নিউজ সোনারগাঁ: সোনারগাঁয়ের চেঙ্গাকান্দি গ্রামের হতভাগ্য এক নাম—তরুণ চন্দ্রশীল (৫৪)। এক সময় যিনি ছিলেন পরিবারে ভরসার প্রতীক, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে ছোট্ট সুখের সংসার গড়েছিলেন দিন-রাত পরিশ্রম করে। পেশায় দারোয়ান ছিলেন তিনি, রাত জেগে পাহারা দিয়ে জীবিকার টাকা তুলে ঘর-বাড়ি করেছিলেন সোনার আশা নিয়ে।
কিন্তু হঠাৎ করেই জীবনে নেমে আসে এক ভয়ানক অন্ধকার—মুখে ধরা পড়ে ক্যান্সার। চাকরি হারিয়ে চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে থাকেন তিনি। ঘরবাড়ি, শেষ সম্বলটুকুও বিক্রি করে দেন এক বুক আশা নিয়ে, হয়তো স্বামীকে সুস্থ করে তুলতে পারবেন।
কিন্তু ভাগ্য যেন মুখ ফিরিয়ে নেয়। চিকিৎসা শেষ না হতেই থেমে যায় টাকার জোগান। অসহায় হয়ে পড়েন তরুণ। কোনো উপায় না পেয়ে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরে সাহায্যের জন্য আবেদন করেন, কিন্তু সাড়া মেলেনি তেমন।
আজ সেই তরুণ চন্দ্রশীল ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছেন বিনা চিকিৎসায়, অন্ধকার একটি ঘরের চার দেয়ালে বন্দী জীবন।
তার স্ত্রী লক্ষি রাণী কেঁদে কেঁদে বলেন,
“ভাই, আমি সব কিছু বিক্রি করে ওর চিকিৎসা করাইছি। ডাক্তাররা বলছে ঠিকঠাক চিকিৎসা পাইলেই ভালো হয়ে যাইত। কিন্তু আর কয়টা দিন চিকিৎসা করানোর মতো টাকাও নাই আমার কাছে। তাই হাতজোড় করে বলতেছি—যদি কেউ সাহায্য করতেন, আমার স্বামীটা হয়তো আবার বাঁচত।”
এই মুহূর্তে তরুণ চন্দ্রশীলের প্রয়োজন সঠিক চিকিৎসা ও সহানুভূতির হাত। একজন মানুষের জীবন হয়তো আপনার একটুকরো সহযোগিতাতেই ফিরে পেতে পারে আলোর মুখ।
তরুণ চন্দ্রশীলের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ইচ্ছুক হৃদয়বান ও বিত্তবানদের প্রতি নিউজ সোনারগাঁ আন্তরিকভাবে সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে।



