ভুক্তভোগী শ্রমিক লীগ নেতা আব্দুল হালিমের স্ত্রী মিনারা আক্তার জানান, গত ৫ আগস্ট সন্ধ্যায় তার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে তিনি বিভিন্ন স্থানে ভাড়া বাসায় ছিলেন। গত সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রমজান উপলক্ষে সন্তানসহ নিজ বাড়িতে ফেরার খবরে শতাধিক লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালায়, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। মিনারা আক্তারের অভিযোগ, বিএনপি নেতা আব্দুল জলিল এই হামলার নেতৃত্ব দেন।
হামলার ঘটনায় তিনি ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বিএনপি নেতা মনির হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে পরে থানা বিএনপির এক শীর্ষ নেতা গিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনেন।
অভিযুক্ত পিরোজপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জলিল এ ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না। তিনি দাবি করেন, “হালিমের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী আমাদের কর্মীদের গালিগালাজ করায় এ ঘটনা ঘটেছে।”
সোনারগাঁও থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারী বলেন, “এ ঘটনায় কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না করায় আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।”
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে।