Category: রাজনীতি

  • নারায়ণগঞ্জ–৩ আসনে ১০ দলের একক প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন

    নারায়ণগঞ্জ–৩ আসনে ১০ দলের একক প্রার্থী ড. ইকবাল হোসেন

    নিউজ সোনারগাঁ :নারায়ণগঞ্জ–৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০ দলের জোটের একক প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী নেতা ড. মাওলানা প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসেনকে ঘোষণা করা হয়েছে।

    রোববার জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রার্থী ঘোষণা শেষে আজ সোমবার ড. ইকবাল হোসেন দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন।

    জোট নেতারা জানান, নারায়ণগঞ্জ–৩ আসনে একটি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতেই ১০ দলের সমর্থনে ড. ইকবাল হোসেনকে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তিনি বিজয় অর্জন করবেন।

    মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে এলাকায় নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

  • দুই দল থেকে মনোনয়ন পেলেন সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা

    দুই দল থেকে মনোনয়ন পেলেন সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় পার্টির (জাপা) জিএম কাদের নেতৃত্বাধীন অংশ ২৪৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দলটি।
    শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন। ঘোষিত তালিকায় নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
    এর আগে, গত ২৩ ডিসেম্বর আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের প্রার্থিতা ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনেও একই আসনে লিয়াকত হোসেন খোকার নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে তিনি এবার দুটি রাজনৈতিক জোট/দল থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
    সংবাদ সম্মেলনে জাপা মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, অনেক আসনে একাধিক আগ্রহী প্রার্থী থাকায় মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে সময় লেগেছে। যাচাই-বাছাই শেষে আজ চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
    ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের রংপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচন করবেন। মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী গাইবান্ধা-১ ও গাইবান্ধা-৫—এই দুই আসন থেকে প্রার্থী হয়েছেন। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা লালমনিরহাট-১ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
    এদিকে জাপার ঘোষিত তালিকায় থাকা অন্তত চারজন প্রার্থীর নাম আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির একাংশ ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট থেকেও ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন—পনির উদ্দিন আহমেদ (কুড়িগ্রাম-১), ফখরুল ইমাম (ময়মনসিংহ-৮), লিয়াকত হোসেন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৩) এবং জিয়াউল হক মৃধা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)।
    উল্লেখ্য, ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফখরুল ইমাম। তিনি শুক্রবারের জাপার সংবাদ সম্মেলনেও উপস্থিত ছিলেন।
    এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করা জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও জিএম কাদেরের স্ত্রী শেরিফা কাদের এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না। গত নির্বাচনে তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের এক বিদ্রোহী প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।

  • ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দলীয় প্রার্থী আলহাজ্ব গোলাম মসীহ মনোনয়ন সংগ্রহ

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দলীয় প্রার্থী আলহাজ্ব গোলাম মসীহ মনোনয়ন সংগ্রহ

    নারায়ণগঞ্জ ৩ (সোনারগাঁ- সিদ্ধিরগঞ্জ)  আসন থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দলীয় প্রার্থী  আলহাজ্ব গোলাম মসীহ মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। 
    আসন্ন ত্রয়োদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোলাম মসীহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী  । মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এ সময় আলহাজ্ব  গোলাম মসীহ ’র পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা দ্বীন ইসলাম, জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক আহমেদ মুন্সী, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির সোনারগাঁ থানার সদর আলহাজ্ব মাওলানা সানাউল্লাহ নূরী, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সোনারগাঁ থানার সভাপতি নুরুল আমিন খান দ্বীনি সংগঠনের সদস্য  মোঃ ইয়াসিনসহ স্থানীয় ও  জেলার নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ  নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মোঃ রাকিবুজ্জামান রেনু কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
    এ সময় রাকিবুজ্জামান রেনু আশ্বস্ত করে বলেন আগামী নির্বাচন হবে ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এবং ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সুন্দর একটি পরিবেশে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোন আশঙ্কার কিছু নেই ঘোষিত সময়ে নির্বাচন হতেই হবে এর বিকল্পের চিন্তারও কোন সুযোগ নেই।
  • তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নতুন গতি সঞ্চার করবে

    তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নতুন গতি সঞ্চার করবে

    নিউজ সোনারগাঁ : আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দলের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (২২ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের মেঘনা বেপারী ভবনে আয়োজিত এ প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দলের আহ্বায়ক জিএম সুমন।
    প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বিএনপির দলীয় মনোনীত এমপি প্রার্থী ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান।
    সভায় বক্তারা বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করবে। তার আগমনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ জেলা জিয়া সৈনিক দল সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। সভায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
    এ সময় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের জিয়া সৈনিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত, শিরোনামভিত্তিক বা ভিন্ন স্টাইলে (অনলাইন/প্রিন্ট) সাজিয়ে দিতে পারি।

  • আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম তুললেন নেতাকর্মীরা

    আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম তুললেন নেতাকর্মীরা

    নিউজ সোনারগাঁ : আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।
    সোমবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসিফ আল জিনাতের কার্যালয় থেকে সোনারগাঁ থানা বিএনপি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির নেতাকর্মীরা এ মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির নেতা ও নাসিক কাউন্সিলর দিনা, রবি, সোনারগাঁ পৌরসভা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান মেম্বার, পিরোজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বিডিআর, জেলা যুবদল নেতা মিঠু, সাদেক হোসেন সেন্টুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় নেতাকর্মীরা বলেন, “আজহারুল ইসলাম মান্নান একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। সোনারগাঁয়ের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তিনি সবসময় পাশে থেকেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, দল তাকে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটে তিনি নির্বাচিত হবেন।”
    নেতাকর্মীরা আরও জানান, সোনারগাঁয়ে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি এখন ঐক্যবদ্ধ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।

  • সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে ধানের শীষ মান্নানেরই—বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত !

    সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে ধানের শীষ মান্নানেরই—বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত !

    শিরোনাম:

    সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে ধানের শীষ মান্নানেরই—বিএনপির সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত

    সংবাদ:
    সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ-৩) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামছেন সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান—এমন ইঙ্গিতই দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও ৩৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “মনোনয়ন তালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব কম।”
    এই বক্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়—নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী থাকছেন আজহারুল ইসলাম মান্নানই।

    মনোনয়ন বঞ্চিতদের আন্দোলনে অনড় কেন্দ্র

    গত ৩ নভেম্বর ঘোষিত ২৩৭ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় মান্নানের নাম আসার পর থেকেই মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকজন নেতা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন, বিক্ষোভ করেন এবং তারেক রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠান।
    এ নিয়ে সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ বিএনপিতে উত্তাপ ছড়ায়। মান্নানবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবদল নেতা শোকজ এবং একজনকে বহিষ্কারও করা হয়।

    এদিকে মান্নানের একটি অডিও ফাঁসকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ আরও বাড়ে। বিকল্প ও শিক্ষিত প্রার্থী দাবি করে মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা একাধিক সভা-সমাবেশও করেন।

    কেন মান্নানই চূড়ান্ত?

    দলের সিনিয়র নেতাদের দাবি—গত ১৭ বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, রাজনৈতিক ত্যাগ এবং মাঠপর্যায়ের জরিপের ভিত্তিতেই মান্নানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
    তাদের ভাষ্য, “বিরোধিতা থাকলেও প্রার্থী পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। ধানের শীষ মান্নানের হাতেই থাকবে।”

    সবশেষে প্রশ্ন একটাই—কে পেল প্রতীক?

