Author: নিউজসোনারগাঁ২৪ডটকম

  • সোনারগাঁওয়ে নিষিদ্ধ ‘চায়না জাল’-এর অবাধ ব্যবহার, হুমকিতে মেঘনা নদীর জীববৈচিত্র্য

    সোনারগাঁওয়ে নিষিদ্ধ ‘চায়না জাল’-এর অবাধ ব্যবহার, হুমকিতে মেঘনা নদীর জীববৈচিত্র্য

    পনির খন্দকার : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ে সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘চায়না জাল’-এর অবাধ ব্যবহার উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরসহ উপজেলার সনমান্দী, পিরোজপুর, শম্ভুপুরা ও সাদিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই জালের ব্যবহার বেশি দেখা যাচ্ছে। এতে নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
    স্থানীয়দের ভাষ্যমতে চায়না জালের জালের ফাঁস অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এটি ছোট-বড় সব ধরনের মাছ, মাছের পোনা, কাঁকড়া, কচ্ছপ, সাপসহ জলজ প্রাণী নির্বিচারে আটকে ফেলে। ফলে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে এবং নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।

    জানা যায়, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও মাছের উৎপাদন রক্ষায় সরকার অনেক আগেই এ ধরনের জাল উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। কিন্তু বাস্তবে সোনারগাঁওয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে এই জাল ব্যবহার করা হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোনো কার্যকর অভিযান বা নজরদারি দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

    এ বিষয়ে সুশীল সমাজের লোকজনের মতে, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে মেঘনা নদীর মৎস্যসম্পদ ও জলজ জীববৈচিত্র্য অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে।

    এ বিষয়ে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • মেঘনা চেকপোস্টের সামনেই জাপান প্রবাসীর ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, আতঙ্কে যাত্রীরা

    মেঘনা চেকপোস্টের সামনেই জাপান প্রবাসীর ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, আতঙ্কে যাত্রীরা

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশ চেকপোস্টের অদূরেই সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলার শিকার হয়েছেন এক জাপান প্রবাসী ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ সময় ডাকাতরা প্রায় ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার, তিনটি মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
    বুধবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা টোলপ্লাজা সংলগ্ন পুলিশ চেকপোস্ট এলাকার পাশে এ ঘটনা ঘটে।
    ভুক্তভোগী আরমান (৪০) ফেনী জেলার বাসিন্দা। তিনি স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে একটি মাইক্রোবাসে করে ফেনী থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। সেখান থেকে তাদের জাপানে ফেরার কথা ছিল।
    ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মেঘনা টোলপ্লাজা এলাকায় পৌঁছালে ৫ থেকে ৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, ছুরি ও লোহার রড নিয়ে তাদের গাড়ির গতিরোধ করে। এরপর যাত্রীদের মারধর করে তাদের কাছ থেকে প্রায় ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার, একটি আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্সসহ তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। তাদের দাবি, লুট হওয়া স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকারও বেশি।
    এক প্রত্যক্ষদর্শী মোটরসাইকেল আরোহী জানান, ঘটনাস্থলের কাছে কয়েকজনকে চাপাতি হাতে অবস্থান করতে দেখে তিনি ভয়ে সামনে এগোতে পারেননি। পরে জানতে পারেন, ওই সময় একটি মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
    এ বিষয়ে কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ বলেন, ঘটনাটি মহাসড়কের মূল সড়কে নয়, বরং মহাসড়কের পাশের একটি নিচু সড়কে ঘটেছে।
    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, “ঘটনাটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থানা পুলিশের চেকপোস্টের সামনেই বলে জেনেছি।”
    প্রয়োজনে এটিকে আরও টেলিভিশন ভিডিও রিপোর্ট বা অনলাইন নিউজ পোর্টালের উপযোগী করে সংক্ষিপ্তও করে দিতে পারি।

  • সোনারগাঁয়ে ৬০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, আগেও রয়েছে ৮টি মামলা

    সোনারগাঁয়ে ৬০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, আগেও রয়েছে ৮টি মামলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় ৬০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ।
    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে সোনারগাঁ থানাধীন টিপুরদী এলাকায় হানিফ মিয়ার ‘মায়ের দোয়া হোটেল’-এর সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
    গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি হলেন আজমাইন কবির সাহস (৩০)। তিনি সোনারগাঁও উপজেলার গোয়ালদী পূর্বপাড়া এলাকার মৃত হুমায়ুন কবিরের ছেলে।
    পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম সারোয়ারের তত্ত্বাবধানে, সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) সোহেল রানার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তার কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
    এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের সিডিএমএস পর্যালোচনায় জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত আজমাইন কবির সাহসের বিরুদ্ধে এর আগেও ৮টি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
    সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • কাঁচপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: ২৬৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    কাঁচপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: ২৬৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের বিক্রয়, মজুদ ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার মো. আরিফ ইশতিয়াকের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ২৬৩ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগ জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    অভিযানে শামীম হোসেন স্টোর থেকে ১৬০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মোহাম্মদীয়া প্যাকেজিং থেকে ১০৩ কেজি পলিথিন জব্দ করে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নিষিদ্ধ পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার, মজুদ, বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ বন্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ,জনসম্মুখে বিনষ্ট

    সোনারগাঁয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ,জনসম্মুখে বিনষ্ট

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে নিষিদ্ধ পিরাহনা মাছ বিক্রি কারাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদফতর।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পৌরসভার টিপুরর্দী মাছ বাজারে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে ২৫ কেজি পিরানহা মাছ জব্দ করা হয়। এসময় মাছ ব্যবসায়ি ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

    অভিযানের নেতৃত্ব দেন সোনারগাঁ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিকুর রহমান ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার।

    অভিযানে স্থানীয় ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা অভিযোগ জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ বিক্রি করে আসছিলো কিছু অসাধু মাছ ব্যবসায়ি। মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানের সহয়তা করেন সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

    অভিযানকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার বলেন, ‘মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করে নিষিদ্ধ পিরাহনা মাছ জব্দ পূর্বক বিনষ্ট করা হয়।

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌফিকুর রহমান বলেন, ‘পিরানহা মাছ বাজারে বিক্রি ও চাষ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ। এটি দেখতে রুপচাঁদা মাছের মতো হওয়ায় এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে বিক্রি করছে।’

    তিনি আরও বলেন, অভিযানে জব্দকৃত মাছ বিধি মোতাবেক ধ্বংস করা হয়েছে । ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • শিশু আদিয়াতের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান

    শিশু আদিয়াতের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নান

    সোনারগাঁ প্রতিনিধি: মানবতা ও সহানুভূতির অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। অসুস্থ এক শিশুর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
    জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের এক দম্পতির ১৪ মাস বয়সী শিশু আদিয়াত জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটির হৃদযন্ত্রে দুটি ছিদ্র রয়েছে। পাশাপাশি লিভারে পানি জমে তা স্বাভাবিকের তুলনায় বড় হয়ে গেছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন বিপুল অর্থ, যা বহন করা পরিবারটির পক্ষে সম্ভব ছিল না।
    শিশুটির অসুস্থতার খবর পেয়ে দ্রুত সাড়া দেন সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারটির হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন, যাতে শিশুটির চিকিৎসা নির্বিঘ্নে চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
    এমপির এই মানবিক সহায়তায় পরিবারটির মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। অর্থাভাবে যেখানে চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা ছিল, সেখানে এই সহায়তা আদিয়াতের সুস্থতার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে পরিবারের সদস্যরা আশা প্রকাশ করেছেন।
    এদিকে, পরিবারের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিশু আদিয়াতের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তারা।

  • আড়াইহাজারে সোনারগাঁয়ের অটোচালকের লাশ উদ্ধার

    আড়াইহাজারে সোনারগাঁয়ের অটোচালকের লাশ উদ্ধার

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক অটোরিকশাচালককে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। 

    রোববার রাতে কোনো এক সময় উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের গুরুব্দী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।
    ​নিহত চালকের নাম মো: অলিউল্লাহ  তিনি পার্শ্ববর্তী সোনারগাঁ উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বিসনাদীর ভিটিপাড়া এলাকার মো: হারূনের ছেলে।
    ​পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার সন্ধ্যায় নিজের অটোরিকশাটি নিয়ে উপার্জনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন হারুণ। এরপর রাত গভীর হলেও তিনি আর বাড়ি ফেরেননি এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। সোমবার সকাল থেকে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করে তার সন্ধান চালাচ্ছিলেন।
    ​বিকেলে আড়াইহাজার উপজেলার গুরুব্দী এলাকায় একটি রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশ ও হারুণের পরিবারকে খবর দেয়। স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি হারুণের বলে শনাক্ত করেন।
    ​আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালক হারুণকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে এবং গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছে। নিহতের শরীরে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
    নারায়ণগঞ্জ সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে । এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
  • সোনারগাঁয়ে তালিমুল কুরআন প্রি-ক্যাডেট মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    সোনারগাঁয়ে তালিমুল কুরআন প্রি-ক্যাডেট মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

    নিজস্ব প্রতিবেদক : সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নানাখী এলাকায় অবস্থিত তালিমুল কুরআন প্রি-ক্যাডেট মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনারগাঁ চাষি হাউজিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা হাফেজ মাওলানা মুফতি হোসাইন।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির ১ নম্বর সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আল মুজাহিদ মল্লিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাদিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাউসার আহমেদ, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ফজলুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    বক্তব্যে কাউসার আহমেদ কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতেও ভালো ফলাফল করে মাদরাসার সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করবে। তিনি অভিভাবকদের সন্তানদের লেখাপড়ার প্রতি যত্নশীল হওয়ার এবং তাদের সার্বিক কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর রাখার আহ্বান জানান।
    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, সন্তানদের অল্প বয়সে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, এইচএসসি পাস করার আগে সন্তানদের হাতে মোবাইল ফোন না দেওয়াই ভালো। পাশাপাশি মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মাদক একটি পরিবারকে ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই সন্তানদের মাদক থেকে দূরে রেখে কুরআনের শিক্ষা ও নামাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
    তিনি কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তারা যেন ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল করে মাদরাসার সুনাম বৃদ্ধি করে এবং দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত রাখে। এছাড়া সুন্দর আয়োজনের জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
    অনুষ্ঠান শেষে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।

  • সোনারগাঁয়ে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারী গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বানেশ্বরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৪৫ পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    রোববার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

    গ্রেপ্তারকৃত মোছাঃ ছালেহা (৩২), নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বানেশ্বরদী গ্রামের মো. আল আমিনের স্ত্রী।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানেশ্বরদী এলাকায় পলাতক আসামি মো. আল আমিন (৪০) বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ছালেহার শয়নকক্ষের খাটের ওপর থাকা তোষকের নিচ থেকে ১৪৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় আল আমিন পালিয়ে যান।

    পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ছালেহা এবং পলাতক আল আমিনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • সামাজিক সংগঠনের বর্ষ পূর্তিতে জাঙ্গালে এক হাজার বৃক্ষরোপণ

    সামাজিক সংগঠনের বর্ষ পূর্তিতে জাঙ্গালে এক হাজার বৃক্ষরোপণ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার জাঙ্গাল আইলপাড়ায় স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠন’-এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এক হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    সোমবার সকালে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    সংগঠনের উপদেষ্টা শিল্পী জাহাঙ্গীর আলম ইমনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সম্মানিত অতিথি ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন, কবি-প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহেদ কায়েস এবং হেল্প হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠন’-এর সভাপতি ওমর ফারুক। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ সভাপতি হেলাল হোসেন (আদনান), সাধারণ সম্পাদক ওমর শরিফ, কোষাধ্যক্ষ হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব শরিফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজিব হোসেন এবং এলাকার তরুণ প্রজন্ম ও  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই সংগঠনের উপদেষ্টা শিল্পী জাহাঙ্গীর আলম ইমন ‘ন্যায় নীতি আদর্শ সংগঠন’-এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরেন। এরপর ধামগড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন— “বৃক্ষ আমাদের জীবন ও পরিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বিশুদ্ধ বাতাস নিশ্চিত করা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সবাইকে গাছ লাগাতে হবে। বৃক্ষরোপণ হোক আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।”

    হেল্প হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাক্তার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন —”মানুষের বেঁচে থাকার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের প্রধান উৎস গাছ। গাছ যেমন আমাদের বিশুদ্ধ বাতাস দেয়, তেমনি পরিবেশ দূষণ কমিয়ে সুস্থ জীবন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। তাই নিজের স্বাস্থ্য ও আগামী প্রজন্মের কল্যাণে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।”

    কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শাহেদ কায়েস বলেন—”জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। গাছ পৃথিবীকে শীতল রাখে, কার্বন শোষণ করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে। নিমগাছ পরিবেশকে নির্মল রাখতে সহায়ক, আর প্রতিটি অঞ্চলের মৌসুমি ফল সেই অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রকৃতি ও মানুষকে বাঁচাতে আমাদের সবাইকে যত বেশি সম্ভব গাছ লাগাতে হবে।”

  • সোনারগাঁয়ে ৪টি চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দিল তিতাস, বিচ্ছিন্ন করা হলো অবৈধ গ্যাস সংযোগ

    সোনারগাঁয়ে ৪টি চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দিল তিতাস, বিচ্ছিন্ন করা হলো অবৈধ গ্যাস সংযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪টি চুনা কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে কারখানাগুলোর অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

    রবিবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে পিরোজপুর ইউনিয়নের মোজাফফর ফাউন্ডেশন এতিমখানার পাশে ১টি, ঝাউচর বালুর মাঠ সংলগ্ন ১টি, মেঘনা আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন সংলগ্ন ১টি এবং ঝাউচর মসজিদ সংলগ্ন ১টি চুনা কারখানা এক্সকাভেটর মেশিনের সাহায্যে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (সচিব) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান এবং তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ জোনের ম্যানেজার (প্রকৌশলী) শবিউল আওয়াল।

    অভিযান শেষে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সোনারগাঁয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে। যেখানেই অবৈধ গ্যাস সংযোগের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

  • সোনারগাঁয়ে আসামী ধরতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম

    সোনারগাঁয়ে আসামী ধরতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগে এক আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজন। চারজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

    শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরেে উপজেলার সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুরুজ্জামান, কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুল এবং সোর্স মাসুম মিয়া। তারা সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আহত এসআই সুরুজ্জামান জানান, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়াপাড়া এলাকায় তিনিসহ দুই কনস্টেবল শাহীন ও মাইনুল মহাসড়কে মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনায় উদ্ধার অভিযানে যান। এ সময় আসামি সাগর ও তার ভাই সজল দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তিন পুলিশ সদস্য ও পুলিশ সোর্স মাসুমকে কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করেছেন। তাদের মধ্যে তিন পুলিশ সদস্যকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পুলিশ সোর্স মাসুমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগে আসামি ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি সাগর ও সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের  বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সোনারগাঁয়ে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের উদ্যোগে ১,০০০ গাছের চারা রোপণ

    সোনারগাঁয়ে এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের উদ্যোগে ১,০০০ গাছের চারা রোপণ

