোকায় ঝুলছে রসালো সবুজ লিচু। সম্প্রতি টানা দুই দিনের বৃষ্টির পর মুকুল থেকে গুটি বের হয়ে লিচুগুলো বড় হতে শুরু করেছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এসব লিচু পাকতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লিচু চাষিরা।

    সোনারগাঁয়ের লিচু দেশের অন্যান্য এলাকার তুলনায় আগেই বাজারে আসে। এ কারণে এর চাহিদাও বেশি, ফলে চাষিরা ভালো মুনাফা পান। শুরু থেকে বাজারজাতকরণ পর্যন্ত বাগানের প্রতিটি গাছেই চলে নিবিড় পরিচর্যা।

    বর্তমানে সোনারগাঁয়ে কদমী, মোজাফফরপুরী, চায়না-৩, এলাচি ও পাতি—এই পাঁচ প্রজাতির লিচু চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে কদমী জাতের লিচু সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেক চাষি অন্যান্য ফসল বাদ দিয়ে এখন পুরোপুরি লিচু চাষে ঝুঁকছেন।

    প্রতি বছর একটি লিচু বাগান ৪-৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয়। ফাঁকা জায়গা পেলেই চাষিরা নতুন কদমী লিচুর বাগান গড়ে তুলছেন। চলতি বছর খরায় কিছু মুকুল নষ্ট হলেও সামগ্রিকভাবে ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

    সোনারগাঁ উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ৫০০টির মতো ছোট-বড় লিচুর বাগান রয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই কদমী জাতের লিচু। বর্তমানে কদমী লিচু প্রতি শত (১০০) বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায় এবং পাতি লিচু ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়।

    উপজেলার সোনারগাঁ পৌরসভা, বৈদ্যেরবাজার, মোগরাপাড়া, বারদী, সনমান্দি ও সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে লিচুর বাগান রয়েছে। বিশেষ করে পৌরসভার সর্দার বাড়ী, পানাম, অর্জুন্দি, সাহাপুর, দত্তপাড়া, কৃষ্ণপুরা, ভট্টপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় উৎকৃষ্ট মানের লিচু উৎপাদন হয়।

    গামতলী গ্রামের লিচু চাষি তাইজুল ইসলাম জানান, “খরায় কিছু ক্ষতি হলেও এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। গত বছর যে বাগান ২.৫ লাখে বিক্রি হয়েছিল, এবার সেটা ৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি।”

    সাহাপুর এলাকার লিচু ব্যবসায়ী মশিউর রহমান, বাদশা ও মাসুদ বলেন, “আমরা ফলন না দেখেই বাগান কিনে ফেলি। ভাগ্যের উপর ভর করেই লিচু ব্যবসা করি। তবে সোনারগাঁয়ের লিচুর দাম সবসময়ই ভালো থাকে।”

    সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা জানান, “সোনারগাঁয়ের আবহাওয়া লিচু চাষের জন্য অনুকূল। যদিও খরার কারণে কিছু গুটি ঝরে গেছে, তবুও এ বছর ফলন ভালো হয়েছে। চাষিরাও সন্তুষ্ট।”

  • সোনারগাঁয়ে নির্ধারিত এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

    সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ — সোনারগাঁ জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামীকাল ৯ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিঃ বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারিত কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    তিতাস গ্যাস কোম্পানির গ্যাস লাইনের পাইপ মেরামত ও বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তরের কাজের জন্য এই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    যে এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না সেসব এলাকাগুলো হলো হাবিবপুর, বাড়ি মজলিস, কোম্পানিগঞ্জ, দৈলেরবাগ, রতনপুর, ভাটিবন্দর, ভবনাথপুর, বৈদ্যেরবাজার।

    এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং সাময়িক এই অসুবিধায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে।

    ডিজিএম,
    সোনারগাঁও জোনাল অফিস, পল্লী বিদ্যুৎ

  • দেড় দশক পর সোনারগাঁ থানা বিএনপির ‘ভয়হীন’ ঈদ

    দেড় দশক পর সোনারগাঁ থানা বিএনপির ‘ভয়হীন’ ঈদ

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: বিগত ১৫ বছরের বেশি সময় ঈদ মানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের কাছে ছিল বাড়তি আতংক। ঈদ মানেই ছিল হামলা-মামলা, গ্রেফতার-হয়রানির ভয়। বহু নেতা-কর্মী নিজ বাড়িতে থেকে ঈদ উদযাপন করতে পারেননি। অনেকের ঈদ কেটেছে জেলে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনে এবার ‘ভয়হীন’ স্বস্তির ঈদ উদযাপনের প্রত্যাশা করছেন দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা।

    দলটির নেতারা বলছেন, এবারের ঈদে কার্বন-ডাই অক্সাইডমুক্ত অক্সিজেনযুক্ত বাতাস যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্বজন হারানোর যন্ত্রণা। বিগত সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে তাদের তটস্থ থাকতে হতো। এবার চমৎকার পরিবেশে নেতারা ঈদে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এবারের ঈদ নেতা-কর্মীদের জন্য স্বস্তির। মন খুলে পরিবার পরিজনকে নিয়ে ঈদ জামাতে যাচ্ছেন আবার সেখানে বক্তব্যও রাখছেন যা বিগত বছরগুলোতে অনেকে চুরের মতো গেছি চোরের মতো বাড়িতে লুকিয়ে থেকেছি।

    কেমন ছিল গত সাড়ে ১৫ বছর

    গত দেড় দশক ধরে বিএনপিসহ মিত্র রাজনৈতিক দলগুলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছিল। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আন্দোলন সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন করে তাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচনের পর ছয় মাসের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। কোটা বাতিলের দাবিতে ওই আন্দোলন শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত তা সরকার পতনের আন্দোলনে গিয়ে দাঁড়ায়। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের মাধ্যমে ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ সরকারের পতন নিশ্চিত করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট।

    এ দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময়ের যাত্রায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা স্বাভাবিকভাবে কোনো জাতীয় বা ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেনি। ওয়ার্ড বা ইউনিট থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের নামে ছিল হাজার হাজার মামলা। গ্রেফতার আতংকে অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা নিজ বাড়িতে রাত কাটাতে পারেনি। নানানভাবে তাদের হয়রানি করেছে কখনো পুলিশ কখনো ক্ষমতাসীন দলের লোকজন। এখন অধিকাংশ রাজনৈতিক মামলা তুলে নেওয়া হয়েছে। নেতা-কর্মীরা অনেকটা মুক্ত। ঈদ কেন্দ্র করে অনেকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

     

    ‘ভয়’ জয় করে ‘স্বস্তির ঈদ’

    এবারের ঈদ নিয়ে নিউজ সোনারগাঁ এ প্রতিবেদক কথা বলেছেন বিএনপি ও এর অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। সবার বক্তব্যে উঠে এসেছে এবার নির্ভয়ে স্বস্তির সঙ্গে ঈদ উদযাপনের বিষয়টি।

     

  • ছন্নছাড়া সোনারগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ‘মানবেতর ঈদ’

    ছন্নছাড়া সোনারগাঁ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ‘মানবেতর ঈদ’

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

    * কর্মীদের ক্ষোভ নেতাদের ওপর•

    * নেতারা প্রকাশ করছেন অসহায়ত্ব•

    * জেলে ও দেশের বাইরে অধিকাংশ নেতা

    সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। মাত্র সাত মাস আগেও যে দলটির নেতা-কর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতেন, আজ তারা ছন্নছাড়া, অনেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলের শীর্ষ নেতাদের একাংশ কারাগারে, অন্যরা রয়েছেন দেশের বাইরে। তৃণমূল নেতা-কর্মীরা ঈদগাহে যাওয়ার কথাও ভাবতে পারছেন না, এমন মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি তারা আগে কখনো হননি।

    ‘স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবার মানবেতর ঈদ’

    উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মাসুম বলেন, ‘১৯৭১ সালের পর এবার প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে মানবেতর ঈদ কাটাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। পরিবার ও স্বজনদের ছেড়ে থাকতে হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, শেখ হাসিনা আপা যেদিন দেশে ফিরবেন, সেদিনই আমরা ঈদ উদযাপন করবো।’

    পৌরসভা যুবলীগের এক নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের দু:খ প্রকাশ করতে না পেরে প্রোফাইল ছবি কালো করে রেখেছেন।

    সাদিপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা ওবায়দুল্লাহ বাদল ফেসবুকে লিখেছেন, ‘৫ আগস্টের পর বড় ভাইকে হারানোর কষ্ট আজও বয়ে বেড়াচ্ছি। পরিবারের একমাত্র সন্তান হিসেবে এবার ঈদ করতে পারছি না, যা অসহনীয়।’

    ‘কষ্টের সমুদ্র পার করছি’