    সব আলোচনা, বিক্ষোভ ও বিতর্কের পরেও এখন দৃশ্যত নিশ্চিত—নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষের চূড়ান্ত প্রার্থী হচ্ছেন আজহারুল ইসলাম মান্নান।

  • সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এআই বুমিং: বাড়ছে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ

    সোনারগাঁয়ে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এআই বুমিং: বাড়ছে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁ থানা বিএনপির রাজনীতিতে যোগ হয়েছে নতুন ধরনের উত্তেজনা। তথ্যপ্রযুক্তির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে প্রতিপক্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ‘বুমিং’ বা অপপ্রচার এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এতে নেতাকর্মীদের মধ্যে দিন দিন বাড়ছে অসন্তোষ, কমছে পারস্পরিক আস্থা—যা বিএনপির তৃণমূল রাজনীতিতে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

    জানা গেছে, সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মোট আটজন। গত ৩ তারিখে কেন্দ্রীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হয় সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে। তবে দলীয় সিদ্ধান্তকে ভালোভাবে নেননি বাকি সাতজন মনোনয়নপ্রত্যাশী ও তাদের সমর্থকরা।

    মনোনয়ন পাওয়ার পর গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চাঁদাবাজি নিয়ে মান্নানের মন্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ওই বক্তব্য প্রচার হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মনোনয়ন বঞ্চিতরা দাবি তোলেন—মান্নান বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ‘চাঁদাবাজ’ আখ্যা দিয়েছেন, তাই তার হাতে ধানের শীষ মানায় না। এ দাবিতে তারা বিভিন্ন বিক্ষোভ, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

    অন্যদিকে মান্নানপন্থী নেতাকর্মীরাও পাল্টা মিছিল-মিটিংয়ে নামেন। এর ধারাবাহিকতায় বিবাদ রাস্তাঘাট থেকে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। উভয় পক্ষের সমর্থকরা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অশালীন, বিভ্রান্তিকর ও অপমানজনক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার শুরু করেন। এতে নেতাকর্মীদের জনপ্রিয়তা প্রশ্নের মুখে পড়ার পাশাপাশি দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে মনে করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা।

    তৃণমূল নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একটি সাধারণ বিষয় নিয়ে বিএনপির নেতারা যেভাবে প্রকাশ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের কাছে নেতিবাচকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। নিজেদের মধ্যেই যদি হানাহানি ও বিভক্তি থাকে, তাহলে জনগণ কাকে বিশ্বাস করবে? এতে দলের যে ক্ষতি হচ্ছে, তার সুযোগ অন্য রাজনৈতিক দলগুলোই কাজে লাগাবে।”

    স্থানীয় নেতারা দ্রুত অভ্যন্তরীণ সংকট নিরসন এবং এআই অপপ্রচারের লাগাম টেনে ধরার বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর দৃষ্টি কামনা করেছেন।

  • যুবদলের শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় দ্বৈতনীতি: সোনারগাঁ–নারায়ণগঞ্জে তীব্র সমালোচনা

    যুবদলের শাস্তিমূলক ব্যবস্থায় দ্বৈতনীতি: সোনারগাঁ–নারায়ণগঞ্জে তীব্র সমালোচনা

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে যুবদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ এবং আরেক নেতাকে বহিষ্কার করাকে কেন্দ্র করে যুবদলের ভেতরে দ্বৈতনীতি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগে ভিন্ন শাস্তি দেওয়ায় তৃণমূল থেকে জেলা যুবদল পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    কারণ দর্শানোর নোটিশ দুই নেতাকে

    বিএনপি ঘোষিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিরূপ মন্তব্য ও বিরোধিতার অভিযোগে

    • সোনারগাঁ থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদুর রহমান স্বপন, এবং
    • নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য শহীদুল ইসলাম

    এর বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।

    কেন্দ্রীয় দপ্তর সূত্রে জানা যায়—দলীয় দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এসব নেতার আচরণ সংগঠনের শৃঙ্খলা ও আদর্শবিরোধী হওয়ায় বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসে। নোটিশে তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের সামনে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। নোটিশ পাঠিয়েছেন সহ–দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া মিস্টি।

    একই অভিযোগে আরেকজনকে বহিষ্কার

    একই ধরনের সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যুবদলের আরেক নেতা আশরাফকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল। দুই নেতাকে শোকজ এবং একজনকে বহিষ্কার করায় এটিকে “দ্বৈতনীতি” বলে মন্তব্য করছেন সোনারগাঁও ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের বহু নেতা।

    মনোনয়ন ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান। তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় নেতারা মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের নির্দেশ দেন।

    কিন্তু মনোনয়ন ঘোষণার পর গণমাধ্যমে মান্নানের ‘চাঁদাবাজি’ প্রসঙ্গে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মনোনয়ন বঞ্চিতদের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়। তারা মান্নানের বিরুদ্ধে দলীয় ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার অভিযোগ তুলে তাকে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবি জানাতে শুরু করে। এর জের ধরে সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    কঠোর অবস্থানে কেন্দ্রীয় যুবদল

    দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচনের আগে অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দিতে কেন্দ্রীয় যুবদল কঠোর অবস্থান নিয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।

    স্থানীয় নেতাদের দাবি, একই অভিযোগে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তি দেওয়াই বর্তমানে যুবদলের ভেতর অসন্তোষের মূল কারণ। তৃণমূলের প্রশ্ন—যদি অপরাধ একই হয়, শাস্তি আলাদা কেন?

  • মনোনয়ন নিয়ে বেকায়দায় মান্নান: সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে উত্তাপ বাড়ছে

    মনোনয়ন নিয়ে বেকায়দায় মান্নান: সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জে উত্তাপ বাড়ছে

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। দলীয় মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নান এক ধরনের ‘বেকায়দায়’ পড়ে গেছেন।

    মনোনয়ন ঘোষণার পরই অসন্তোষ

    এই আসন থেকে মোট ৮ জন প্রার্থী দলীয় মনোনয়নের জন্য লড়াই করলেও ৩ নভেম্বর বিএনপি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করে। এরপরই মনোনয়ন বঞ্চিতদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকজন প্রকাশ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে মান্নানের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে চিঠি পাঠান। শুধু তাই নয়, তারা সোনারগাঁ, সিদ্ধিরগঞ্জ এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিলসহ নানা কর্মসূচি অব্যাহত রেখে আসছেন।

    নির্বাচনী সীমানা পরিবর্তনে বাড়ে প্রতিযোগিতা

    নির্বাচন কমিশনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ একীভূত হওয়ায় মনোনয়নপ্রত্যাশীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। সোনারগাঁয়ের নিয়মিত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, রেজাউল করিম, ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল, ওয়ালিউর রহমান আপেল ও মুজাহিদ মল্লিকের সঙ্গে এবার যুক্ত হন সিদ্ধিরগঞ্জের জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন।

    যোগাযোগের ঘাটতিতে বাড়ে দূরত্ব

    মনোনয়ন পাওয়ার পর মান্নান সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন ও রেজাউল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও বাকিদের সঙ্গে দৃশ্যত দূরত্ব বজায় থাকে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গিয়াসউদ্দিন ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে কেন্দ্র করে অন্য মনোনয়ন বঞ্চিতরা মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন।

    মিডিয়ায় অভিযোগ, বক্তব্য বিতর্কে উত্তপ্ত পরিস্থিতি

    সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে মান্নানের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মান্নান বলেন— “সারা বাংলাদেশেই বিএনপি চাঁদাবাজি করে, ঢাকায় মির্জা আব্বাসের লোকজনও চাঁদাবাজি করে।” এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন মনোনয়ন বঞ্চিত নেতারা। শুরু হয় কঠোর বিক্ষোভ, সমাবেশ ও তার বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি।

    এরই মধ্যে যুবদলের দুই নেতাকে শোকজ এবং একজনকে বহিষ্কার করা হয়। এতে আরও ক্ষোভে ফেটে পড়ে বঞ্চিতদের একটি অংশ। শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে ৭ জন নেতাকর্মী স্বাক্ষরিত চিঠি পাঠান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে।

    মনোনয়ন বঞ্চিতদের অভিযোগ

    এক মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন— “মান্নানের বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। একজন অশিক্ষিত লোককে দল মনোনয়ন দিয়েছে, যিনি ঠিকভাবে রিডিং পড়তেও পারেন না। তিনি কিভাবে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকার প্রতিনিধিত্ব করবেন? প্রয়োজনে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী দেবো, কিন্তু মান্নানকে মেনে নেবো না।”