    নিউজ সোনারগাঁ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়নের ১ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে ১,০০০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
    শুক্রবার এ কর্মসূচি নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের উদ্যোগে এবং বারদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেলিম হোসেন দিপুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়।
    আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বারদী ইউনিয়নের মছলন্দপুর গ্রামটি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। তাদের দাবি, রাজনৈতিক কারণে অতীতে এ এলাকায় কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। তাই পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
    কর্মসূচির আওতায় মছলন্দপুর কবরস্থানের দুটি সড়ক, ঈদগাহের একটি সড়ক এবং গোয়ালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একটি সড়কসহ মোট চারটি সড়কের দুই পাশে গাছের চারা রোপণ করা হয়। স্থানীয় যুবসমাজ এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁও সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আবু সাঈদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বারদী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল, ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম মেম্বার, সহ-সভাপতি ফজলুল হক, শামসুদ্দিন মুকুল, রফিকুল ইসলাম, বারদী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য উম্মে হানি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ খোকন, যুবদল নেতা কাশেম, নাজমুল, জামান, কামাল, ডালিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
    বক্তারা বলেন, বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • সোনারগাঁয়ে অটোরিকশাচালক মোমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহিন গ্রেপ্তার

    সোনারগাঁয়ে অটোরিকশাচালক মোমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহিন গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদন : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার চাঞ্চল্যকর অটোরিকশাচালক মোমিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহিন মিয়া (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
    শুক্রবার (৩ জুলাই) সোনারগাঁ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত শাহিন মিয়া দড়িকান্দি এলাকার নসর আলমের ছেলে।
    পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-সার্কেল) দীপংকর ঘোষ এবং সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জের তত্ত্বাবধানে সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) শিকদার হারুন অর রশিদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
    সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • মোগরাপাড়া চৌরাস্তার মূল সড়ক এখন ভ্যান চালকদের দখলে, বাড়ছে যানজট ও জনভোগান্তি

