নিজস্ব প্রতিবেদক : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর-গঙ্গাপুর সড়কে অটোরিকশার ভাড়া আবারও বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অটো গ্যারেজ মালিক ও চালকদের একটি বৈঠকে নতুন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় যাত্রী ও ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, আগে কাঁচপুর-গঙ্গাপুর সড়কে অটোরিকশার ভাড়া ছিল ১০ টাকা। রাস্তা সংস্কার ও চলাচলে সমস্যা থাকায় একপর্যায়ে ভাড়া বাড়িয়ে ১৫ টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সড়কের সংস্কারকাজ শেষ হলেও আগের ভাড়া আর কার্যকর করা হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কে যানজট কিংবা পানি জমলে অটোরিকশার চালকরা অনেক সময় নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে দুই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করেন। এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ যাত্রীরা।
অভিযোগ রয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কাঁচপুর এলাকার কয়েকজন অটো গ্যারেজ মালিক ও চালক গোপনে বৈঠক করে নতুন করে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ওই বৈঠকে ‘বড় অটো’র ভাড়া ২০ টাকা এবং অটোরিকশার বিভিন্ন গন্তব্যের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইস্টার্ন থেকে কমিটি সেন্টার ১০ টাকা, বেন্ডিস মিল ২০ টাকা, সচিব রোড ৪০ টাকা, গাবতলা ৬০ টাকা, বটতলা ৮০ টাকা এবং গঙ্গাপুর ১০০ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়া এভাবে গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ করা হলে সাধারণ মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে। বিশেষ করে প্রতিদিন কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রয়োজনে এ সড়কে চলাচলকারী নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের দাবি, অনুমোদনহীনভাবে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
তবে গ্যারেজ মালিক ও অটোরিকশা চালকদের পক্ষ থেকে নতুন ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।



