মামলায় অভিযোগ করা হয়, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে জামপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পলাশ মিয়া বাবুল মিয়াকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করেন। সেই ভয়ে বাবুল ও তার স্ত্রী অন্যত্র বাসা ভাড়া করে চলে যান পরে, রাতে ভাড়া বাসায় যাওয়ার পথে তাদের বহনকারী ভ্যানকে পিকআপ চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়, এতে দুজনই মারা যান। এ হত্যাকে ঘিরে পলাশ মিয়ার গতিবিধি রহস্য জনক মনে করেন এলাকাবাসী। তাদের ধারনা পলাশ মিয়ানজমির জন্যসতার মামাকে খুন করেছে। এরআগে পলাশ বাবুল মিয়াকে এনজিও থেকে ঋণের কথা বলে তার বাড়িঘর নিজের নামে লিখে নেন।
মামলা দায়েরের পর বাদির বাড়িতে হামলা ও মামলা প্রত্যাহারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
থানার ওসি জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে এবং হুমকির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।