    মোগরাপাড়া চৌরাস্তার মূল সড়ক এখন ভ্যান চালকদের দখলে, বাড়ছে যানজট ও জনভোগান্তি

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত মোগরাপাড়া চৌরাস্তা। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন, আশপাশের এলাকা এবং রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল এটি। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ কর্মস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে এই সড়ক ব্যবহার করেন। গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের অংশ হিসেবে পরিচিত এই সড়কটি স্থানীয়দের কাছে ‘থানা রোড’ নামেও পরিচিত।
    এ সড়ককে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একাধিক মার্কেট, বিপণিবিতান, কাঁচাবাজার, ব্যাংক, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিস। ফলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে মানুষের চলাচল থাকে অত্যন্ত ব্যস্ত। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যানজটের সমস্যায় ভুগতে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি এখন নতুন করে ভ্যানচালকদের দখলে চলে যাওয়ায় জনদুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
    স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রায় ১৫ থেকে ২০টি ভ্যানগাড়ি রাস্তার ওপর দাঁড় করিয়ে ফল, ডাব, নারিকেল, লেবু, আচার, খেলনা, কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও রাস্তার দুই পাশেই সারিবদ্ধভাবে ভ্যান রেখে দোকান বসানো হয়েছে। এতে চলাচলের জন্য রাস্তার কার্যকর প্রস্থ অনেকটাই কমে গেছে। ফলস্বরূপ প্রতিদিনই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
    কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণের সুফল ম্লান
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও মোগরাপাড়া চৌরাস্তার এই সড়কটি ছিল অত্যন্ত জরাজীর্ণ। খানাখন্দে ভরা ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচল ছিল কষ্টকর। বৃষ্টি হলে সড়কে পানি জমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠত। মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে প্রায় দুই বছর আগে সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি পুনর্নির্মাণ করা হয়।
    শুধু সড়কই নয়, রাস্তার পাশে প্রায় পাঁচ ফুট প্রশস্ত একটি ড্রেনও নির্মাণ করা হয়, যাতে পথচারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারেন এবং বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হয়। নতুন সড়ক নির্মাণের পর যান চলাচল অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে আসে। এলাকাবাসীও স্বস্তি ফিরে পান।
    কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, গত কয়েক মাস ধরে একের পর এক ভ্যানগাড়ি রাস্তার ওপর দোকান বসাতে শুরু করে। প্রথমে দুই-একটি ভ্যান থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১৫ থেকে ২০টিতে দাঁড়িয়েছে। রাস্তার দুই পাশে ভ্যান দাঁড় করিয়ে ব্যবসা পরিচালনার কারণে যান চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকছে না।
    সড়কেই গড়ে উঠেছে অস্থায়ী বাজার
    সরেজমিনে দেখা যায়, মোগরাপাড়া চৌরাস্তা থেকে শহীদ মজনু পার্ক পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে সারিবদ্ধভাবে ভ্যানগাড়ি দাঁড় করিয়ে ব্যবসা চলছে। কেউ বিক্রি করছেন আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, ডাব, নারিকেল ও লেবু। আবার কেউ বিক্রি করছেন বিভিন্ন ধরনের খেলনা, আচার, কাঁচাবাজারের পণ্য কিংবা মৌসুমি ফল।
    ভ্যানগুলো এমনভাবে দাঁড় করানো হয়েছে যে, অনেক স্থানে একটি বড় যানবাহন চলাচল করলে বিপরীত দিকের যানবাহনকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে অফিস ও স্কুল-কলেজে যাতায়াতের ব্যস্ত সময়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।
    স্থানীয়দের দাবি, ভ্যানচালকদের পাশাপাশি অনেক ক্রেতাও রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করেন। এতে যানবাহনের গতি আরও কমে যায়। মাঝে মধ্যেই ছোটখাটো দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে।
    পথচারীদের দুর্ভোগ
    রাস্তার পাশে নির্মিত ড্রেনের ওপর দিয়ে নিরাপদে চলাচলের সুযোগ থাকলেও অনেক স্থানে ভ্যানগাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার কারণে পথচারীদের বাধ্য হয়ে মূল সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
    স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শিশু, নারী ও বয়স্কদের রাস্তা পারাপারে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। যানজটের কারণে অ্যাম্বুলেন্স কিংবা জরুরি সেবার যানবাহনও অনেক সময় আটকে থাকে।
    যানজটে অতিষ্ঠ চালকরা
    সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের চালকরাও এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
    একজন ট্রাকচালক জানান, “মোগরাপাড়া চৌরাস্তা থেকে বের হতে অনেক সময় আধাঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যায়। রাস্তার দুই পাশে ভ্যান দাঁড়িয়ে থাকার কারণে বড় গাড়ি ঘোরানো খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। কাউকে কিছু বলতে গেলেই উল্টো তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। অনেক সময় মারমুখী আচরণও করে।”
    অটোরিকশা চালকরাও জানান, কয়েক মিনিটের পথ অতিক্রম করতে অনেক সময় ২০ থেকে ৩০ মিনিট লেগে যায়। এতে যাত্রীদের সঙ্গে প্রায়ই ভাড়া নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
    ভ্যানচালকদের বক্তব্য
    ভ্যানচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের অনেকেই জীবিকার তাগিদে এখানে ব্যবসা করছেন।
    তাদের দাবি, মহাসড়কের পাশে নির্ধারিত স্থানে বসতে হলে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দিতে হয়। কিন্তু এই সড়কে বসলে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হয় না। তাই একে একে অনেকেই এখানে এসে ব্যবসা শুরু করেছেন।