    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দেশের মাটিতে অবাধ বিচরণ বন্ধ করেছিল। আজ ২০২৪ সালে এসে আমরা আবার সেই পরিস্থিতির শিকার। লাখ লাখ নেতা-কর্মী মামলা, হামলা, জীবননাশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। স্বাধীনতা বিরোধীদের হাত থেকে দেশ রক্ষা করতে পারলেই আওয়ামী লীগের জন্য আবার ঈদ ফিরে আসবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজীবন দল করেছি, মানুষের উপকার করেছি, কারও ক্ষতি করিনি। বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীর চাকরির সুপারিশ করেছি, কারও মুক্তির জন্য আইনি সহায়তা দিয়েছি। তবুও শেষ বয়সে এসে জেল খাটতে হলো! ছেলে-মেয়েদের ছেড়ে বুড়োবুড়ি একা ঈদ করছি—এটা কি ঈদ? এটা কষ্টের সমুদ্র।’

    নেতা-কর্মীদের উদ্বেগ ও শঙ্কা

    আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বলছেন, নেতাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, খোঁজ-খবরও নেওয়া হচ্ছে না। আবার শীর্ষ নেতারাও বলছেন, সবার অবস্থা একই—কে কাকে খুঁজবে?

    ঈদের আনন্দ ফিকে হয়ে যাওয়া আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের একটাই প্রত্যাশা—দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার দেশে ফেরা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসা।

  • ছুটির দিনে জমে উঠেছে সোনারগাঁয়ের ঈদবাজার

    ছুটির দিনে জমে উঠেছে সোনারগাঁয়ের ঈদবাজার

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: রমজানের ২০তম দিনে ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে সোনারগাঁয়ের ঈদবাজারে উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। বড় বড় শপিং মল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকান—সবখানেই কেনাকাটার ধুম লেগেছে। নারী-পুরুষ, শিশু থেকে বৃদ্ধ—সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠেছে পুরো বাজার এলাকা।

    উপজেলার সবচেয়ে জনবহুল ও বাণিজ্যিক এলাকা মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ঘুরে দেখা যায়, শপিং মল ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ঢল নেমেছে। ঈদের আনন্দকে পরিপূর্ণ করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বাজারে এসেছেন অনেকেই।

     

    ঈদের কেনাকাটা করতে আসা নাদিয়া বলেন, “সারা বছর অপেক্ষা করি ঈদ শপিংয়ের জন্য। মার্কেটে আসতে দেরি করায় অনেক ভিড় পেয়েছি, তবে পছন্দের পোশাক কিনতে পেরে ভালো লাগছে।” তিনি জানান, নিজের কেনাকাটার পাশাপাশি ছেলে-মেয়ে শশুর শাশুরী ও স্বামীর জন্য কেনাকাটা করেছেন

     

    বিগবাজারের মালিক মোশাররফ হোসেন জানান, “ঈদের মৌসুমে আমাদের ব্যবসার প্রধান সময়। এবারও ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাচ্ছি। বিক্রিও আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে।”

    এদিকে, উপজেলার শিল্পনগরী কাঁচপুর এলাকায়ও ঈদের বাজার বেশ জমজমাট। সকাল থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে মার্কেট ও ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন ক্রেতারা। কাঁচপুর যেহেতু একটি শিল্প এলাকা, তাই এখানে মার্কেটের তুলনায় ফুটপাতে কেনাকাটার ভিড় বেশি লক্ষ করা গেছে। ছুটির দিনে গার্মেন্টস ও শিল্প শ্রমিকরা পরিবারের জন্য নতুন জামা-কাপড় কেনার জন্য দোকানে দোকানে ঘুরছেন। কারণ, ঈদের ছুটিতে তারা নাড়ির টানে বাড়ি ফিরবেন, তাই আগেভাগেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন।

    ফুটপাতে ঈদের পোশাক কিনতে আসা মনিষা বলেন, “এখনও বেতন-বোনাস পাইনি, কিন্তু সময়ও কম। তাই ছুটির দিনে নিজের জমানো টাকা দিয়ে পরিবারের জন্য সাধ্যের মধ্যে কেনাকাটা করছি।”

    ব্যবসায়ীদের মতে, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে, কেনাকাটার পরিমাণ ততই বাড়বে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তে বাজার আরও জমজমাট হবে বলে তারা আশা করছেন।

  • বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে “সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ” এর শোক বার্তা

    বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলামের মৃত্যুতে “সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ” এর শোক বার্তা

    বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব মো. সিরাজুল ইসলাম মাস্টারের মৃত্যুতে সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ গভীর শোক প্রকাশ করছে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    তিনি ছিলেন সোনারগাঁয়ের শিক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর অসামান্য অবদান, দেশপ্রেম, এবং শিক্ষার প্রসারে তাঁর অনন্য ভূমিকা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    সোনারগাঁ নাগরিক সমাজ তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমিন।

  • সোনারগাঁয়ে ভরপুর তরমুজ, তবুও বাজার চড়া

    সোনারগাঁয়ে ভরপুর তরমুজ, তবুও বাজার চড়া

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: পবিত্র রমজান মাস চলছে, আর এ সময়ে ইফতারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ তরমুজ। সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন তরমুজের সরবরাহ বেশ ভালো থাকলেও দাম রয়েছে চড়া। স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, এ বছর তরমুজের উৎপাদন ভালো হলেও পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, যার ফলে খুচরা বাজারেও দাম বাড়তি।

    সোনারগাঁয়ের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট ও মাঝারি আকারের তরমুজ প্রতি কেজি ৬০-৭০ টাকা এবং বড় আকৃতির তরমুজ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্রেতা অভিযোগ করছেন, রোজার শুরুতে দাম আরও বেশি ছিল, এখনো সহনীয় হয়নি।

    স্থানীয় এক বিক্রেতা জানান, “আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তরমুজ আছে, কিন্তু ঢাকার পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, তাই আমাদেরও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।”

    ইফতারি হিসেবে তরমুজের চাহিদা বরাবরই বেশি। বিশেষ করে সারা দিনের রোজার পর ঠান্ডা ও রসালো এই ফল খেলে তৃপ্তি মেলে বেশি। তাই উচ্চমূল্য সত্ত্বেও ক্রেতারা কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।

    ভোক্তারা আশা করছেন, রমজানের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে তরমুজের দাম কিছুটা কমবে এবং সবাই সহজে এই সুস্বাদু ফল উপভোগ করতে পারবেন।

  • রোজার আগেই বেড়েছে লেবু, শসা ও বেগুনের দাম

    রোজার আগেই বেড়েছে লেবু, শসা ও বেগুনের দাম

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম: পবিত্র রমজান শুরু হতে আর দুই–তিন দিন বাকি। তবে এর মধ্যেই সোনারগাঁয়ের বাজারগুলোতে বেড়েছে লেবু, বেগুন ও শসার দাম। সাধারণত রোজার সময় এসব পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। তবে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম এখনো বাড়েনি। আগের দামেই স্থিতিশীল রয়েছে এসব পণ্য।

     

    আজ শুক্রবার উপজেলার মোগরাপাড়া চৌরাস্তা, কাঁচপুর, মেঘনা শিল্পনগরী, বারদিসহ বিভিন্ন বাজারে ঘুরে ও খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, ‘রোজার পণ্যে’র দরদামের এমন চিত্র দেখা গেছে। ইফতারের সময় লেবুর শরবতের বেশ চাহিদা থাকে।

    বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ দামে লেবু বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে এলাচি লেবুর হালি ছিল ২০ থেকে ৪০ টাকা। এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। সিলেটের শরবতি লেবুর দাম প্রতি হালি ১০০-১২০ টাকা। আর প্রতি হালি কাগজি লেবুর দাম ৭০-৮০ টাকা।

     

    বিক্রেতারা বলছেন, রোজার কারণে হঠাৎ বাজারে লেবুর চাহিদা অনেক বেড়েছে; কিন্তু সে তুলনায় লেবুর সরবরাহ আসছে না।

    বিশেষ করে এখন লেবুর সিজন না। শীতকালে লেবুর ফলন হয়। এই সময় লেবুর ফুল আসা শুরু করেছে। বাজারে শীতকালের মতো দাম কমতে দুই তিন মাস লাগবে। এ কারণে দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, সোনারগাঁয়ে মুলতত সিলেট, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম ও টাঙ্গাইল থেকে লেবু আসে। এছাড়া লেবুর পাশাপাশি মাল্টার দামও কেজিতে ১৫-২০ টাকা করে বেড়েছে।

    আজ বিভিন্ন বাজারে এক কেজি মাল্টা ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ইফতারের সময় খাওয়া হয় এমন অন্যান্য ফলের দামও কেজিতে ১০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

