আজ | রবিবার | মিনিট | ঋতু:
ঋতু: |
সর্বশেষঃ
সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০৮ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৭ সোনারগাঁয়ে বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৬ সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৩০, ইয়াবা উদ্ধার ৭২ পিস সোনারগাঁও রিপোর্টার্স ক্লাবের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন সাংবাদিক ইমরান সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গাঁজাসহ গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে আড়াইহাজারের যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা সোনারগাঁয়ে যাত্রা শুরু করল আলো আই হসপিটাল সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ জন গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৪ মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সোনারগাঁয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সোনারগাঁয়ের উন্নয়ন প্রকল্প ও সরকারি ব্যয়ের তথ্য চেয়ে এনসিপির আবেদন সোনারগাঁয়ের পানাম নগরী ও জামদানি পল্লী ঘুরে দেখলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সোনারগাঁয়ে মাদক, ডাকাতিসহ বিশেষ অভিযানে ১৯ জন গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে ভাড়া বাসা থেকে গার্মেন্টস কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সোনারগাঁয়ে ১০১ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার সোনারগাঁয়ে ৮ দিনব্যাপী লালন কারুমেলা শুরু সোনারগাঁয়ে ৩৮টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গাপূজা সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার পিরোজপুর ইউনিয়নে দুর্নীতিমুক্ত ও বৈষম্যহীন সেবা নিশ্চিতের অঙ্গীকার শাহজালালের সোনারগাঁয়ে জামপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন বাবু দোয়া ও সমর্থন চেয়ে গণসংযোগ করেন।

ফারিয়া গার্সেন্টেসের স্টোর রুমে মিলল গোয়ালদীর ইদ্রিস আলীর ঝুলন্ত লাশ

মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
৮ বার দেখা হয়েছে

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালো এনায়েতনগর ইউনিয়নের বারৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার স্টোররুমে তার মরদেহ মেলে বলে জানান ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুব আলম।

নিহতের নাম ইদ্রিস আলী (৪৩)। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদীর আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল দশটার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

“সোমবার সন্ধ্যায় সাতটায় ছুটি হবার পর তার গাড়িতে করে বাড়িতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার সহকর্মীরা থাকে ফোন দিয়েও পাচ্ছিল না। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। আজ তার লাশ পাওয়া গেলো।  ইদ্রিসের মরদেহটি যে স্টোররুমে মিলেছে সেটি নিয়ন্ত্রণেরও দায়িত্বে ছিলেন তিনিই। ওই ঘরটির লাইট বন্ধ ছিল,” যোগ করেন মনির।

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হবার পর সন্ধ্যায় তিনি কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফেরেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে তা কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইদ্রিস কারখানাতে নেই।’

“আমরা পুলিশকেও জানিয়েছিলাম রাতেই। সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। উনি নামাজ-কালাম পড়তেন, ভালো মেজাজের মানুষ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। আমাদের এ মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে।”

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেবার কথাও জানান নিহতের স্ত্রী।

এদিকে থানা পুলিশের ওসি মাহবুব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে কারখানাটির সামনে গেলে নিহতের সহকর্মী ও শ্রমিকদের ক্ষোভের মুখে পড়ে। তাদের নিভৃত করার পর আইনি কার্যক্রম চলছে।

এদিকে, ‘হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার’ অভিযোগ তুলে সেখানে বিক্ষোভ করছেন কারখানাটির শ্রমিকরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

এই নিউজটি শেয়ার করুন...

আমাদের ফেসবুক পেজ

   
Website Design & Developed By MD Fahim Haque - Web Solution