    একজন ভ্যানচালক বলেন, “আমরা গরিব মানুষ। যেখানে চাঁদা দিতে হয় না, সেখানেই বসে ব্যবসা করি। যদি প্রশাসন আমাদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গার ব্যবস্থা করে দেয়, তাহলে আমরা সেখানে চলে যাব।”
    স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ
    চৌরাস্তার ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাস্তার ওপর দোকান বসানোর কারণে শুধু যানজটই নয়, স্থায়ী দোকানগুলোর ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
    একাধিক দোকান মালিক জানান, অনেক ক্রেতা যানজটের কারণে বাজারে আসতে চান না। আবার রাস্তার ওপর অবৈধভাবে দোকান বসানোর ফলে বাজারের শৃঙ্খলাও নষ্ট হচ্ছে।
    সমাজসেবক মনির হোসেনের বক্তব্য
    চৌরাস্তার ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মনির হোসেন বলেন, “আমি নিজের অর্থায়নে কয়েক দিন পরপর ড্রেনের মুখে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করি। কিন্তু বর্তমানে মোগরাপাড়া থেকে শহীদ মজনু পার্ক পর্যন্ত প্রায় ২০ থেকে ৩০টি ভ্যানগাড়ি রাস্তার ওপর বসে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করছে। এতে পুরো সড়কটাই যেন অস্থায়ী বাজারে পরিণত হয়েছে।”
    তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এখানে যানজট লেগেই থাকে। প্রশাসনের প্রতি আমার অনুরোধ, দ্রুত এসব ভ্যানগাড়ি রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক। অন্যথায় ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে।”
    জনদুর্ভোগ বাড়ছে
    স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটির উদ্দেশ্য ছিল মানুষের চলাচল সহজ করা। কিন্তু রাস্তার ওপর অবৈধভাবে দোকান বসানোর কারণে সেই উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে।
    বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং পণ্যবাহী ট্রাকগুলো সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে বের হয়েও যানজটে আটকে থাকতে হচ্ছে।
    প্রশাসনের নজরদারির দাবি
    এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত বা প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হলেও কিছুদিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে। নিয়মিত নজরদারি না থাকায় অবৈধ দখলদাররা পুনরায় রাস্তার ওপর ব্যবসা শুরু করেন।
    তাদের দাবি, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই হবে না, নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্যানচালকদের জন্য বিকল্প নির্ধারিত স্থান নিশ্চিত করতে হবে। এতে একদিকে যেমন যানজট কমবে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাবেন।
    সচেতন মহলের মতামত
    সচেতন নাগরিকরা বলছেন, সড়ক জনসাধারণের চলাচলের জন্য। সেখানে কোনোভাবেই স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে দোকান বসানোর সুযোগ থাকা উচিত নয়। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
    তাদের মতে, প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও ভ্যানচালকদের সমন্বয়ে একটি কার্যকর সমাধান বের করা সম্ভব। নির্দিষ্ট স্থানে হকার জোন বা ভ্যান ব্যবসার স্থান নির্ধারণ করা হলে রাস্তা দখলের প্রবণতা কমবে এবং যানজটও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে।
    দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান
    মোগরাপাড়া চৌরাস্তা সোনারগাঁ উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার। এই সড়কে প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত। অথচ অবৈধভাবে ভ্যানগাড়ি বসিয়ে ব্যবসা পরিচালনার কারণে সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
    এলাকাবাসীর দাবি, কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ককে দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং বিকল্প স্থানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করা এবং সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

    প্রশাসনের বক্তব্য
    সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত বলেন, “সড়ক দখলমুক্ত রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। তারা নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে সড়ক থেকে অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ভ্যানগাড়ি অপসারণে কাজ করবেন।”

    স্থানীয়দের আশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করলে মোগরাপাড়া চৌরাস্তার দীর্ঘদিনের যানজট ও জনভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ব্যবহার করতে পারবেন।

  • কাঁচপুরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে প্রায় ৫৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

    কাঁচপুরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে প্রায় ৫৪ লাখ টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৪ লাখ টাকা মূল্যের ৪ হাজার ৫০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

    বুধবার (১ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে।
    পরে দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, অভিযানের সময় কাঁচপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা পলিথিনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫৪ লাখ টাকা।

    এ সময় ট্রাকটির চালক ও হেল্পারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

    পরবর্তীতে জব্দ করা নিষিদ্ধ পলিথিন ধ্বংসের জন্য নারায়ণগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, পরিবেশ রক্ষায় নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার, মজুত ও পরিবহন বন্ধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।