নিউজ সোনারগাঁ : ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত অন্তত চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্পটে স্থায়ী টিমের পাশাপাশি রানিং টিমসহ একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানিয়েছে সোনারগাঁ থানা পুলিশ।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্টের পর ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ উপজেলার কয়েকটি এলাকায় ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। বিশেষ করে টিপরদি, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা, পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এবং মেঘনা টোল প্লাজা এলাকায় প্রতিদিনই একাধিকবার ডাকাতির শিকার হতেন এই সড়কে চলাচলরত যাত্রী ও চালকরা।
ডাকাতরা মূলত বিদেশ ফেরত যাত্রীবাহী গাড়িগুলোকে টার্গেট করত। তারা হঠাৎ করে কৃত্রিম যানজট সৃষ্টি করে ৮ থেকে ১০ জনের সংঘবদ্ধ দল নিয়ে গাড়ির গ্লাস ভেঙে যাত্রীদের ওপর হামলা চালিয়ে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নিত। এতে অনেক মানুষ সর্বস্ব হারিয়েছেন। মাঝেমধ্যে ডাকাত আটক হলেও কোনোভাবেই ডাকাতির ঘটনা কমছিল না।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অবশেষে কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা পর্যন্ত ৪ থেকে ৫টি স্পটে পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়। এর ফলে আগের তুলনায় মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা কিছুটা হলেও কমেছে বলে আশা প্রকাশ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মোগরাপাড়া চৌরাস্তার ব্যবসায়ীরা জানান, পুলিশ ও আনসার সদস্যদের যৌথ তৎপরতা শুরু হওয়ার পর মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। আগে দিন ও রাত যেকোনো সময় ডাকাতির আশঙ্কা থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিববুল্লাহ জানান,
“ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি রোধে আমরা পুলিশের পাশাপাশি আনসার সদস্য মোতায়েন করেছি। নিয়মিত টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”