    মান্নানপন্থীদের পাল্টা অবস্থান

    অন্যদিকে মান্নানের নেতাকর্মীরা বলছেন— “গত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকারের সময়ে মান্নান হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, জেল খেটেছেন, হাজারো নেতাকর্মীর জামিন করিয়েছেন। নেতাকর্মীদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দল ত্যাগী নেতাকে মনোনয়ন দিয়েছে—এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।”

    উভয়পক্ষের তিক্ততায় জটিলতা বাড়ছে

    উভয়পক্ষের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও অবস্থানের কারণে এলাকা জুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা। সমাবেশ, বিক্ষোভ এবং প্রশ্নবিদ্ধ মন্তব্যে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এখন দলের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে—মান্নান কি মনোনয়ন ধরে রাখতে পারবেন, নাকি ক্ষোভের চাপে আসবে নতুন মোড়।

  • মান্নানের বিরুদ্ধে গিয়ে শোকজ–বহিষ্কার যুবদল নেতারা

    মান্নানের বিরুদ্ধে গিয়ে শোকজ–বহিষ্কার যুবদল নেতারা

    নিউজ সোনারগাঁ : আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ–সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। দলীয় মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় সোনারগাঁ থানা যুবদল ও মহানগর যুবদলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে শোকজ ও বহিষ্কারের মতো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবদল।

    সূত্র জানায়, এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী, সাবেক এমপি ও বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা। পরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে তার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। সেই বৈঠকে উপস্থিত সবাই এ সিদ্ধান্তে সম্মতি জানান। এর ধারাবাহিকতায় সোনারগাঁ থানা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।

    মনোনয়ন ঘোষণার পর মিডিয়ার সাথে আলাপচারিতায় ‘চাঁদাবাজি’ প্রসঙ্গে দেওয়া কিছু বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েন মান্নান। এর পর থেকেই মনোনয়ন বঞ্চিতদের একটি অংশ মান্নানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সভা-সমাবেশ শুরু করে। তাদের অভিযোগ, দলের মনোনয়ন পাওয়ার পর তিনি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের সম্পর্কেও বিরূপ মন্তব্য করেছেন—যা দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাই তাকে বাদ দিয়ে বিকল্প কোনো নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান তারা।

    এ নিয়ে কয়েকদিন ধরে সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় মান্নানপন্থী এবং মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় বিষয়টি নজরে আসে কেন্দ্রীয় যুবদলের।

    এরই অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগে সোনারগাঁ থানা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শহীদুর রহমান স্বপন এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সদস্য শহীদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ পাঠায় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। সর্বশেষ গতকাল সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে যুবদল নেতা আশরাফকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানায় যুবদল।

    দলীয় সূত্রের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে ঐক্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় নেতারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

  • বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা

    বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে মনোনয়ন বঞ্চিত করতে একাট্টা মনোনয়ন বঞ্চিতরা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনীত প্রার্থী জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নান–এর মনোনয়ন বাতিল করে নতুন প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিতরা। এ দাবিতে তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিত আবেদন পাঠিয়েছেন। আবেদনটি মহাসচিবের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।

    চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা নিজেদেরকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের দীর্ঘদিনের কর্মী ও মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে পরিচয় দিয়ে দাবি করেন—প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় জনমনে হতাশা, ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

    মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

    চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সোনারগাঁ এলাকায়—

    চাঁদাবাজি

    জমি দখল

    নদীপথে টোল লুট

    মামলা-মোকদ্দমা জটিলতা

    বালুর ব্যবসা

    ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়োগে অনৈতিক প্রভাব

    —ইত্যাদি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাক্ষরকারীদের দাবি, এসব অনিয়মে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের নাম উঠে এসেছে, যা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।

    এছাড়া তারা উল্লেখ করেন—সিদ্ধিরগঞ্জবাসীকে “সন্ত্রাসী” আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেওয়ায় সেই অঞ্চলের জনগণও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

    জামায়াত প্রার্থীর তুলনা

    চিঠিতে বলা হয়, একই আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একজন শিক্ষিত ও সুনামধন্য কলেজের প্রতিষ্ঠাতা, ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে প্রার্থী করেছে। ফলে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকেও বিএনপির প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    ‘দলীয় স্বার্থে প্রার্থী পরিবর্তন প্রয়োজন’

    আবেদনে দাবি করা হয়, মান্নানকে মনোনয়ন দিলে এই আসনে বিএনপির বিজয়ের সম্ভাবনা “শূন্যের কোঠায়” নেমে আসবে। তারা বলেন—

    “দলের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা যেকোনো সিদ্ধান্ত মানতে প্রস্তুত। আমাদের মধ্য থেকে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তাকে বিজয়ী করব।”

    আবেদনপত্রে স্বাক্ষরকারীরা

    চিঠিতে যেসব নেতারা স্বাক্ষর করেছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী

    অধ্যাপক মোঃ রেজাউল করিম,সাবেক এমপি

    আলহাজ্ব মোঃ গিয়াস উদ্দিন,

    আহ্বায়ক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর সাবেক মহাপরিচালক

    ওয়ালিউর রহমান আপেল,

    সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার মোঃ আবু জাফর, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি

    অধ্যাপক ওয়াহিদ বিন ইমতিয়াজ বকুল ও  সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপি সহসভাপতি

    আল মুজাহিদ মল্লিক।

    আবেদনটির অনুলিপি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদককেও প্রেরণ করা হয়েছে।

  • আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন: আজহারুল ইসলাম মান্নান

    আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন: আজহারুল ইসলাম মান্নান

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান এক লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই কিছু স্বার্থবাদী মহল তাঁর বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি তারা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর অডিও ভয়েস বিকৃত করে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছে। এসব অপপ্রচারের মাধ্যমে দলের একজন বর্ষীয়ান নেতার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যা তিনি ‘অত্যন্ত জঘন্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে উল্লেখ করেন।

    আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেন, “আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, এসব ভিডিও ও অডিও সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা ও আগামী জাতীয় নির্বাচনকে বানচাল করার উদ্দেশ্যেই এ ধরনের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।”

    তিনি বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশ্যে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকুন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সতর্ক থাকুন, গুজব প্রতিহত করুন এবং সত্যের পাশে দাঁড়ান। ইনশাআল্লাহ, আমরা ভোটাধিকারের লড়াইয়ে জয়ী হবো।”

    বিবৃতির শেষে আজহারুল ইসলাম মান্নান সাংবাদিক ও সাধারণ জনগণের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত না হয়ে কোনো সংবাদ বা ভিডিও প্রচার বা প্রকাশ না করার আহ্বান জানাই। সুন্দর ও সম্প্রীতিমূলক সমাজ গঠনে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

  • সোনারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রেজাউল করিমের শক্তি প্রদর্শন

    সোনারগাঁয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রেজাউল করিমের শক্তি প্রদর্শন

    নিউজ সোনারগাঁ : আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল শোডাউনের মাধ্যমে নিজের শক্তি প্রদর্শন করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম।

    রোববার বিকেলে সোনারগাঁ উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে মোগরাপাড়া চৌরাস্তার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। রঙিন ব্যানার-ফেস্টুন, শ্লোগান আর হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা সংলগ্ন শহীদুল্লাহ মার্কেট চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় এক জনসভা।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবু জাফর। প্রধান অতিথি অধ্যাপক রেজাউল করিম তার বক্তব্যে বলেন, “বিএনপি জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সবসময় পাশে থেকেছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আগামীর বাংলাদেশ তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে উঠবে। ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে পারলেই বাংলাদেশ সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হবে।”

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা অপকর্মে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি শফিউদ্দিন ভূঁইয়া, বারদী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সালু, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নূরে ইয়াছিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ মোল্লা, মোগরাপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদ তপন, ইঞ্জিনিয়ার মুমিনুল ইসলাম, মো. গিয়াস উদ্দিন, মোক্তার হোসেন মিন্টু প্রমুখ।

  • সোনারগাঁয়ের রাজনীতিবিদরা জনগণের কল্যাণে ব্যর্থ: তুহিন মাহমুদ

    সোনারগাঁয়ের রাজনীতিবিদরা জনগণের কল্যাণে ব্যর্থ: তুহিন মাহমুদ

    নিউজ সোনারগাঁ: জাতীয় যুব শক্তি এর (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ বলেছেন, “সোনারগাঁয়ের রাজনীতিবিদরা জনগণের কল্যাণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে বরাবরই ব্যর্থ হয়েছি।”