    ইফতারের সময় বহুল ব্যবহৃত দুটি পণ্য—বেগুন ও শসার দামও কিছুটা বাড়তি।

    আজ শুক্রবার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি বেগুন ৪৫ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে হাইব্রিড শসা ৫০-৬০ টাকা ও দেশি শসা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।  খিরাইও দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে বেড়েছে ৩০-৪০ টাকা সপ্তাহখানেক আগে বেগুন ও শসার দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা করে কম ছিল।

     

    তবে বাজারে স্থিতিশীল রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম। আগের বছরগুলোতে রোজার শুরুতে খেজুর, ছোলা প্রভৃতির দামে কিছুটা বাড়তি প্রবণতা দেখা যেত। তবে এবার ব্যতিক্রম। এর কারণ, এ বছর রমজানের আগে সরকার খেজুর আমদানিতে শুল্ক-কর কমিয়েছে; যার ফলে বেড়েছে আমদানি।

     

     ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক মাসের মধ্যে মানভেদে খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। যেমন বর্তমানে প্রতি কেজি জায়েদি খেজুর ২২০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর ৩০০-৪৫০ টাকা ছিল। এ ছাড়া সাধারণ মানের মাবরুম খেজুর ১২০০-১৩০০ টাকা, আজওয়া ৭০০-৮০০ টাকা, মেডজুল ৯০০-৯৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বাজারে ছোলার দামও আগের তুলনায় কমেছে। এক মাস আগে এক কেজি ছোলার দাম ছিল ১৩০ টাকা। আজ প্রতি কেজি ছোলা ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। মানভেদে প্রতি কেজি চিড়া ৭০-৮০ টাকা, আখের গুড় ১৪০-১৮০ টাকা, খেজুর গুড় ২৫০-৩০০ টাকা ও মুড়ি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

  • যে কারণে বরখাস্ত হলে দলিল লিখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার

    যে কারণে বরখাস্ত হলে দলিল লিখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শহীদ সরকার

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম:

    দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বরখাস্ত সোনারগাঁ দলিল লেখক সমিতির সম্পাদক শহীদ

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শহীদ সরকারকে দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজির অভিযোগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রেজা স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সোমবার সকালে বরখাস্তের আদেশের কপি সোনারগাঁ উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে এসে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো. মুজিবুর রহমান। একই অভিযোগে আরও পাঁচজন নকলনবিশকে বন্দর ও ফতুল্লা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বদলি করা হয়েছে।

    অভিযোগ ও তদন্তের ফলাফল

    জানা গেছে, দলিল লেখক গাজী কামাল হোসেন ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে শহীদ সরকার এবং তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে শহীদ সরকারের বোন নকলনবিশ রূপালী ওরফে আছিয়া, লিপি আক্তার, রিনা আক্তার এবং ভাই মনির হোসেন সরকার ও পনির হোসেন সরকারের নাম উল্লেখ করা হয়।

    ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর সরেজমিন তদন্তে অভিযোগকারীর লিখিত বক্তব্য ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রেজা স্বাক্ষরিত এক আদেশে শহীদ সরকারকে বরখাস্ত করা হয়।

    এছাড়া, আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দলিল লেখার মূল সনদ বাতিল পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত জবাব না পেলে তার সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    অভিযোগকারী দলিল লেখক গাজী কামাল হোসেন বলেন, “শহীদ সরকার ও তার পরিবারের সদস্যরা রেজিস্ট্রি অফিসে প্রভাব বিস্তার করে লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করছে। গত চার বছরে দলিল লেখক সমিতির অর্থ আত্মসাৎ করেছে এবং নকলনবিশদের কাছ থেকে প্রতি দলিলে ১০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করে। দাবিকৃত টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।”

    অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া

    সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শহীদ সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাছে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। আমি যথাসময়ে জবাব দেব এবং আশা করি তদন্ত কমিটি আমাকে নির্দোষ প্রমাণ করবে।”

    প্রশাসনের বক্তব্য

    সোনারগাঁ উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার মো. মুজিবুর রহমান বলেন, “শহীদ সরকারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং লিখিত আদেশের কপি আমাদের কার্যালয়ে পৌঁছেছে। পাশাপাশি আরও পাঁচজন নকলনবিশকে বদলি করা হয়েছে।”

    নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার খন্দকার জামিলুর রেজা বলেন, “তদন্তে প্রাথমিকভাবে শহীদ সরকার দোষী প্রমাণিত হয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিলে তার সনদ স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে।”