    বৃহস্পতিবার সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জকে একত্র করে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন ঘোষণার পর তিনি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

    তুহিন মাহমুদ আরও বলেন, “আমরা সোনারগাঁয়ের রাজনীতিবিদরা জনগণের জন্য কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—নির্বাচন কমিশন এমন বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত নিলো কার স্বার্থে? কারা কী যুক্তি দেখিয়ে কমিশনকে প্রভাবিত করলো? যারা এ অন্যায়ের পেছনে ছিল, তারা নিঃসন্দেহে সোনারগাঁয়ের কল্যাণ চায় না।”

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, অতীতেও জনগণের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন স্থানীয় নেতারা। আজও সেই ব্যর্থতার করুণ পুনরাবৃত্তি ঘটলো।

    তবে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “খুব শীঘ্রই জনগণ এমন নেতৃত্ব বেছে নেবে, যারা আমাদের মর্যাদাপূর্ণ সোনারগাঁও ফিরিয়ে আনবে—ইনশাআল্লাহ।”

     

  • সাবেক এমপি বাহাউল হকের সাথে সাক্ষাৎ করলেন তিন মনোনয়ন প্রত্যাশী

    সাবেক এমপি বাহাউল হকের সাথে সাক্ষাৎ করলেন তিন মনোনয়ন প্রত্যাশী

    নিউজ সোনারগাঁ টুয়েন্টিফোর ডটকম :

    আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে সোনারগাঁ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিন রাজনীতিবিদ।
    শুক্রবার পৌর এলাকার গোয়ালদী গ্রামে বাহাউল হকের সাথে তার বাসভবনে সাক্ষাৎ করেন তারা। এসময় তাদের মধ্যে সোনারগাঁয়ের রাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
    সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপির মনোনয়ন  প্রত্যাশী সাবেক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় জামায়াতের শূরা সদস্য প্রিন্সিপাল ড. ইকবাল হোসেন ভূইঁয়া ও বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি(এনসিপি)র কেন্দ্রীয় যুগ্ম মূখ্য সমন্বয়ক ও নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ তুহিন মাহমুদ।
    এ সময় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
    প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে সাবেক সাংসদ বাহাউল হক বলেন, সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় সোনারগাঁবাসীর পাশে থেকে এখানকার  সকল রাজনীতিবিদদের কাজ করতে হবে।

    এর আগে তিন দলের তিন মনোনয়ন প্রত্যাশী  গোয়ালদী জামে মসজিদে জুম্মার নামাজের আগে উপস্থিত মুসল্লীদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

  • সোনারগাঁয়ে হাতপাখার প্রার্থী ফারুক মুন্সিকে সংবর্ধনা

    সোনারগাঁয়ে হাতপাখার প্রার্থী ফারুক মুন্সিকে সংবর্ধনা

    নিউজ সোনারগাঁ: নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে হাতপাখা প্রতীকে সোনারগাঁও ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি ও জেলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফারুক আহমদ মুন্সিকে মনোনয়ণ দেওয়ায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টায় সোনারগাঁও ইসলামী যুব আন্দোলনের দলীয় কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে ফারুক আহমদ মুন্সি বলেন, দল ও তৃণমূল কর্মীদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য ও আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য আমি জনগণের দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করি। আগামী নির্বাচনে ইনশাআল্লাহ হাতপাখা প্রতীককে বিজয়ের প্রতীক বানিয়ে ইসলামী মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের পথে এগিয়ে যাবো। আমার প্রার্থিতা ব্যক্তিগত উচ্চাভিলাষ নয়, বরং এটি একটি আমানত। জনগণের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার প্রধান অঙ্গীকার।

    এসময় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী যুব আন্দোলনের থানা সভাপতি মুহা. মনির হোসেন এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম মাহমুদি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সোনারগাঁ থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুহা. মামুন রানা এবং যুব আন্দোলনের থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।